ব্রেকিং:
মিয়ানমার সীমান্তের পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকার নির্দেশ রাখাইনে বড় সংঘাতের আশঙ্কা, বাসিন্দাদের সরে যাওয়ার নির্দেশ একদিনে পদ্মাসেতুর আয় পৌনে ৫ কোটি টাকা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মেমোরিয়াল হাসপাতাল পরিদর্শনে শেখ হাসিনা ‘গ্লোবাল কোয়ালিশন ফর সোশ্যাল জাস্টিসে’ যোগ দিলো বাংলাদেশ রেলস্টশন-বাস টার্মিনালে ঘরমুখো মানুষের ঢল রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অস্ত্র ও গুলিসহ আরসা সন্ত্রাসী গ্রেফতার ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী সেতু চালু হচ্ছে সেপ্টেম্বরে নোয়াখালীর কবিরহাটে ৩৬ দিন পর লাশ উত্তোলন বসুরহাটের বাজেট ঘোষণা করলেন মেয়র কাদের মির্জা প্রেমিকের সঙ্গে বিয়েতে বাবা-মা রাজি না হওয়ায় আত্মহত্যা নানা সংকটে হুমকিতে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ বিসিক শিল্পনগরী নোয়াখালীতে পানিতে ডুবে দুই বোনের মৃত্যু মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর নামে পাচার হয়েছে ৩৫শ’ কোটি টাকা নেত্রকোণায় কাঁচা ঘাস খেয়ে ২৬ গরুর মৃত্যু প্রত্যেকটা গ্রামকে আমরা নাগরিক সুবিধায় নিয়ে আসব ফেনীর সোনাগাজীতে চাঁদা আদায়কালে র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার ৮ ফেনীর সোনাগাজীর চরাঞ্চলে বজ্রপাতে প্রাণ গেলো ১২ গবাদিপশুর ফেনীর সোনাগাজীতে আযান দেওয়ার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট ফেনীর ফুলগাজীতে ফুটপাত মুক্ত করতে নির্দেশনা
  • রোববার ১৬ জুন ২০২৪ ||

  • আষাঢ় ২ ১৪৩১

  • || ০৮ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

শয়তানের ছবি এঁকে পরিকল্পনা, হত্যার পর মাকে টুকরো টুকরো করেন রকি

নোয়াখালী সমাচার

প্রকাশিত: ১ মে ২০২৩  

গ্রামের বাড়িতে ঈদ উদযাপন শেষে গত ২৪ এপ্রিল মমতাজ বেগম কোয়ার্টারে আসেন। ওইদিন একটি কাগজে শয়তানের ছবি এঁকে হত্যার পরিকল্পনা করেন তার ছোট ছেলে রকি। এরপর পরিকল্পনা অনুযায়ী রাতেই রকি ধারালো ছুরি দিয়ে মা মমতাজকে হত্যা করেন। পরে লাশ টুকরো টুকরো করে সেখানে রেখেই পালিয়ে যান তিনি।

লক্ষ্মীপুরে সড়ক ও জনপথ বিভাগের স্টাফ কোয়ার্টারে মমতাজ বেগমকে হত্যার দায়ে তার ছোট ছেলে সাইফুল ইসলাম রকিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জিজ্ঞেসাবাদে পুলিশকে হত্যাকাণ্ডের রোমহর্ষক বর্ণনা দেন রকি। 

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নিজ কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার মাহফুজ্জামান আশরাফ। এর আগে দুপুরে পৌরসভার মজুপুর এলাকার একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

তিনি জানান, গ্রামের বাড়িতে ঈদ উদযাপন শেষে গত ২৪ এপ্রিল মমতাজ বেগম কোয়ার্টারে আসেন। সেদিন রাতে ছোট ছেলে রকি ধারালো ছুরি দিয়ে মাকে হত্যা করেন। লাশ টুকরো টুকরো করে সেখানে রেখেই পালিয়ে যান রকি।

তিনি আরো বলেন, মাকে হত্যার আগে একটি কাগজে ছবি এঁকে হত্যার পরিকল্পনা করেন রকি। হত্যার পর বড় ছেলে বাপ্পী বাড়িতে এসে দরজায় রক্ত দেখে ৯৯৯ কল দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় পেছনের দরজা দিয়ে বাসায় ঢুকে পুলিশ। ঢুকতেই একটি পাটি দিয়ে ঢাকা অবস্থায় মমতাজের বেগমের শরীরের কাটা অংশ দেখতে পায়।

এ ঘটনায় গত ২৫ এপ্রিল নিহত মমতাজের মেয়ে রোজি আক্তার বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামি করে সদর মডলে থানায় মামলা করেন। পরে সিসি টিভি পর্যবেক্ষণ ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় রকিকে পুলিশ আটক করে জিজ্ঞেসাবাদ করলে হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেন তিনি।

জানা যায়, নিহত মমতাজ বেগম লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার কুশাখালী ইউপির মৃত আব্দুল মতিনের স্ত্রী। তার স্বামী সড়ক বিভাগে চাকরি করতেন। স্বামী মতিন মারা যাওয়ার পর থেকেই মমতাজ তার দুই ছেলে বাপ্পি ও রকিকে নিয়ে সড়ক বিভাগের স্টাফ কোয়ার্টারে বসবাস করে আসছেন। তার বড় ছেলে বাপ্পি বর্তমানে মাস্টার রুলে সড়ক বিভাগে কাজ করছেন।