ব্রেকিং:
কোটাবিরোধীতায় অশুভ শক্তি নেমেছে : ওবায়দুল কাদের প্রান্তিক মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে সব করব : সামন্ত লাল চোরাই মোবাইলের স্বর্গরাজ্য চট্টগ্রামের রিয়াজউদ্দিন বাজার বৃষ্টির পানিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ২ ফার্নিচার কর্মচারীর মৃত্যু ২২ কেজির কোরাল বিক্রি হলো ২৬ হাজার টাকায় আন্দোলনরত শিক্ষকদের সঙ্গে বৈঠকে ওবায়দুল কাদের প্রতিবন্ধী তরুণকে কুকুর লেলিয়ে হত্যা করল ইসরায়েলি সেনারা ফেনী বন্যাদুর্গত ৭০০ পরিবার পেলো ত্রাণ সামগ্রী এক সপ্তাহে ৭৪১১ কোটি টাকা বাজার মূলধন হারালো ডিএসই রাজধানীতে পিতার ১ কোটি ৬৬ লাখ টাকা চুরি করলেন মেয়ে নৈশ প্রহরীকে বেঁধে বাজারে দুর্ধর্ষ ডাকাতি পচা কাঠের পোকা, দাম ৭৫ লাখ! জানেন কেন? দেশে ফিরেছেন ৬৭৯৭৪ হাজি সারাদেশে ইন্টারনেটে ধীরগতি আন্দোলনকারীরা বক্তব্য দিতে চাইলে আপিল বিভাগ বিবেচনায় নেবেন সচেতনতার অভাবে অনেক মানুষ বিভিন্ন দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে : ডিএমপি গমের উৎপাদন বাড়াতে সিমিট ও মেক্সিকোর সহযোগিতা জনদুর্ভোগ সৃষ্টি থেকে বিরত থাকুন : আরাফাত বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে সমাজসেবা অধিদপ্তরের পরিচালকের শ্রদ্ধা
  • রোববার ১৪ জুলাই ২০২৪ ||

  • আষাঢ় ৩০ ১৪৩১

  • || ০৬ মুহররম ১৪৪৬

রামগতিতে পাঁচ বছরেও চালু হয়নি বায়োমেট্রিক হাজিরা

নোয়াখালী সমাচার

প্রকাশিত: ৬ জুলাই ২০২৪  

লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে পাঁচ বছরেও চালু হয়নি বায়োমেট্রিক হাজিরা। দীর্ঘদিন অব্যহৃত থাকার কারণে অধিকাংশ বিদ্যালয়ের বিদ্যালয়ের মেশিন অকেজো হয়ে পড়ে আছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী, শিক্ষকদের বিদ্যালয়ে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে উপজেলার ৯৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একসঙ্গে এই বায়োমেট্রিক ডিজিটাল হাজিরা মেশিনগুলো কেনা হয় প্রায় পাঁচ বছর আগে। তবে সেগুলোতে ডাটাবেইস সংযোগ এখন পর্যন্ত দেওয়া হয়নি।

এ কারণে স্থাপনের পাঁচ বছরে এক দিনও ব্যবহার করা সম্ভব হয়নি এই মেশিনগুলো। ৯৬টি বিদ্যালয়ে স্থাপনের পর প্রায় পাঁচ বছর পার হওয়ায় এরইমধ্যে শেষ হয়েছে মেশিনগুলোর ওয়ারেন্টির মেয়াদও।

এদিকে দীর্ঘদিন পড়ে থাকার ফলে নষ্টের পথে বেশির ভাগ মেশিন। এসব মেশিন আদৌ চালু করা হবে কি না, সেটিও জানে না কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। শিক্ষকদের মধ্যে কেউ কেউ বলছেন, করোনার কারণে দীর্ঘদিন বিদ্যালয় ছুটি থাকায় মেশিনগুলো চালু করা হয়নি। মেশিন সরবরাহকারীদেরে সাথেও এখন আর যোগাযোগ নেই তাদের।

একাধিক প্রাথমিক বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বায়োমেট্রিক হাজিরার মেশিনের মাধ্যমে শিক্ষকদের বিদ্যালয়ে প্রবেশ ও বের হওয়ার সময় রেকর্ড নিশ্চিত করতে সরকারি নির্দেশনায় উপজেলার ৯৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একসঙ্গে বায়োমেট্রিক হাজিরা মেশিন বসানো হয়। এই ডিজিটাল হাজিরা মেশিনগুলো কতিপয় শিক্ষক নেতাদের কথামতো কিনতে বাধ্য করা হয়েছিল বেশিরভাগ বিদ্যালয়গুলোকে। শিক্ষক নেতাদের চাপে বেশি দামে নিম্নমানের এসব ডিজিটাল হাজিরা মেশিনগুলো ভ্যাটসহ প্রতিটি মেশিন প্রায় ২০ হাজার টাকা দরে কেনা হয়েছিল।

তাতে ৯৬টি বিদ্যালয়ে মোট খরচ হয় প্রায় ১৯ লাখ ২০ হাজার টাকা। ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বিদ্যালয় ভিত্তিক উন্নয়ন প্রকল্পের (স্লিপ ফান্ডের) টাকার সঙ্গে সমন্বয় করা হয়। শিক্ষকরা মাঝে মধ্যে মেশিনগুলো ভালো রাখার জন্য বৈদ্যুতিক চার্জ দিয়ে রাখেন। এভাবে অকেজো পড়ে থাকার কারণে বর্তমানে অনেক বিদ্যালয়ের মেশিন বিকল হয়ে পড়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন প্রধান শিক্ষক বলেন, ২০১৯ সালে অধিদপ্তরের নির্দেশে স্লিপ ফান্ডের টাকা দিয়ে বায়োমেট্রিক হাজিরা মেশিন ক্রয় করার সিন্ধান্ত নেয় উপজেলার প্রত্যেকটি বিদ্যালয়। এ সময় সুযোগ সন্ধানী কতিপয় শিক্ষক নেতার পছন্দের কোম্পানি থেকে ডিভাইসগুলো ক্রয় করতে প্রধান শিক্ষকদের বাধ্য করেছিল। এতে করে বেশির ভাগ বিদ্যালয় শিক্ষক নেতাদের পছন্দের কোম্পানি থেকে কিনতে বাধ্য হয়েছিল। তারা প্রত্যেকটি মেশিন ১৮ হাজার থেকে ২২ হাজার টাকা প্রধান শিক্ষকদের কাছ থেকে কোম্পানির প্রতিনিধির মাধ্যমে নিয়েছেন এবং এসব মেশিনগুলো ছিল নিম্ন মানের। নিজেরা বাজার দর যাচাই করে কিনলে আরো কম দামে কেনা যেতো বলে প্রধান শিক্ষকরা জানান।

অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাজার দর যাচাই বাচাই করে বায়োমেট্রিক হাজিরা মেশিন কিনবেন। প্রধান শিক্ষকরা মেশিন কিনে ভাউচার দাখিল করবেন। এ ক্ষেত্রে কতিপয় শিক্ষক নেতা ব্যক্তিগতভাবে অতিরিক্ত টাকা হাতিয়ে নেওয়ার জন্য বেশিরভাগ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের বাধ্য করেছেন তাদের পছন্দমত কোম্পানির কাছ থেকে মেশিন কিনতে।

উপজেলা শিক্ষা অফিসার রূপাঞ্জলি কর বলেন, ডিজিটাল হাজিরা মেশিনগুলো এখনো চালু করেনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ। অধিদপ্তরের একটি অ্যাপসের মাধ্যমে মেশিনগুলো নিয়ন্ত্রণ করা হবে। আমরা এখনো অধিপ্তরের নির্দেশনার অপেক্ষায় আছি।