ব্রেকিং:
কুমিল্লা সমাবেশে রুমিনের মোবাইল ছিনতাই করল যুবদল কর্মী হাইমচরে নৌকার পক্ষে প্রচারণায় মাঠে ডা:টিপু ও মেয়র জুয়েল চাঁদপুর শহরের গ্রীণ ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা আজ বিশেষ মুনাজাতের মধ্যে শেষ হচ্ছে চাঁদপুর জেলা ইজতেমা মতলব উত্তর ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ রামপুরে বিষ প্রয়োগে অসহার কৃষকের মাছ নিধন ‘গুসি শান্তি পুরস্কার’ পেলেন শিক্ষামন্ত্রী মতলবের ধনাগোদা নদীতে কচুরিপানা জটে নৌ চলাচল বন্ধ ৩৫ বছরে শৈশবের স্বাদ, হতে চান উচ্চশিক্ষিত লক্ষ্মীপুরে ছাত্রদলের ১৫১ জনের বিরুদ্ধে মামলা দক্ষিণ আফ্রিকায় নোয়াখালীর ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে হত্যা অটোরিকশা-মোটরসাইকেল সংঘর্ষ, প্রাণ গেল ২ তরুণের মুরাদনগরের সিদল যাচ্ছে বিদেশে ট্রেনে কাটা পড়ে নারীসহ ২ জনের মৃত্যু যোগাযোগ সম্প্রসারণে বাংলাদেশের সহযোগিতা চায় আমিরাত বঙ্গবন্ধু টানেলে গাড়ি চলবে জানুয়ারিতে বিদেশিদের মন্তব্যে বিরক্ত সরকার আমনের বাম্পার ফলন রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আইওআরএ মন্ত্রীদের সাক্ষাৎ
  • রোববার   ২৭ নভেম্বর ২০২২ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১৩ ১৪২৯

  • || ০২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

বিকাশ অ্যাকাউন্টে ছিল ৩০০ টাকা, ১০ হাজার তুলতে গিয়ে ধরা

নোয়াখালী সমাচার

প্রকাশিত: ১৪ নভেম্বর ২০২২  

লক্ষ্মীপুরে বিকাশ প্রতারক সন্দেহে দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। রোববার (১৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় জেলা শহরের উত্তর তেমুহনী এলাকায় ভূঁইয়া টেলিকম নামে একটি বিকাশ এজেন্টের দোকানে এ ঘটনা ঘটে। 

আটকরা হলেন- ওমর ফারুক ও মো. ফরহাদ। ফারুক নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ খাঁনপুর গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে ও ফরহাদ মাইজদী পুরাতন কলেজ এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে।

পুলিশ ও বিকাশ এজেন্ট জানায়, ওই দুইজন একটি ব্যক্তিগত বিকাশ নম্বর থেকে ১০ হাজার টাকা উত্তোলনের জন্য দোকানে আসেন। কিন্তু দোকানদারের কাছে পর্যাপ্ত টাকা ছিল না। এ সময় তারা চলে যায়। কিছুক্ষণ পর তারা আবার টাকা তোলার জন্য একই দোকানে আসেন। তখন দোকানদার তাদেরকে ক্যাশআউট করতে বলেন। কিন্তু তারা পারছিলেন না। এ সময় দোকানদার নিজেই তাদের কাছ থেকে মোবাইল নিয়ে পিন নম্বর দিয়ে বিকাশ হিসাব চেক করেন। এ সময় হিসাবে ৩০০ টাকা পাওয়া যায়। এই কথা বলাতে দোকানদারের ওপর চড়াও হয়ে ওঠে তারা। এক পর্যায়ে উভয় পক্ষ তর্কে জড়িয়ে পড়ে। 

সে সময় ফুটপাত থেকে অবৈধ দোকান সরাতে এসপি মাহফুজ্জামান আশরাফ, এএসপি (সদর সার্কেল) সোহেল রানা ও সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোসলেহ উদ্দিন অভিযান চালাচ্ছিলেন। দোকানের তর্কের ঘটনাটি এসপির নজরে পড়ে। কাছে যেতেই দোকানদার এসপিকে পুরো ঘটনাটি বলেন। দুই ব্যক্তি বিকাশ প্রতারক চক্রের সঙ্গে জড়িত আছে সন্দেহ করেন। পরে তাদের আটক করে সদর মডেল থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। 

তবে আটক ফারুক ও ফরহাদের দাবি, তারা প্রতারক নয়। তারা ভাঙারি ব্যবসা করেন। তারা বিকাশ থেকে টাকা উঠানোর জন্য দোকানটিতে এসেছেন। 

লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোসলেহ উদ্দিন বলেন, সন্দেহভাজন হিসেবে তাদের আটক করা হয়েছে। তারা প্রতারক চক্রের সঙ্গে জড়িত কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তারা থানা পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।