ব্রেকিং:
টেলিটকে ফাইভ-জির গতি উঠলো সেকেন্ডে ১৫১২ এমবিপিএস ভোটকেন্দ্রে টাকা দিতে মেয়রের জোরাজুরি, নিল না পুলিশ আগামী দুই অধিবেশনের মধ্যে ইসি গঠনের আইন আসছে: আইনমন্ত্রী স্থায়ী কমিটির ভূমিকায় সন্দিহান বিএনপির কর্মীরা দীঘিনালায় ম্যাজিস্ট্রেটের গাড়িতে হামলা, ১৬ জন আহত আজও রাস্তায় শিক্ষার্থীরা, চেক করছে ড্রাইভিং লাইসেন্স ওমিক্রন নিয়ে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন: ডব্লিউএইচওর প্রধান বিজ্ঞানী কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে সরকার সচেষ্ট: আইসিটি প্রতিমন্ত্রী খালেদার চিকিৎসা নিয়ে নেতা-চিকিৎসকদের সমন্বয়হীনতায় ক্ষুব্ধ তারেক বৈদেশিক বিনিয়োগে বাংলাদেশের গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে: প্রধানমন্ত্রী জাল ভোট দিতে এসে ধরা, ছয় মাসের জেল ইয়াবা দেখে ফেলায় সহপাঠীকে নৃশংস হত্যা সমুদ্র দূষণে শাস্তি বাড়িয়ে সংসদে বিল পাস পুরুষশূন্য কেন্দ্রে নারীদের দীর্ঘ সারি বাংলাদেশের নারীরা সারাবিশ্বে নিজেদের যোগ্যতার পরিচয় দিচ্ছে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা ১ জানুয়ারি, মিলবে বিআরটিসি বাস সার্ভিস ৮৩ শতাংশ নারীই মনে করেন ‘বউ পেটানো ঠিক’ ঢাকায় বিনিয়োগ শীর্ষ সম্মেলন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী দেহব্যবসা করে চালিয়েছেন পড়াশোনা, জিতেছেন সুন্দরী প্রতিযোগিতায় যে কারণে পেছাল আবরার হত্যা মামলার রায়
  • সোমবার   ২৯ নভেম্বর ২০২১ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১৫ ১৪২৮

  • || ২২ রবিউস সানি ১৪৪৩

অন্তর্ভুক্তিমূলক টেকসই আর্থিক সেবায় মোবাইল ব্যাংকিং প্রসার জরুরি

নোয়াখালী সমাচার

প্রকাশিত: ২৪ নভেম্বর ২০২১  

অন্তর্ভুক্তিমূলক টেকসই আর্থিক সেবায় মোবাইল ব্যাংকিং প্রসার জরুরি। তবে এ মাধ্যমে এখনও অনেক অপরাধমূলক পরিশোধ ও ডিজিটাল হুন্ডি হচ্ছে। একটি এনআইডি দিয়ে একাধিক অ্যাকাউন্ট খোলার সুযোগ না থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে সেটা ঘটছে। আর কোনো এমএফএসের মাধ্যমে গ্রাহক যেন প্রতারিত না হন সেদিকে নজর দিতে হবে। সার্বিকভাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তদারকি ব্যবস্থা আরো জোরদার করতে হবে। 

বুধবার মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস শিল্পের কমপ্লায়েন্স নিয়ে বাংলাদেশ উন্নয়ন পরিষদ আয়োজিত এক গোল টেবিল আলোচনায় বক্তারা এ কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, এমএফএসে এখন ১০ কোটির বেশি অ্যাকাউন্ট। এর মধ্যে ৪৭ শতাংশ নারী, এটা শুনতেই ভালো লাগে। অনেকের সংশ্লিষ্টতার ফলে এখানে নিরাপত্তার বিষয়টি বড় হয়ে দেখা দিয়েছে।

তিনি বলেন, আর্থিক খাতের যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংক স্বাধীন। আমরা কঠোর নজরদারিতে বিশ্বাস করি না। তবে নজরদারি না রাখলেও হবে না। প্রতিষ্ঠানের স্বাধীনতা এবং কমপ্লায়েন্সের মধ্যে সমন্বয় করে কার্যক্রম চালাতে হবে। এমএফএসের কারণে প্রান্তিক জনগোষ্ঠি ব্যাংকিং সেবার আওতায় এসেছে, এটা ইতিবাচক। তবে এমএফএস নতুন ফিল্ড। সচেতনার জন্য সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিভিন্ন কর্মসূচি নিতে হবে।

অনুষ্ঠান পরিচালনা ও সভাপতিত্ব করেন পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) চেয়ারম্যান ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ। ব্যারিস্টার অনীক আর হক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন- বাংলাদেশ উন্নয়ন পরিষদের নির্বাহী পরিচালক ড. নিলুফার বানু।

ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ বলেন, দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। তবে কিছু মানুষের দুর্বৃত্তায়নের কারণে উন্নয়ন ব্যহত হচ্ছে। সব নিয়ম পতিপালন করে প্রতিষ্ঠানগুলো পরিচালিত হচ্ছে কিনা কেন্দ্রীয় ব্যাংককে তা দেখতে হবে। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের কোনো ঘাটতি থাকলে তা ঠিক করার উদ্যোগ নিতে হবে।

আলোচনায় অংশ নিয়ে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রায়হান উদ্দিন খান বলেন, এমএসের মাধ্যমে বিভিন্ন অপরাধমূলক লেনদেন ও ডিজিটাল হুন্ডি হচ্ছে। আমরা যাদেরকেই গ্রেপ্তার করি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে একজনের এনআইডি দিয়ে খোলা হিসেবে আরেকজন ব্যবহার করেন। আবার এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় ক্যাশ আউট করা হচ্ছে। কোনো অ্যাকাউন্ট না থাকলেও টাকা পাঠানোর সুযোগ মিলছে। অনলাইন ডলার, ডিজিটাল গুডসের মতো অননুমোদিত পরিশোধ করা হচ্ছে এমএফএসের মাধ্যমে। এসব কারণে অপরাধ লেনদেনের সুযোগ পাচ্ছে। এসব ক্ষেত্রে তদারক ব্যবস্থার জোরদার করতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আহমেদ জামাল বলেন, আগামী জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারির মধ্যে হয়তো আন্ত:লেনদেন সেবা চালু করা যাবে। এটা হলে এক এনআইডিতে একটি এমএফএস হিসাব খোলার বিষয়টি ভাবা যাবে।

তিনি জানান, এমএফএস সেবা দাতা প্রতিষ্ঠান যে পরিমাণ ই-মানি ইস্যু করে সমপরিমাণ টাকা ট্রান্স কাম সেটেলমেন্ট অ্যাকাউন্টে রাখতে হয়। এধরনের হিসাবে বর্তমানে প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা জমা আছে। ফলে গ্রাহকের টাকার নিরাপত্তা নিয়ে কোনো সমস্যা নেই। আর অপরাধমূলক পরিশোধ লেনদেন সীমা আরোপসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। টেকসই উন্নয়নের জন্য এমএফএস সেবার প্রসার দরকার। কেনোনা দেশে ১০ হাজারের বেশি ব্যাংক শাখা থাকলেও অনেকে সেখানকার সেবা নিতে আগ্রহ দেখান না।

মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে কেউ-কেউ গ্রাহককের অর্থের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

বিকাশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কামাল কাদির বলেন, গ্রাহক দৈনন্দিন যে লেনদেন করেন তা প্রোভাইডারের কাছে থাকে না। এটা নির্দিষ্ট ব্যাংক অ্যাকাউন্টে রাখা হয়। এছাড়া অ্যাকাউন্ট খোলার বিষয়টি এনআইডি ভেরিফিকেশনের সঙ্গে যুক্ত করার পর আর একটা এনআইডি দিয়ে একাধিক অ্যাকাউন্ট খোলার সুযোগ নেই। তবে, রেজিস্ট্রেশন করা সিমের ভিত্তিতে অ্যাকাউন্ট খোলা হলে তাতে একাধিক অ্যাকাউন্ট খোলা যায়।

ডাচ-বাংলা ব্যাংকের ডিএমডি শাহাদাৎ হোসেন বলেন, ঘটনা ঘটার পর সাধারণত আমরা আইন করি বা ব্যবস্থা নেই। তবে, কেউ যদি ৩০ শতাংশ ক্যাশ ব্যাকের বিজ্ঞাপন দেয় কোনো পরিদর্শন ছাড়াই বোঝা যায় কিছু একটা ঘটছে। আবার সরকারি বিভিন্ন ভাতা বিতরণও নির্দিষ্ট কোনো প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে না করে মার্কেট শেয়ার বিবেচনায় করতে হবে। সব ক্ষেত্রে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড খুব জরুরি।