ব্রেকিং:
আন্দোলনকারীরা বক্তব্য দিতে চাইলে আপিল বিভাগ বিবেচনায় নেবেন সচেতনতার অভাবে অনেক মানুষ বিভিন্ন দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে : ডিএমপি গমের উৎপাদন বাড়াতে সিমিট ও মেক্সিকোর সহযোগিতা জনদুর্ভোগ সৃষ্টি থেকে বিরত থাকুন : আরাফাত বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে সমাজসেবা অধিদপ্তরের পরিচালকের শ্রদ্ধা মোদির সাথে বিমসটেক পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সাক্ষাত গাজায় শান্তি রক্ষা করবে আরব যৌথ বাহিনী: বাইডেন কোটা আন্দোলন প্রশ্নে আইনমন্ত্রী কি বললেন? ‘পুলিশের গুলিতে কোনো শিক্ষার্থী মারা যায় নি" ভারত থেকে আমদানি হলো ১১টি বুলেটপ্রুফ সামরিক যান সৌদি আরবে হামলার হুমকি, স্পর্শকাতর স্থানের ভিডিও প্রকাশ পরকীয়া করতে গিয়ে ধরা, সেই স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা বহিষ্কার বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে ২১ চুক্তি ও সাত ঘোষণাপত্র সই লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে প্রযুক্তি বিষয়ক কুইজ প্রতিযোগিতা ঝিনুকে তৈরি মুক্তার গহনা প্রধানমন্ত্রীর হাতে লক্ষ্মীপুরে হাত-পা বেঁধে প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যার পর ডাকাতি নোয়াখালীতে প্রকৌশলীসহ সেই চার শিক্ষক কারাগারে নোয়াখালীতে পরীক্ষা হলে হট্টগোল-খোশগল্প চট্টগ্রামে এডিসি কামরুল ও তার স্ত্রীর সম্পদ ক্রোকের আদেশ
  • শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ ||

  • আষাঢ় ২৮ ১৪৩১

  • || ০৫ মুহররম ১৪৪৬

ফেনীতে ড্রাগন ফলের বাণিজ্যিক আবাদে ঝুঁকছে কৃষক

নোয়াখালী সমাচার

প্রকাশিত: ১০ জুলাই ২০২৪  

জেলার দাগনভূঞায় বাণিজ্যিকভাবে ড্রাগন ফল আবাদে ঝুঁকছেন স্থানীয় কৃষক। শখের বশে আবাদ শুরু করলেও সম্ভাবনা দেখতে পেয়ে বাণিজ্যিকভাবে আবাদে উৎসাহী হয়েছেন আরিফুর রহমান রুবেল নামে স্থানীয় এক ব্যক্তি।
সরেজমিনে উপজেলার পূর্ব চন্দ্রপুর মডেল ইউনিয়নের জগতপুর এলাকায় রুবেলের বাগানে গিয়ে দেখা গেছে, বাগান পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন বাগানের পরিচর্যাকারীরা। বাগানে ড্রাগন ফল গাছ রয়েছে ৯১২টি।
আরিফুর রহমান রুবেল জানান, শখের বসে ড্রাগন ফলের চাষ শুরু করেছিলাম। ৫০ শতক জমির উপর বেড তৈরি করে রেড ভেলভেট জাতের ড্রাগন চারা রোপণ করা হয়েছে। এতে ২২৮টি খুঁটি স্থাপন করা হয়েছে। প্রতি খুঁটিতে চারটি করে ড্রাগন চারা রোপণ করা হয়েছে। বাগানে মোট ৯১২টি চারা রয়েছে। তিনি জানান, বেড তৈরি থেকে শুরু করে চারা রোপণ ও গাছের পরিচর্যায় এ পর্যন্ত তার লক্ষাধিক টাকা ব্যয় হয়েছে। ড্রাগন ফল চাষে সহযোগিতা করছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ।
বাগানের পরিচর্যাকারী মো. রাসেদের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, সঠিকভাবে পরিচর্যার পর উপজেলা কৃষি বিভাগের পরামর্শে এবার গাছে ড্রাগন ফল ধরা শুরু করেছে।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, নোয়াখালী, ফেনী, লক্ষীপুর, চাঁদপুর ও চট্টগ্রাম কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় গত বছর গড়ে তোলা হয় বাগানটি। পরীক্ষামূলকভাবে এ বছর ১২০ কেজি ড্রাগন ফল সংগ্রহ করা হয়েছে। আগামী বছর প্রায় চারহাজার কেজি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।
বাগানটি পরিদর্শন করেছেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ফেনীর উপ-পরিচালক মো, একরাম উদ্দিনসহ স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তারা।
দাগনভূঞা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মারুফ জানান, কখন কি করতে হবে, মাঠ গিয়ে পোকামাকড়, রোগবালাই ব্যবস্থাপনা নিয়ে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। যে কেউ এ ধরনের বাগান করতে চাইলে কৃষি অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মহিউদ্দিন মজুমদার বলেন, ড্রাগন একটি উচ্চ পুষ্টিমান সম্পন্ন ফল। এটি ব্যাপকভাবে চাষ হচ্ছে। দাগনভূঞা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় বাগানটি করা হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ড্রাগন ফল চাষের প্রতিটি পদক্ষেপ কারিগরি সহযোগিতা দিয়ে আসছে এবং নতুন বাগান সৃজনে সব ধরনের সহযোগিতা করবে।
ড্রাগন বিদেশী ফল হলেও বর্তমানে বাংলাদেশে ড্রাগনের চাষ শুরু হয়েছে। পুষ্টিগুনে সমৃদ্ধ ড্রাগন ফলে ৬০ ক্যালোরি শক্তি এবং প্রচুর ম্যাগনেসিয়াম, বিটাক্যারোটিন ও লাইকোপিনের মতো অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট রয়েছে। ডায়াবেটিস ও ক্যানসার প্রতিরোধে ড্রাগন ফল খুবই কার্যকরী। (বাসস)