ব্রেকিং:
হলি আর্টিজানে নিহতদের প্রতি রাষ্ট্রদূতদের ফুলেল শ্রদ্ধা হলি আর্টিজান হামলা, পরের ৬ বছরে গ্রেফতার ২৪১০ জঙ্গি হলি আর্টিজান হামলা: রক্তের দাগ, বুলেটের ক্ষত রয়েছে স্মৃতিপটে হলি আর্টিজান মামলার অগ্রগতি কতদূর হলি আর্টিজান হামলা ও এদেশের জঙ্গিবাদ হলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলার বিভীষিকাময় দিন হলি আর্টিজান মামলা: হাই কোর্টে এখনও শুনানির অপেক্ষা রাস্তার পাশে পড়েছিল কাপড়ে মোড়ানো নবজাতকের মরদেহ বাল্যবিয়ে বন্ধ, খাবার গেলো এতিমখানায় যমজ সন্তান জন্ম দিয়ে বিপাকে রুমা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পরিবর্তে ‘বি-বাড়িয়া’ না লিখার নির্দেশ যেসব পশু কোরবানি করা যাবে ও যাবে না নোয়াখালীতে গৃহপরিচারিকার লাশ উদ্ধার ঈদযাত্রার অগ্রিম ট্রেনের টিকিট পেতে কাউন্টারে ভিড় ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে টোল আদায় শুরু বিশ্বে একদিনে করোনায় ১৩৮০ জনের মৃত্যু ঈদযাত্রার অগ্রিম ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু বুয়েটের মেধা তালিকায় এবার আবরার ফাহাদের ছোট ভাই ফাইয়াজ কোরবানির হাটে মানতে হবে যেসব নির্দেশনা ঢাকাসহ যে ৫ জেলার বাইরে যেতে পারবে না রাইডশেয়ারিং মোটরসাইকেল
  • শুক্রবার   ০১ জুলাই ২০২২ ||

  • আষাঢ় ১৭ ১৪২৯

  • || ৩০ জ্বিলকদ ১৪৪৩

বিজয়নগরে ২০ গ্রাম প্লাবিত, ২৮ আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত

নোয়াখালী সমাচার

প্রকাশিত: ২২ জুন ২০২২  

ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের ওপর দিয়ে প্রবাহিত তিতাস নদী ও বিজয়নগরের কাজলা বিলের পানি বাড়তে থাকায় উপজেলার বিজয়নগর উপজেলার ৬ ইউপির ২০ গ্রাম বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। 

বন্যা কবলিত ইউপিগুলো হলো চর-ইসলামপুর, পত্তন, ইছাপুরা, চম্পকনগর, বুধন্তি ও হরষপুর ইউনিয়ন। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় এসব গ্রামের ফলসি জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। ভেসে গেছে পুকুরের মাছ।

জানা গেছে, তিতাস নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় উপজেলার দত্তখোলা, এক্তারপুর, সহদেবপুর, চর-ইসলামপুর, মনিপুর, পত্তন, গোয়ালখলা, লক্ষীমোড়া, চান্দুরা, কালিসিমা, চম্পকনগরের ভাটি এলাকাসহ উপজেলার ২০টি গ্রামে পানি ঢুকেছে। এতে করে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে ৬৮৭টি পরিবারের ৩ হাজার ৪৩৫ জন। 

বানভাসী মানুষের অভিযোগ গত ১ সপ্তাহ ধরে তারা দুভোর্গের শিকার হলেও বুধবার বিকেল পর্যন্ত তারা কোনো সাহায্য-সহযোগীতা পায়নি।

মনিপুর গ্রামের নায়েব মিয়া বলেন, ‘বন্যার পানিতে পরিবার পরিজন, গরু-বাছুর নিয়ে খুব সমস্যায় আছি। রান্না ঘর, টিউবওয়েল, বাথরুম পানির নিচে তলিয়ে গেছে। গরু রাখার কোনো জায়গা নেই। অন্য এলাকায় নিয়ে গরু রেখে এসেছি। এভাবে যদি পানি বাড়তে থাকে তাহলে বাড়ি ছাড়া হতে হবে।’

 

বিজয়নগর উপজেলার ৬ ইউপির ২০ গ্রাম বন্যায় প্লাবিত

বিজয়নগর উপজেলার ৬ ইউপির ২০ গ্রাম বন্যায় প্লাবিত

উপজেলার চান্দুরা ইউপির কালিসীমা গ্রামের জয়নাল ইসলাম বলেন, বন্যার পানিতে খুব অসহায় অবস্থায় আছি। বাড়ি  ঘরে পানি উঠেছে। পুকুরের মাছ সব ভেসে গেছে।  

কালীসীমা গ্রামের আমেনা বেগম নামে এক নারী বলেন, ‘প্রতিদিনই আস্তে আস্তে পানি বাড়ছে। বাড়ির উঠানে কোমর পানি। বাড়িঘর থেকে বের হতে পারছি না। বাথরুম, রান্নাঘর পানির নিচে। ঘরের ভেতরে কোনো রকম রান্না করে খেয়ে বেঁচে আছি। এলাকার মেম্বার-চেয়ারম্যান কেউ কোনো খোঁজ নেয়নি।’

উপজেলার চর-ইসলামপুর ইউপি চেয়ারম্যান দানা মিয়া ভূইয়া বলেন, এখন পর্যন্ত কোনো সহায়তা পাইনি।  

উপজেলা কৃষি অফিসার সাব্বির আহমেদ বলেন, বন্যায় ১৩৫ হেক্টর আউশ ধানের জমি ও ৪০ হেক্টরের সবজির জমি পানিতে তলিয়ে গেছে।

বিজয়নগর ইউএনও এ.এইচ. ইফরান উদ্দিন আহমেদ বলেন, বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছি। বন্যা কবলিত লোকদের জন্য ২৮টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। উপজেলার ২০ গ্রাম বন্যায় কবলিত হয়েছে। ৬৮৭টি পরিবারের ৩ হাজার ৪৩৫ জন মানুষ পানিবন্দি হয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করছি। বৃহস্পতিবার থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে ত্রাণ সহায়তা দেয়া হবে।