ব্রেকিং:
হলি আর্টিজানে নিহতদের প্রতি রাষ্ট্রদূতদের ফুলেল শ্রদ্ধা হলি আর্টিজান হামলা, পরের ৬ বছরে গ্রেফতার ২৪১০ জঙ্গি হলি আর্টিজান হামলা: রক্তের দাগ, বুলেটের ক্ষত রয়েছে স্মৃতিপটে হলি আর্টিজান মামলার অগ্রগতি কতদূর হলি আর্টিজান হামলা ও এদেশের জঙ্গিবাদ হলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলার বিভীষিকাময় দিন হলি আর্টিজান মামলা: হাই কোর্টে এখনও শুনানির অপেক্ষা রাস্তার পাশে পড়েছিল কাপড়ে মোড়ানো নবজাতকের মরদেহ বাল্যবিয়ে বন্ধ, খাবার গেলো এতিমখানায় যমজ সন্তান জন্ম দিয়ে বিপাকে রুমা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পরিবর্তে ‘বি-বাড়িয়া’ না লিখার নির্দেশ যেসব পশু কোরবানি করা যাবে ও যাবে না নোয়াখালীতে গৃহপরিচারিকার লাশ উদ্ধার ঈদযাত্রার অগ্রিম ট্রেনের টিকিট পেতে কাউন্টারে ভিড় ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে টোল আদায় শুরু বিশ্বে একদিনে করোনায় ১৩৮০ জনের মৃত্যু ঈদযাত্রার অগ্রিম ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু বুয়েটের মেধা তালিকায় এবার আবরার ফাহাদের ছোট ভাই ফাইয়াজ কোরবানির হাটে মানতে হবে যেসব নির্দেশনা ঢাকাসহ যে ৫ জেলার বাইরে যেতে পারবে না রাইডশেয়ারিং মোটরসাইকেল
  • শুক্রবার   ০১ জুলাই ২০২২ ||

  • আষাঢ় ১৭ ১৪২৯

  • || ৩০ জ্বিলকদ ১৪৪৩

সহপাঠীদের সামনে অপমান, ফাঁস দিলো ছাত্রী

নোয়াখালী সমাচার

প্রকাশিত: ২ জুন ২০২২  

ফেনীর দাগনভূঞায় সহপাঠীদের সামনে অপমান করায় মাদরাসার সুপারের সঙ্গে অভিমান করে ফারজানা আক্তার নামে এক ছাত্রী ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ফারজানা আক্তার ঐ উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের ভবানীপুরের বেলাল হোসেনের মেয়ে। সে চন্দ্রপুর ইউনিয়নের আমুভূঞারহাট হাছানিয়া দাখিল মাদরাসার অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

জানা গেছে, ফারজানার অভিভাবককে নিয়ে আসতে বলেন মাদরাসা সুপার মাওলানা বেলাল হোসেন। কিন্তু তার বাবা চাকরির কারণে ঢাকায় ও মা অসুস্থ থাকায় সুপারের সঙ্গে দেখা করতে পারেননি। এ কারণে বৃহস্পতিবার সকালে ফারজানা মাদরাসায় গেলে সুপার ও সহকারী শিক্ষক মো. আলমগীর এবং গিয়াস উদ্দিন মিঞা তাকে বকাঝকা করে ক্লাস থেকে বের করে দেন। সহপাঠীদের সামনে অপমান করায় সে বাড়ি গিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে।

আমুভূঞারহাট হাছানিয়া দাখিল মাদরাসার সুপার বেলাল হোসেন বলেন, ঐ ছাত্রীর বিষয়ে কিছু অভিযোগ ছিল। সে জন্য তার অভিভাবককে নিয়ে আসার জন্য বলেছি। কিন্তু সে অভিভাবক নিয়ে আসেনি। এ কারণে আমি ও সহকারী শিক্ষক মো. আলমগীর এবং গিয়াস উদ্দিন মিঞা তাকে জানাই অভিভাবক নিয়ে না আসা পর্যন্ত ক্লাস করার দরকার নেই। তখন সে বাড়ি চলে যায়। তাকে কোনো বকাঝকা করিনি।

এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক মো. আলমগীর ও গিয়াস উদ্দিন মিঞাকে মুঠোফোনে কল দিলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।

দাগনভূঞা থানার ওসি মো. হাসান ইমাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করেছে। পরে সেটি ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় কেউ অভিযোগ করলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।