ব্রেকিং:
হলি আর্টিজানে নিহতদের প্রতি রাষ্ট্রদূতদের ফুলেল শ্রদ্ধা হলি আর্টিজান হামলা, পরের ৬ বছরে গ্রেফতার ২৪১০ জঙ্গি হলি আর্টিজান হামলা: রক্তের দাগ, বুলেটের ক্ষত রয়েছে স্মৃতিপটে হলি আর্টিজান মামলার অগ্রগতি কতদূর হলি আর্টিজান হামলা ও এদেশের জঙ্গিবাদ হলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলার বিভীষিকাময় দিন হলি আর্টিজান মামলা: হাই কোর্টে এখনও শুনানির অপেক্ষা রাস্তার পাশে পড়েছিল কাপড়ে মোড়ানো নবজাতকের মরদেহ বাল্যবিয়ে বন্ধ, খাবার গেলো এতিমখানায় যমজ সন্তান জন্ম দিয়ে বিপাকে রুমা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পরিবর্তে ‘বি-বাড়িয়া’ না লিখার নির্দেশ যেসব পশু কোরবানি করা যাবে ও যাবে না নোয়াখালীতে গৃহপরিচারিকার লাশ উদ্ধার ঈদযাত্রার অগ্রিম ট্রেনের টিকিট পেতে কাউন্টারে ভিড় ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে টোল আদায় শুরু বিশ্বে একদিনে করোনায় ১৩৮০ জনের মৃত্যু ঈদযাত্রার অগ্রিম ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু বুয়েটের মেধা তালিকায় এবার আবরার ফাহাদের ছোট ভাই ফাইয়াজ কোরবানির হাটে মানতে হবে যেসব নির্দেশনা ঢাকাসহ যে ৫ জেলার বাইরে যেতে পারবে না রাইডশেয়ারিং মোটরসাইকেল
  • শুক্রবার   ০১ জুলাই ২০২২ ||

  • আষাঢ় ১৭ ১৪২৯

  • || ৩০ জ্বিলকদ ১৪৪৩

ডাইনিং বন্ধ, হোটেলে উচ্চমূল্য: বিপাকে কুবি শিক্ষার্থীরা

নোয়াখালী সমাচার

প্রকাশিত: ১৮ মে ২০২২  

দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতিতে খাবারের দাম বেড়েছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন হোটেলগুলোতে। নিস্নমানের খাবারে ১৫ থেকে ২০ শতাংশ দাম বৃদ্ধি করেছে হোটেল মালিকেরা। এদিকে আবাসিক হল খুলে দেওয়ার চারদিন পরও ডাইনিং চালু না হওয়ায় বাধ্য হয়ে হোটেলে খেতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। ফলে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মানহীন উচ্চমূল্যের খাবার নিয়ে বিপাকে পড়ছেন তারা।

সরেজমিনে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন হোটেলগুলোতে দ্রব্যমূল্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রায় সব খাবারের দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে। মামা হোটেল, নবী মামা হোটেলে পূর্বের চেয়ে প্রতিটি খাবারের দামে ৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। পরটা ৫ টাকা থেকে ১০ টাকা, ডিম ভাজি ১৫ টাকা থেকে ২৫ টাকা, মুরগি ৪০ টাকা থেকে ৫০ টাকা, শিং মাছ ৫০ টাকা থেকে ৭০ টাকা করা হয়েছে। 
এছাড়া গরুর মাংস (হাফ) ৬০ টাকা থেকে ৮০ টাকা হয়েছে। খাবারের মানের কোনো ধরনের উন্নয়ন না হলেও দ্রব্যমূল্যের বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে খাবারের দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে। 

ফলে অপুষ্টিসহ ডায়রিয়াজনিত রোগে ভুগছেন শিক্ষার্থীরা। এদিকে হলের ডাইনিং বন্ধ থাকায় হোটেল মালিকদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে তারা। খাবার দাম নিয়ে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করলেও হোটেল মালিকদের দাবি দ্রব্যমূল্যের বৃদ্ধির ফলে বেড়েছে খাবারের দাম। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ১০-১৫ জন শিক্ষার্থী জানান, দ্রব্যমূল্যের অজুহাতে সব খাবারে দাম বেড়েছে হোটেলগুলোতে। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া অধিকাংশ শিক্ষার্থী মধ্যবিত্ত পরিবারের। প্রতিদিন উচ্চমূল্যে খাবার খেতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের। এছাড়া অনেক হোটেলে কিছু খাবারের দাম অযৌক্তিকভাবে বাড়ানো হয়েছে। যার ফলে প্রয়োজনীয় খাবারগুলোই কিনে খাওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে। 
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন হোটেল মালিকদের সঙ্গে কথা বলে দাম নির্ধারণ করে দিলে শিক্ষার্থীদের জন্য ভালো হয়। 

এ দিকে হলের ডাইনিং বন্ধ থাকায় বাধ্য হয়ে হোটেলের উচ্চমূল্যের অস্বাস্থ্যকর খাবার খেতে বাধ্য হচ্ছে। বিভিন্ন হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা বলেন, হল খোলার চারদিনেও ডাইনিং চালুর বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি প্রশাসন। বাইরের হোটেলের চেয়ে স্বাস্থ্যকর পরিবেশ থাকে হলগুলোতে। এছাড়া শিক্ষার্থীরা সাশ্রয়ীমূল্যে খাবার থেকে পারে কিন্তু ডাইনিং চালু না হওয়ায় বাধ্য হয়ে হোটেলে খেতে হচ্ছে আমাদের। 

তবে হোটেল মালিকেরা বলছেন, চাল, তেলসহ প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় খাবারের দাম বৃদ্ধি করতে হয়েছে। 

হল ডাইনিংয়ের বিষয়ে জানতে চাইলে শহিদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলে প্রভোস্ট ড. মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, আমাদের হলের ডাইনিং যেহেতু শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে চালাতে হয়, সেজন্য তাদের সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তবে আমি আজকেই ডাইনিং ম্যানেজারদের সঙ্গে বসে ডাইনিং চালুর ব্যবস্থা করব। 

সার্বিক বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. এফ. এম. আবদুল মঈন বলেন, সারাবিশ্বে দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি চলছে। সেজন্য হয়তো হোটেলের খাবারের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। সেটাতেও আমাদের কিছু করার নেই। তবে হলের ডাইনিং চালুর বিষয়ে হল প্রভোস্টদের সঙ্গে কথা বলতে বলেন তিনি।