ব্রেকিং:
মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র থেকে প্রসূতিকে বের করে দিলেন আয়া,অতঃপর . মাদরাসায় বাংলায় সাইনবোর্ড স্থাপনের নির্দেশ সরকার সবার জন্য নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন নিশ্চিত করছে দেশে খাদ্য ঘাটতির সম্ভাবনা নেই: খাদ্যমন্ত্রী নতুন স্ন্যাপড্রাগন আসছে এ সপ্তাহেই ১৮ মাসের কাজ শেষ হয়নি ৬২ মাসেও অ্যান্টিবায়োটিক চেনাতে চিহ্ন ব্যবহারের সিদ্ধান্ত সরকারের ফেসবুক পোস্টে ‘হা হা’ দেওয়ায় ব্যাপক ভাঙচুর, পুলিশ মোতায়েন নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে হবে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, গলায় পোড়া দাগ গরু-ছাগলের মাংসে যক্ষ্মার জীবাণু শনাক্ত টানা ২৮ দিন করোনায় মৃত্যুশূন্য দেশ, কমলো শনাক্ত বন্যার্তদের দুঃসময়ে সরকার পাশে রয়েছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রাক্তন স্বামীর হামলায় আহত চিকিৎসক স্ত্রী ডাইনিং বন্ধ, হোটেলে উচ্চমূল্য: বিপাকে কুবি শিক্ষার্থীরা দূষণে বছরে ৯০ লাখ মানুষের প্রাণহানি: গবেষণা ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে ৩৭৫২ বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যু ‘শুধু চোর নয়, চোরাই মোবাইল বিক্রেতারাও গ্রেফতার হবে’ কক্সবাজারে অপরিকল্পিত স্থাপনা নির্মাণ নয়: প্রধানমন্ত্রী চরাঞ্চলের জনগণের ক্ষুধা-দারিদ্র্য হ্রাসে প্রকল্প নেয়া হয়েছে
  • বৃহস্পতিবার   ১৯ মে ২০২২ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ৫ ১৪২৯

  • || ১৬ শাওয়াল ১৪৪৩

বৈরি আবহাওয়ায় হাইমচরে ধান চাষিদের লোকসানের শঙ্কা

নোয়াখালী সমাচার

প্রকাশিত: ১৪ মে ২০২২  

চাঁদপুরের হাইমচরে চলতি বছর বৈরি আবহাওয়ায় কারণে ধান চাষিরা লোকসানের আশঙ্কা করছেন। সরেজমিনে বিভিন্ন মাঠ ঘুরে দেখা যায়, ইতোমধ্যে ক্ষেতের অনেকটা জায়গা জুড়ে পাকা ধান পচতে শুরু করেছে।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা জানান, শ্রমিকদের অধিক মজুরি দাবী এবং কৃষি বিভাগের পর্যাপ্ত পরামর্শ না পাওয়ায় এমনটা হচ্ছে। ১৪ মে শনিবার হাইমচরের বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া যায়।

রোশন শেখ নামে এক চাষি বলেন, ‘আমার ৩০ শতাংশ জমির চাষ করা ধান ঘরে তুলতে শ্রমিক পাচ্ছি না। পেলেও তারা বেশি মজুরি চাওয়ায় ধান কাটাতে, তুলতে ও শুকাতে বেগ পেতে হচ্ছে। কৃষি বিভাগ থেকে ধানের ব্যাপারে কোনো পরামর্শই পাচ্ছি না।’

আব্বাস গাজী নামে আরেক চাষি বলেন, ‘বৈরি আবহাওয়ার কারণে বোরো আবাদ করে শঙ্কায় আছি। বৃষ্টিতে অনেক ধানে পচন ধরেছে। চালান তুলতে পারবো কি না সন্দেহ আছে।’

বোরো চাষি মিন্টু মোল্লা বলেন, ‘কাদামাটির মধ্যে ধান কাটলে শরীরে ঘা হয়ে যায়। কৃষি বিভাগ থেকেও কোনো পরামর্শ পাই না। কিভাবে সংসার চলবে সেই চিন্তায় আছি।’

ধান কাটায় নিয়োজিত শ্রমিকরা জানান, গাধার খাটুনী খেটে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা মজুরিতে হয় না। একসঙ্গে সবার ধান পেকে যাওয়ায় শ্রমিক সঙ্কট তৈরি হয়েছে।

হাইমচর উপজেলা কৃষি কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, হাইমচরে এবার বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫৭০ হেক্টর। কিন্তু আবাদ হয়েছে ৬৫০ হেক্টর জমিতে।

হাইমচর উপজেলা কৃষি কার্যালয়ের উপ-সহকারী দেলোয়ার হোসেন মিন্টু কৃষকদের অভিযোগ নাকচ করে বলেন, ‘বৈরি আবহাওয়ার কারণে ধান পুরোপুরি পাকা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে নিষেধ করা হয়েছিল চাষিদের।’

কৃষকদের পরামর্শ না দেওয়ার ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘প্রতি বছর এক থেকে দেড় হাজার চাষিদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়। এছাড়া মাঠ দিবসের মাধ্যমে কৃষকদের কৃষি বিষয়ে নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হয়।’