ব্রেকিং:
আজ থেকে বিপিএলে থাকছে ‘বিকল্প ডিআরএস’ কমিউনিটি ক্লিনিকে আরো বিনিয়োগ প্রয়োজন: পরিকল্পনামন্ত্রী এবার আইপিএলের সব খেলা এক শহরে! মৌসুমী ঝড়ে আফ্রিকার তিনদেশে নিহত ৭০ জুমার দিনে যে আমল করলে ৮০ বছরের গুনাহ মাফ হবে কুমিল্লায় জনপ্রিয় হচ্ছে সমলয় পদ্ধতিতে ধান চাষ প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে কাদের মির্জার ৯ প্রার্থীর অভিযোগ বিশ্বে করোনায় মৃত্যু ছাড়াল সাড়ে ৫৬ লাখ, শনাক্ত সাড়ে ৩৬ কোটি লক্ষ্যমাত্রার ৭ ভাগ আমন সংগ্রহ হয়েছে ফেনীতে নৌকা ঠেকাতে আনারসে ভোট চাইলেন এমপি একরামুল মসজিদের ৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্লাস্টিকের লেমিনেশন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা চিলির মাঠে মেসিহীন আর্জেন্টিনার দাপুটে জয় কোম্পানীগঞ্জে এক বস্তা দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার প্রাথমিকে অনলাইনে ক্লাসসহ ৬ নির্দেশনা সরকারি ব্যাংকের সব নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত চাঁবিপ্রবির জমি অধিগ্রহণে অনিয়মের খবর ভিত্তিহীন: শিক্ষামন্ত্রী ১৫ বছরের গোপন সম্পর্ক, কথা না রাখায় দেবরের ঘরে অনশনে ভাবি পার্কে প্রেমিককে জুতাপেটা, আটক করে টাকা নিলেন মেম্বার আখাউড়ায় পাঁচ মাদক সেবনকারীর কারাদণ্ড
  • শুক্রবার   ২৮ জানুয়ারি ২০২২ ||

  • মাঘ ১৫ ১৪২৮

  • || ২৩ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

নানিয়ারচর সেতু: বাণিজ্য-পর্যটনের নতুন দ্বার

নোয়াখালী সমাচার

প্রকাশিত: ১৪ জানুয়ারি ২০২২  

রাঙামাটি জেলার নানিয়ারচর উপজেলায় চেঙ্গী নদীতে নির্মিত হয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের দীর্ঘতম সেতু। ৫০০ মিটার দীর্ঘ এ সেতুর মাধ্যমে রাঙামাটি পার্বত্য জেলার নানিয়ারচর, লংগদু ও বাঘাইছড়ি উপজেলার যোগাযোগ, ব্যবসা বাণিজ্য এবং পর্যটনের নতুন দ্বার উন্মোচিত হয়েছে।

বুধবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সে আনুষ্ঠানিকভাবে এ সেতু উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের পরই এ সেতু যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। নানিয়ারচরের মানুষ এ সেতুকে পার্বত্য চট্টগ্রামের পদ্মা সেতু হিসেবে আখ্যা দিয়েছে।

জানা গেছে, ২০১৫ সালে তৎকালীন যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের চেঙ্গী নদীতে সেতু নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছিলেন। সে ঘোষণা বাস্তবায়নে কার্যক্রম শুরু হয় ২০১৭ সালে। সেতুর মূল অবকাঠামো নির্মাণ শুরু হয় ২০১৮ সালে। ২২৭ কোটি টাকা ব্যয়ে মাত্র তিন বছরেই অ্যাপ্রোচ সড়কসহ সেতুটি পুরোপুরি বাস্তবায়ন হয়েছে।

 

পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের দীর্ঘতম নানিয়ারচর সেতু

পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের দীর্ঘতম নানিয়ারচর সেতু

৫০০ মিটার দৈর্ঘ্যের সেতুটি সফলভাবে নির্মাণ করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের ২০ ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়ন (ইসিবি)। প্রকল্প কর্মকর্তা মেজর মো. মিজানুর রহমান ফকির জানান, এ সেতু পার্বত্য চট্টগ্রামের দীর্ঘতম সেতু। সেতুটির মূল উদ্দেশ্যে- রাঙামাটি জেলা সদরের সঙ্গে নানিয়ারচর, লংগদু, বাঘাইছড়ি উপজেলার সহজ সংযোগ স্থাপন। সেতুটির কারণে এ অঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্য, পর্যটন এবং যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন দ্বার খুলে গেল।

নানিয়ারচর উপজেলা চেয়ারম্যান প্রগতি চাকমা বলেন, এ সেতু এক সময় আমাদের স্বপ্ন ছিল। সেতুটির কারণে তিন উপজেলার নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। একটি সেতুর অভাবে মূল জেলা সদরের সঙ্গে বিচ্ছিন্ন ছিলো লংগদু ও বাঘাইছড়ি। এখন নানিয়ারচর, লংগদু ও বাঘাইছড়ি উপজেলার পারস্পরিক সংযোগ স্থাপিত হয়েছে। সরাসরি উপকৃত হয়েছে ১০ লাখের বেশি মানুষ।