ব্রেকিং:
হলি আর্টিজানে নিহতদের প্রতি রাষ্ট্রদূতদের ফুলেল শ্রদ্ধা হলি আর্টিজান হামলা, পরের ৬ বছরে গ্রেফতার ২৪১০ জঙ্গি হলি আর্টিজান হামলা: রক্তের দাগ, বুলেটের ক্ষত রয়েছে স্মৃতিপটে হলি আর্টিজান মামলার অগ্রগতি কতদূর হলি আর্টিজান হামলা ও এদেশের জঙ্গিবাদ হলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলার বিভীষিকাময় দিন হলি আর্টিজান মামলা: হাই কোর্টে এখনও শুনানির অপেক্ষা রাস্তার পাশে পড়েছিল কাপড়ে মোড়ানো নবজাতকের মরদেহ বাল্যবিয়ে বন্ধ, খাবার গেলো এতিমখানায় যমজ সন্তান জন্ম দিয়ে বিপাকে রুমা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পরিবর্তে ‘বি-বাড়িয়া’ না লিখার নির্দেশ যেসব পশু কোরবানি করা যাবে ও যাবে না নোয়াখালীতে গৃহপরিচারিকার লাশ উদ্ধার ঈদযাত্রার অগ্রিম ট্রেনের টিকিট পেতে কাউন্টারে ভিড় ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে টোল আদায় শুরু বিশ্বে একদিনে করোনায় ১৩৮০ জনের মৃত্যু ঈদযাত্রার অগ্রিম ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু বুয়েটের মেধা তালিকায় এবার আবরার ফাহাদের ছোট ভাই ফাইয়াজ কোরবানির হাটে মানতে হবে যেসব নির্দেশনা ঢাকাসহ যে ৫ জেলার বাইরে যেতে পারবে না রাইডশেয়ারিং মোটরসাইকেল
  • শুক্রবার   ০১ জুলাই ২০২২ ||

  • আষাঢ় ১৭ ১৪২৯

  • || ৩০ জ্বিলকদ ১৪৪৩

ডাকঘর ডিজিটাল করা অপরিহার্য: টেলিযোগাযোগমন্ত্রী

নোয়াখালী সমাচার

প্রকাশিত: ২১ জুন ২০২২  

ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, ডিজিটাল বাণিজ্যের সহায়ক প্রতিষ্ঠান হিসেবে সব ডাকঘর ডিজিটাল করা অপরিহার্য।

ডিজিটাল যুগের উপযোগী ডাক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় ডাকঘর ডিজিটাইজেশনের পথনকশা তৈরি অচিরেই সম্পন্ন হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ডাক ব্যবস্থাকে ডিজিটালাইজ করার পাশাপাশি এ খাতে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকেও ডিজিটাল দক্ষতা প্রদানের মাধ্যমে ডাকঘর ডিজিটাল করার কাজ আমরা শুরু করেছি।

সোমবার ঢাকা জিপিও মিলনায়তনে ডাক অধিদফতর আয়োজিত অধিদফতরের বিদায়ী মহাপরিচালক মো. সিরাজ উদ্দিনের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ আহ্বান জানান ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব মো. খলিলুর রহমান।

ডাক অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক হারুন উর রশীদের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত মহাপরিচালক রিয়াজুল ইসলাম, সাবেক পোস্ট মাস্টার জেনারেল বাহিজা আক্তার, খুলনা রেঞ্জের পিএমজি মো. শামসুল আলম এবং ডাক অধিদফতরের পরিচালক এসএম হারুনুর রশিদ বক্তৃতা করেন।

মন্ত্রী বলেন, আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ ছিল চিঠিপত্রের যুগ শেষ হওয়ায় দুর্দশাগ্রস্ত ডাক সার্ভিসকে একটা ভালো অবস্থানে নিয়ে যাওয়া। আমরা এরই মধ্যে সেটা পেরেছি। ই-কমার্সের জন্য ডাকঘর এখন একটা নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।

করোনাকালে কৃষকের ফল ও সবজি পরিবহন থেকে শুরু করে চিকিৎসা সরঞ্জাম পৌঁছে দিতে ডাক সেবার অবদান তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, জরুরি সেবার আওতায় ডাকঘর একদিনের জন্যও বন্ধ রাখা হয়নি।

এ সময় ডাক ব্যবস্থার উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ডাকঘরকে ডিজিটাল যুগের উপযোগী করে গড়ে তুলতে প্রণীত ডিজিটাল সার্ভিস ডিজাইন ল্যাবের (ডিএসডিএল) প্রস্তাব ডিজিটাল ডাকঘর প্রতিষ্ঠায় একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক। ডাক বিভাগের কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের নিয়ে তৈরি করা এ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে ডাকসেবা কাঙ্ক্ষিত মানে উন্নীত হবে বলেও মন্ত্রী দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।