ব্রেকিং:
ভ্রমণ পিপাসুদের জন্য নিকলীর বিকল্প বিজয়নগর বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গোৎসব সম্পন্ন প্রশংসায় ভাসছেন নোয়াখালী এসপি দল থেকে বিদায় নেওয়ার জন্য আমি প্রস্তুত : শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন বিকেলে কুমিল্লায় চেয়ারম্যানের গাড়িতে গুলি আফ্রিকায় শান্তিরক্ষা মিশনে প্রাণ গেল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জসিমের নভেম্বরের শেষের দিকে জাপান সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী টিকার বুস্টার ডোজ পেলেন সাড়ে ৫ কোটির বেশি মানুষ সন্ধ্যার মধ্যে ন্যাশনাল গ্রিড চালু করার চেষ্টা করছি সরকারি সফরে সুইজারল্যান্ড যাচ্ছেন সেনাবাহিনী প্রধান ঢাকায় আসছেন ব্রুনাইয়ের সুলতান মোবাইলের লক খুলতে গিয়েই ধরা পড়ল ডাকাত প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরেছেন সুবর্ণচরে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে বসতভিটা দখলের অভিযোগ দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ৩ মাস বাড়বে না ভোজ্যতেলের দাম টেকনাফ-সেন্টমার্টিন রুটে জাহাজ চলাচল বন্ধ টার্মিনাল ছাড়া মহাসড়কে টোল আদায় করা যাবে না যৌনপল্লী চালান বিজেপি নেতা!
  • শনিবার   ০৮ অক্টোবর ২০২২ ||

  • আশ্বিন ২৩ ১৪২৯

  • || ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

মনোযোগ দিয়ে জুমার খুতবা শুনলে যে সওয়াব পাবেন

নোয়াখালী সমাচার

প্রকাশিত: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২  

ছবি সংগৃহীত

ছবি সংগৃহীত

মুসলমানদের কাছে জুমার দিনে ফজিলত অপরিসীম। আল্লাহ তাআলার কাছে জুমার গুরুত্ব এত বেশি যে, পবিত্র কোরআনে ‘জুমা’ নামে একটি সুরা নাজিল করা হয়েছে। জুমার দিনের সওয়াব-মর্যাদা ঈদুল ফিতর ও আজহার মতো।

এই দিনের ফজিলত সম্পর্কে বহু হাদিস বর্ণিত হয়েছে। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুল (সা.) বলেন, ‘সূর্য উদিত হওয়ার দিনগুলোর মধ্যে জুমার দিন সর্বোত্তম। এই দিনে আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করা হয়াছে। এই দিনে তাকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়েছে এবং এই দিনে তাঁকে জান্নাত থেকে বের করা হয়েছে।’ (মুসলিম, হাদিস : ৮৫৪)

পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘হে মুমিনরা! জুমার দিন যখন নামাজের আজান দেওয়া হয়, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণের দিকে এসো এবং বেচাকেনা বন্ধ করো, এটা তোমাদের জন্য উত্তম, যদি তোমরা বুঝ। এরপর নামাজ শেষ হলে জমিনে ছড়িয়ে পড়ো, আল্লাহর অনুগ্রহ (জীবিকা) তালাশ করো এবং আল্লাহকে অধিক স্মরণ করো যাতে তোমরা সফলকাম হও।’ (সুরা জুমা : ৯-১০)

জুমার দিন তাড়াতাড়ি এবং সবার আগে মসজিদে যাওয়ার অনেক ফজিলত রয়েছে। হাদিসে এসেছে, জুমার দিন জুমার নামাজের জন্য যে যত তাড়াতাড়ি মসজিদে আসবে সে তত বেশি সওয়াব পাবে।

হজরত আউস ইবনে আউস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসুল (সা.)-কে বলতে শুনেছি, ‘যে ব্যক্তি জুমার দিন গোসল করাবে (জুমার নামাজের পূর্বে স্ত্রী-সহবাস করে তাকেও গোসল করাবে) এবং নিজেও গোসল করবে অথবা উত্তমরূপে গোসল করবে। এরপর ওয়াক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মসজিদে আসবে, আসার সময় হেঁটে আসবে, কোনো বাহনে চড়বে না, ইমামের কাছাকাছি বসবে, এরপর দুটি খুতবা মনোযোগ দিয়ে শুনবে এবং (খুতবার সময়) কোনো অনর্থক কাজকর্ম করবে না, সে মসজিদে আসার প্রতিটি পদক্ষেপে একবছর নফল রোজা ও একবছর নফল নামাজের সওয়াব পাবে।’ (আবু দাউদ, হাদিস : ৩৪৫)

জুমার দিনের ফজিলত সম্পর্কে আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত এক হাদিসে রাসুল (সা.) ইরশাদ করেন, ‘তোমরা জুমার রাত ও জুমার দিনে আমার ওপর বেশি বেশি দরুদ পাঠ কর। যে ব্যক্তি আমার ওপর একবার দরুদ পাঠ করে আল্লাহ তায়ালা তার ওপর দশবার রহমত নাজিল করেন। (আসসুনানুল কুবরা, বায়হাকি : ৩/২৪৯; ফাযাইলুল আওকাত, বায়হাকি : ২৭৭; আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লাইলাহ, ইবনুস সুন্নি : ৩৭৯, এর সনদ হাসান পর্যায়ের)

‘অন্য আরেক হাদিসে আছে, ‘প্রত্যেক জুমার দিনে তোমরা আমার ওপর অধিক পরিমাণে দরুদ পাঠ কর। কারণ আমার উম্মতের দরুদ প্রতি জুমার দিন আমার কাছে পেশ করা হয়। আর তাদের মধ্য থেকে যে ব্যক্তি আমার ওপর সবচে বেশি দরুদ পাঠ করে সে অন্যদের তুলায় আমার বেশি নিকটবর্তী। (সুনানে বায়হাকি : ৩/২৪৯ সনদটি হাসান)।