বৃহস্পতিবার   ১৪ নভেম্বর ২০১৯   কার্তিক ২৯ ১৪২৬   ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

নোয়াখালীর কৃতি সন্তান মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মাজেদের দাফন সম্পন্ন

নোয়াখালী সমাচার

প্রকাশিত : ১২:০০ পিএম, ১০ জুন ২০১৯ সোমবার

বীর মুক্তিযোদ্ধা, নোয়াখালীর কৃতি সন্তান, বিজিবির অসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এডি আব্দুল মাজেদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
রোববার সকাল ১১টায় নিজ গ্রামের বাড়ি নোয়াখালীর রামগতির বালুরচরে দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। জানাজায় অংশ নেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিরা।

এর আগে সকালে সীমান্ত রক্ষীবাহিনী বিজিবির পক্ষে থেকে মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মাজেদের মরদেহে সম্মাননা জানানো হয়। জাতীয় পতাকায় আবৃত্ত মরহুমের মরদেহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা জানায় জেলা পুলিশ। এ সময় বিউগলে বাজে করুন সূর।

শনিবার রাজধানীর ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালের আইসিউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিজিবির এই কর্মকর্তার মৃত্যু হয়। তিনি দীর্ঘ সাত বছর শারীরিক নানান জটিল রোগে ভুগছিলেন। হার্ট স্বচল রাখতে তার দেহে পেজ ম্যাকার বসানো ছিল। গেলো দু’বছর ধরে মুক্তিযোদ্ধা মাজেদ শয্যাশায়ী ছিলেন। মৃত্যুর সময় তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। 

মৃত্যুর সময় তিনি দু’ছেলে, দু’মেয়ে, স্ত্রী ও নাতি-নাতনি এবং অজস্র গুণগাহী রেখে গেছেন।মুক্তিযুদ্ধে মেজর কাজী নুরুজ্জামানের নেতৃত্বে ৭ নম্বর সেক্টরের সদস্য হিসেবে স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশ নেন আব্দুল মাজেদ।

৪০ বছরের কর্মজীবনে তিনি বিজিবির দ্বিশত বর্ষপূর্তি পদকসহ প্রায় ৯টি পদক অর্জন করেন। বিজিবির সদর দফতরের সিগন্যাল উইং, ঢাকা সদর বিজিবি, চট্টগ্রাম সদর সেক্টর, সিলেট, রাঙ্গামাটি, খুলনা, রামগড় ও সবশেষ অবসরে যাওয়ার আগে কুমিল্লায় ১৭ বিজিবিতে কর্মরত ছিলেন এডি আব্দুল মাজেদ।