রোববার   ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আশ্বিন ৭ ১৪২৬   ২২ মুহররম ১৪৪১

যদিও চ্যালেঞ্জিং,তবু পারবে বাংলাদেশ

নোয়াখালী সমাচার

প্রকাশিত : ০৯:৫৯ এএম, ২৩ মে ২০১৯ বৃহস্পতিবার

নাজমুল ইসলাম অপু, জাতীয় দলের অন্যতম অফ স্পিনার। আসছে আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ নিয়ে টাইগারদের সফলতা, সম্ভাবনা নিয়ে জানিয়েছেন তার নিজস্ব অভিমত। 
তার সেই অভিমতের পুরোটাই তুলে ধরা হলো ডেইলি বাংলাদেশের পাঠকদের জন্য।

অপুর বিশ্বকাপ ভাবনা 
অনেক দেশ ঘুড়ে বিশ্বকাপ আবার চলে আসলো রাজাদের দেশে। রাষ্ট্র পরিচালনায় ইংল্যান্ডে যেমন চলে রাজতন্ত্র, তেমনি ভাবে ক্রিকেটের রাজাও কিন্তু তারাই।

ক্রিকেটের জন্মদাতা হলেও আজ পর্যন্ত ওয়ানডে আসরে স্বপ্নের সেই ট্রফি কিন্তু একবারের জন্যও নিজেদের করে নিতে পারেনি ইংলিশরা।

স্বাগতিক হিসেবে এবার কি ঘুচবে তাদের ট্রফি খড়া? তাদের সাম্প্রতিক সাফল্য কি তারই ইঙ্গিত দিচ্ছে ক্রিকেট বিশ্বকে?তবে যে যাই বলুক, এই আসরে কিন্তু অন্যতম ফেবারিটের তকমা এবার বাংলাদেশের দিকে। 

কি, বিশ্বাস হচ্ছেনা?
তাহলে শুনুন, মাশরাফির নেতৃত্বে পাঁচ সিনিয়র সহ অধিকাংশ প্লেয়ারের পূর্বে বিশ্বকাপ খেলার অভিজ্ঞতা আছে। তাছাড়া ফর্মও কিন্তু মেটার করবে এখানে। বর্তমান ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্সের পরিসংখ্যান তো তাই বলে।

যদিও শেষ চারে আসার লড়াইটা যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং, তবু হাল ছাড়বেনা বাংলাদেশ। দলে থাকা সবারই দায়িত্ব থাকবে রেসপনসিবল রোল প্লে করার।

নিজেকে বদলে ফেলা তামিম কিন্তু প্রায় ম্যাচেই বিগ স্কোর করছেন। দারুণ টাচে্ আছেন সৌম্য, লিটন। মিস্টার ডিপেন্ডেবল মুশফিক তো রান মেশিন হিসেবে আছেনই। আর সাইলেন্ট কিলার রিয়াদই বা কম যান কিসে?

মিথুন এর সুযোগ পাওয়াটাও যথার্থই যৌক্তিক। তার ব্যাট প্রায়ই কথা বলে তার পক্ষে। এ দিক থেকে দেখা যায়, লম্বা ব্যাটিং লাইনআপ রয়েছে বাংলাদেশের। এর মধ্যে সবাই রয়েছেন ফর্মে। অপরদিকে বোলিংয়েও অভিজ্ঞ মাশরাফির সঙ্গে সঙ্গ দিবেন মোস্তাফিজ, সাইফুদ্দিন, রুবেল, সাকিব, মিরাজরা।

খেলায় প্রেশার রিলিজ করতে পারাটা একটা বিগ ইস্যু হতে পারে দলের জন্য। তবে যদি সেটা উতরে যেতে পারে দল, তাহলে এই চ্যালেঞ্জটাই সফলতায় পরিণত হতে পারে বাস্তবে।

শেষ চারে খেলতে হলে জিততে হবে কমপক্ষে পাঁচ থেকে ছয়টা ম্যাচ। আর সেই সামর্থ্য বাংলাদেশের আছে বলেই আমি মনে করি।সর্বোপরি এবার একটা চমকের ইঙ্গিত আমি পাচ্ছি। শুধু সময়ের জন্য অপেক্ষা, শুভকামনা টিম বাংলাদেশকে।