ব্রেকিং:
কোটাবিরোধীতায় অশুভ শক্তি নেমেছে : ওবায়দুল কাদের প্রান্তিক মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে সব করব : সামন্ত লাল চোরাই মোবাইলের স্বর্গরাজ্য চট্টগ্রামের রিয়াজউদ্দিন বাজার বৃষ্টির পানিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ২ ফার্নিচার কর্মচারীর মৃত্যু ২২ কেজির কোরাল বিক্রি হলো ২৬ হাজার টাকায় আন্দোলনরত শিক্ষকদের সঙ্গে বৈঠকে ওবায়দুল কাদের প্রতিবন্ধী তরুণকে কুকুর লেলিয়ে হত্যা করল ইসরায়েলি সেনারা ফেনী বন্যাদুর্গত ৭০০ পরিবার পেলো ত্রাণ সামগ্রী এক সপ্তাহে ৭৪১১ কোটি টাকা বাজার মূলধন হারালো ডিএসই রাজধানীতে পিতার ১ কোটি ৬৬ লাখ টাকা চুরি করলেন মেয়ে নৈশ প্রহরীকে বেঁধে বাজারে দুর্ধর্ষ ডাকাতি পচা কাঠের পোকা, দাম ৭৫ লাখ! জানেন কেন? দেশে ফিরেছেন ৬৭৯৭৪ হাজি সারাদেশে ইন্টারনেটে ধীরগতি আন্দোলনকারীরা বক্তব্য দিতে চাইলে আপিল বিভাগ বিবেচনায় নেবেন সচেতনতার অভাবে অনেক মানুষ বিভিন্ন দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে : ডিএমপি গমের উৎপাদন বাড়াতে সিমিট ও মেক্সিকোর সহযোগিতা জনদুর্ভোগ সৃষ্টি থেকে বিরত থাকুন : আরাফাত বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে সমাজসেবা অধিদপ্তরের পরিচালকের শ্রদ্ধা
  • রোববার ১৪ জুলাই ২০২৪ ||

  • আষাঢ় ৩০ ১৪৩১

  • || ০৬ মুহররম ১৪৪৬

সাজেদা চৌধুরী দুর্দিনে আ.লীগের হাল ধরে রেখেছিলেন

নোয়াখালী সমাচার

প্রকাশিত: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৩  

বেগম সাজেদা চৌধুরী দুর্দিনে আওয়ামী লীগের হাল ধরে রেখেছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফর উল্লাহ।

সোমবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর ১ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে তার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানানোর পর তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

 কাজী জাফর উল্লাহ বলেন, বেগম সাজেদা চৌধুরী দুর্দিনে আওয়ামী লীগের হাল ধরে রেখেছিলেন। দলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। দল যখন অনেক প্রশ্নের মুখে ছিল, সেই সময় দল ও জাতির জন্য একটা বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখেছিলেন।

dhakapost

 

আব্দুর রহমান বলেন, ’৭৫ এর ১৫ই আগস্টের প্রতিরোধে যে আন্দোলন-সংগ্রাম আমরা শুরু করি মূলত সাজেদা চৌধুরী সেই সময় অনুপ্রেরণা, সার্বক্ষণিক খোঁজ-খবর রেখেছেন। বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের জন্য তিনি এক বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর ছিলেন।

তিনি বলেন, ১/১১ সময় যখন আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে একটা বড় দুঃসময় আসে, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা যখন কারাগারে ছিলেন সেই সময়ও ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউটে এক সভায় কঠোর মনোভাব নিয়ে তিনি বলেছিলেন, আজ শেখ হাসিনাকে বাদ দিয়ে যদি কোনো নির্বাচন করার পাঁয়তারা হয়, ষড়যন্ত্র হয়, বাংলার মানুষ কখনো মেনে নেবে না। তারই এই কথার মধ্য দিয়ে সেদিনও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা পুনরায় উজ্জীবিত হয়েছিল। শেখ হাসিনা মুক্তির সংগ্রামকে আরও সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর কন্যাকে মুক্ত করেন। আমাদের সংগ্রামী জীবনকালে তাকে নিয়ে আলোচনার শেষ নেই।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর এই সদস্য বলেন, তিনি যে আদর্শ, উদ্দেশ্য নিয়ে দলের জন্য সারাজীবন সংগ্রাম করেছেন, আমরা যেন সেই আদর্শ-উদ্দেশ্যকে বুকে ধারণ করে সামনে এগিয়ে যেতে পারি, সেটাই হবে আজকের দিনের প্রত্যয়।