ব্রেকিং:
টেলিটকে ফাইভ-জির গতি উঠলো সেকেন্ডে ১৫১২ এমবিপিএস ভোটকেন্দ্রে টাকা দিতে মেয়রের জোরাজুরি, নিল না পুলিশ আগামী দুই অধিবেশনের মধ্যে ইসি গঠনের আইন আসছে: আইনমন্ত্রী স্থায়ী কমিটির ভূমিকায় সন্দিহান বিএনপির কর্মীরা দীঘিনালায় ম্যাজিস্ট্রেটের গাড়িতে হামলা, ১৬ জন আহত আজও রাস্তায় শিক্ষার্থীরা, চেক করছে ড্রাইভিং লাইসেন্স ওমিক্রন নিয়ে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন: ডব্লিউএইচওর প্রধান বিজ্ঞানী কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে সরকার সচেষ্ট: আইসিটি প্রতিমন্ত্রী খালেদার চিকিৎসা নিয়ে নেতা-চিকিৎসকদের সমন্বয়হীনতায় ক্ষুব্ধ তারেক বৈদেশিক বিনিয়োগে বাংলাদেশের গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে: প্রধানমন্ত্রী জাল ভোট দিতে এসে ধরা, ছয় মাসের জেল ইয়াবা দেখে ফেলায় সহপাঠীকে নৃশংস হত্যা সমুদ্র দূষণে শাস্তি বাড়িয়ে সংসদে বিল পাস পুরুষশূন্য কেন্দ্রে নারীদের দীর্ঘ সারি বাংলাদেশের নারীরা সারাবিশ্বে নিজেদের যোগ্যতার পরিচয় দিচ্ছে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা ১ জানুয়ারি, মিলবে বিআরটিসি বাস সার্ভিস ৮৩ শতাংশ নারীই মনে করেন ‘বউ পেটানো ঠিক’ ঢাকায় বিনিয়োগ শীর্ষ সম্মেলন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী দেহব্যবসা করে চালিয়েছেন পড়াশোনা, জিতেছেন সুন্দরী প্রতিযোগিতায় যে কারণে পেছাল আবরার হত্যা মামলার রায়
  • সোমবার   ২৯ নভেম্বর ২০২১ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১৫ ১৪২৮

  • || ২২ রবিউস সানি ১৪৪৩

কোথায় খালেদার সেই আপোষহীনতা?

নোয়াখালী সমাচার

প্রকাশিত: ২৫ অক্টোবর ২০২১  

বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে বিএনপির রাজনীতিতে বলা হয়ে থাকে আপোষহীন নেতা। বলা হয় যে, তিনি আপোষ করতে জানেন না। কিন্তু সেই আপোষহীন নেত্রী এখন প্রতি পদে পদে আপোষ করছেন কেন? এই প্রশ্ন বিএনপির মধ্যেই ঘুরপাক খাচ্ছে। 

খালেদা জিয়ার আপোষহীন নেত্রীর তকমাটি প্রথম লাগে ১৯৮৬ সালের ৭ মের নির্বাচনে। ওই নির্বাচনে সব রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো। কিন্তু শেষ মুহূর্তে বিএনপি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ায়। সাত দলীয় জোট নির্বাচনে যায়নি। আওয়ামী লীগের ১৫ দলীয় জোটের একটি অংশও নির্বাচন বয়কট করে। ওই নির্বাচনে খালেদা জিয়ার বিএনপি অংশগ্রহণ না করে এরশাদকে এক ধরনের সার্টিফিকেট দেওয়া হয় এবং এরশাদ ওই নির্বাচনে যেতে তার সব অবৈধ কর্মকাণ্ড বৈধ করে। সে নির্বাচনের পরপরই খালেদাকে জিয়া আপোষহীন নেত্রী বলা শুরু হয় এবং স্বৈরাচার পতনের পর খালেদা জিয়া নির্বাচনে বিজয়ী হন। কিন্তু আদর্শবিহীন রাজনীতি ক্ষণিকের আপোষহীন তৈরি করতে পারে, কিন্তু চিরস্থায়ী আপোষহীন নেতা তৈরি করতে পারে না, খালেদা জিয়া সম্ভবত তার সবচেয়ে বড় উদাহরণ। 

খালেদা জিয়া ওয়ান-ইলেভেন থেকে আপোষের রাজনীতির সূচনা করেন। সেই সময় তিনি সরকারের সঙ্গে আপোষ করে তার ছেলে তারেক রহমানকে মুক্ত করেন এবং তাকে বিদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। তার দ্বিতীয় পুত্র প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোকেও খালেদা জিয়া দেনদরবার, তদবির করে চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠান এবং তারা দুইজনই মুচলেকা দিয়ে বিদেশে চলে যান।

তিনি যে আপোষকামি তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ পাওয়া যায়, যখন ২০২০ সালে সরকারের সঙ্গে সমঝোতা করে এবং নতজানু হয়ে জেল থেকে বের হওয়ার জন্য তিনি তার পরিবারকে দায়িত্ব দেন। যারা সত্যিকারের রাজনৈতিক নেতা তারা এরকম আপোষ করে কখনো অপমানজনকভাবে কারাগার থেকে বের হয়নি। শুধু এখানেই তার আপোষহীনতার শেষ নয়, আমরা দেখি যে তার বিদেশ যাত্রা নিয়েও এক ধরনের আপোষ এবং নতজানু নীতি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, খালেদা জিয়া যদি আরাম-আয়েশেই জীবনের লোভ একটু সংবরণ করতে পারতেন, যদি কারাগারকেই তার রাজনৈতিক পরীক্ষার জায়গা হিসেবে বেছে নিতেন এবং ধৈর্য ধরতেন তাহলে হয়তো বাংলাদেশের রাজনীতিতে তিনি সত্যি সত্যি আপোষহীন হতেন।