ব্রেকিং:
‘স্মার্ট দেশ’ গড়তে নৌকায় ভোট চাইলেন প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীবাসীর জন্য প্রধানমন্ত্রীর ‘উপহার’ ২৬ প্রকল্প রাজশাহীতে ১০ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছি আওয়ামী লীগ কখনো পালায় না - রাজশাহীর জনসভায় প্রধানমন্ত্রী রাজশাহী এখন দেশের সবচেয়ে সুন্দর শহর: তথ্যমন্ত্রী বিএনপি আমাদের লাল কার্ড দেখায়, তারা এখন কই: ওবায়দুল কাদের ২৬ উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ১৪ বছরে বদলে গেছে রাজশাহী উৎপাদনে ফিরছে ॥ রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রতিদিন গড়ে ৬ কোটি ৩৭ লাখ ডলার রেমিট্যান্স আসছে দেশের শান্তি রক্ষায় নিরলসভাবে কাজ করছে পুলিশ: প্রধানমন্ত্রী দেবীদ্বারে আ’লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি, জানেন না উপজেলা সম্পাদক কুমিল্লায় ৬ মাসের সাজা নিয়ে পলাতক দশ বছর,অবশেষে আটক পূর্ব শাহতলীতে ওয়াজ ও দোয়ার মাহফিল সম্পন্ন চাঁদপুর সদর ও পৌর আওয়ামী লীগের মতবিনিময় চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে আলোচনা চাঁদপুরে খেলাফত যুব মজলিশের বিক্ষোভ মিছিল চাঁদপুরে সুবিধাবঞ্চিত শিশু শিক্ষার্থীরা পেল হ্যান্ডওয়াশ টেন্ডারকৃত রাস্তায় কাজ না করিয়ে অন্যস্থানে করায় মানববন্ধন চাঁদপুর ডাকাতিয়া নদীর পাড়ে ব্র্যাক শিক্ষা তরীর উদ্বোধন
  • সোমবার   ৩০ জানুয়ারি ২০২৩ ||

  • মাঘ ১৭ ১৪২৯

  • || ০৭ রজব ১৪৪৪

লটারিতে শত কোটি টাকা জয়ী রয়ফুল দেশে ফিরবেন ১০ জানুয়ারি!

নোয়াখালী সমাচার

প্রকাশিত: ৫ জানুয়ারি ২০২৩  

সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) নতুন বছরের প্রথম 'বিগ টিকেট' র‌্যাফেল ড্রতে প্রায় ১শ ৫ কোটি টাকা বিজয়ী হয়েও পুরো টাকা একা পাচ্ছেন না নোয়াখালীর ছেলে মুহাম্মদ রয়ফুল ইসলাম। এ টাকা হাতে আসার পর রয়ফুলসহ আরও ১৭ জনে ভাগ করে নিতে হবে।

এদিকে, শতকোটি টাকা লটারি জয়ে তার নিজ উপজেলা হাতিয়াসহ সারাদেশে প্রশংসায় ভাসছেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি ইতোমধ্যে ভাইরাল হয়।

জানা যায়, মুহাম্মদ রয়ফুল ইসলাম নোয়াখালীর বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার চরকিং ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ চরঈশ্বর রায় গ্রামের হাজী আসলাম মিয়ার বাড়ির মৃত খুরশেদ আলমের ছেলে। গত ২ বছর আগে একই উপজেলার ইসরাত জাহান রিসার সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি। তাদের এক বছর বয়সী একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।

জীবিকার তাগিদে ২০১১ সালে দুবাই পাড়ি দেন রয়ফুল। সেখানে একটি কোম্পানিতে গাড়ির ড্রাইভারের চাকরি করেন তিনি।

৪ ভাইয়ের মধ্যে রয়ফুল তৃতীয়। তার বড় ভাই মো. বাবুল উদ্দীন একটি আবাসিক হোটেলের ম্যানেজারের চাকরি করেন। মেঝ ভাই মো. সাইফুল ইসলাম স্থানীয় একটি মসজিদে মুয়াজ্জেমের দায়িত্ব পালন করেন। ছোট ভাই মো. রুবেল উদ্দিনও দুবাই থাকেন।

এদিকে, রয়ফুলের লটারি জয়ের খবরে তার বাড়িতে বইছে খুশির হাওয়া। তার স্ত্রী ইসরাত জাহান রিসা ঢাকা মেইলকে বলেন, আল্লাহর রহমতে আমার স্বামী লটারিতে জয়ী হয়েছে। এতে আমরা অনেক খুশি। চলতি মাসের ১০ তারিখে তাঁর দেশে আসার কথা। বিমানের টিকিটও কিনে রেখেছেন। এখন তিনি যেন নিরাপদে বাড়িতে ফিরে আসেন সে দোয়া করি।

তিনি আরও বলেন, আমার স্বামী আগে থেকেই স্বাবলম্বী। তার নিজ বাড়িতে জায়গা থাকলেও এতদিন ঘর করেন নি। এবার দেশে আসলে ঘরের কাজ ধরবেন ভেবেছেন। বিয়ের পর দেশে যতদিন ছিলেন তার অধিকাংশ সময় আমার বাপের বাড়িতেই থেকেছেন।

রাইফুল ইসলামের শ্যালক মেহেদী হাসান হৃদয় ঢাকা মেইলকে বলেন, দুই বছর আগে রয়ফুলের সঙ্গে আমার বোনের বিয়ে হয়। তিনি খুব সাধারণ চলাফেরা করতেন। তার লটারি জয়ের খবরে আমরা অনেক আনন্দিত। 

জানা যায়, গত ৯ বছর ধরেই রয়ফুল লটারির টিকিট কেনেন। সবশেষ ১০ ডিসেম্বর এ টিকিট অনলাইনে কিনেন তিনি। রয়ফুলসহ ১৭ জন মিলে ২০ শেয়ারে ৫শ দিরহাম মূল্যের এ টিকিটি ক্রয় করেন তিনি, যেখানে তার ৩ শেয়ার রয়েছে। ফলে লটারিতে জেতা ১শ ৫ কোটি টাকা এখন এই ১৭ জনের মধ্যে ২০ ভাগ হবে। 

তবে, রাইফুলের সাথে লটারি জয়ী আরও ২ জনের বাড়ি নোয়াখালী শোনা গেলেও তাদের ঠিকানা নিশ্চিত করতে পারেনি কেউ।

উল্লেখ্য, প্রায় ৩ দশক আগে ১৯৯২ সালে আবুধাবি এয়ারপোর্ট ও শহরের প্রমোশনের জন্য 'বিগ টিকেট' লটারি চালু করা হয়। প্রতি মাসে এই লটারির ড্র হয়।

প্রথমস্থানের জন্য পুরস্কারের অর্থের পরিমাণ প্রতি মাসে পরিবর্তন হয়। ইংরেজি নববর্ষ উপলক্ষে জানুয়ারির প্রথম পুরষ্কার ছিল ৩৫ লাখ দিরহাম।