ব্রেকিং:
অসাধু আইপিটিভি: সাংবাদিকতার নামে চাঁদাবাজি! রাস্তা থেকে মাদ্রাসার ছাত্রী অপহরণ, ৯দিন পর উদ্ধার! আড়াই হাজার ইয়াবাসহ পুলিশ সদস্য আটক একবার সুযোগ দিন ১০ বছরের উন্নয়ন ৫ বছরে করবোঃ চেয়ারম্যান প্রার্থী কক্সবাজারের রিসোর্টে চান্দিনার এক নারীর মরদেহ ‘লিঙ্গ ভিত্তিক নির্যাতন প্রতিরোধ’ নিয়ে কর্মশালা কুমিল্লায় একই লাইনে দুই ট্রেন নিয়োগ প্রক্রিয়া কালিমাযুক্ত করতে দেয়া হবে না শেকলবন্দী কলেজছাত্র আগুনে দাহ কু.বি বাস স্টাফের সাথে এ্যাম্বুলেন্স চালকদের সংঘর্ষ নতুন করে ৮৯ লাখ ডোজ টিকার বরাদ্দ পেল বাংলাদেশ নারী নেতৃত্বের নেটওয়ার্ক গঠনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর শাহজালালে করোনার পরীক্ষামূলক পরীক্ষা শুরু ভারতে ছুটছে মিয়ানমারের হাজার হাজার মানুষ মানবকল্যাণের প্রকল্পে সরকার নিজস্ব অর্থায়ন করবে: এলজিআরডিমন্ত্রী মৎস্যজীবীদের স্বার্থেই ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা: প্রাণিসম্পদমন্ত্রী চিতা বিড়ালের ‘বিরল প্রসব’ ফেনীতে লাইসেন্স ছাড়াই চলছে ১৯ হাজার মোটরসাইকেল অপপ্রচার-অপরাজনীতি সত্ত্বেও ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সফল হয়েছি অপহৃত দশম শ্রেণির ছাত্রী ৯ দিন পর উদ্ধার, গ্রেফতার ১
  • বৃহস্পতিবার   ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ ||

  • আশ্বিন ৮ ১৪২৮

  • || ১৪ সফর ১৪৪৩

বেগমগঞ্জে গ্রেফতার পাঁচ সন্ত্রাসীই হত্যা মামলার আসামি

নোয়াখালী সমাচার

প্রকাশিত: ২৫ আগস্ট ২০২১  

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে মো. রাশেদ নামে এক যুবক হত্যাকাণ্ডে জড়িত পাঁচজনকে অস্ত্রসহ গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ১টি বিদেশি পিস্তল, ২ রাউন্ড গুলি, ২টি দেশীয় এলজি, ২টি দেশীয় পাইপগান, ৪ রাউন্ড কার্তুজ ও ১টি দেশীয় ওয়ান শুটারগান উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান নোয়াখালীর পুলিশ সুপার মো. শহীদুল ইসলাম।

গ্রেফতারকৃতরা হলো- বেগমগঞ্জ উপজেলার বাহাদুরপুরের রফিক উল্যাহর ছেলে মো. রাশেদ, আবু সায়েদের ছেলে আব্দুস সালাম, সুলতানপুরের মোহাম্মদ আলীর ছেলে শাকিল, একই এলাকার শাকিল ও সুজন। মঙ্গলবার রাতে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ সুপার মো. শহীদুল ইসলাম জানান, বিশেষ অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এরপর তাদের বসতঘর থেকেই অস্ত্রগুলো উদ্ধার করা হয়ে। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

প্রসঙ্গত, ৮ আগস্ট সকালে বেগমগঞ্জ উপজেলায় বাড়ির পাশের জঙ্গল থেকে মো. রাশেদ নামে ওই যুবকের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই ঘটনায় নিহতের বাবা তাজুল ইসলাম ১১ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা করেন। এরপর এজাহারভুক্ত তিন আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনার ১৭ দিন পর আরো পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হলো।