ব্রেকিং:
আন্দোলনকারীরা বক্তব্য দিতে চাইলে আপিল বিভাগ বিবেচনায় নেবেন সচেতনতার অভাবে অনেক মানুষ বিভিন্ন দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে : ডিএমপি গমের উৎপাদন বাড়াতে সিমিট ও মেক্সিকোর সহযোগিতা জনদুর্ভোগ সৃষ্টি থেকে বিরত থাকুন : আরাফাত বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে সমাজসেবা অধিদপ্তরের পরিচালকের শ্রদ্ধা মোদির সাথে বিমসটেক পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সাক্ষাত গাজায় শান্তি রক্ষা করবে আরব যৌথ বাহিনী: বাইডেন কোটা আন্দোলন প্রশ্নে আইনমন্ত্রী কি বললেন? ‘পুলিশের গুলিতে কোনো শিক্ষার্থী মারা যায় নি" ভারত থেকে আমদানি হলো ১১টি বুলেটপ্রুফ সামরিক যান সৌদি আরবে হামলার হুমকি, স্পর্শকাতর স্থানের ভিডিও প্রকাশ পরকীয়া করতে গিয়ে ধরা, সেই স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা বহিষ্কার বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে ২১ চুক্তি ও সাত ঘোষণাপত্র সই লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে প্রযুক্তি বিষয়ক কুইজ প্রতিযোগিতা ঝিনুকে তৈরি মুক্তার গহনা প্রধানমন্ত্রীর হাতে লক্ষ্মীপুরে হাত-পা বেঁধে প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যার পর ডাকাতি নোয়াখালীতে প্রকৌশলীসহ সেই চার শিক্ষক কারাগারে নোয়াখালীতে পরীক্ষা হলে হট্টগোল-খোশগল্প চট্টগ্রামে এডিসি কামরুল ও তার স্ত্রীর সম্পদ ক্রোকের আদেশ
  • শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ ||

  • আষাঢ় ২৯ ১৪৩১

  • || ০৫ মুহররম ১৪৪৬

ডিসেম্বরে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব: মার্শা বার্নিকাট

নোয়াখালী সমাচার

প্রকাশিত: ১১ ডিসেম্বর ২০১৮  

ঢাকায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় ওয়াশিংটনের দুই প্রশাসনের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেওয়ার পর দুই দেশের সম্পর্কে কী পরিবর্তন এসেছে কিংবা অন্যভাবে বললে হোয়াইট হাউসে ক্ষমতার পালাবদল দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে কতটা প্রভাব ফেলেছে?

মার্শা বার্নিকাট: শুরুতেই  আমন্ত্রণের জন্য আপনাদের ধন্যবাদ জানাই। এখানে আসাটা আমার কাছে সব সময়ই আনন্দের। বিশ্বাসযোগ্যতার সঙ্গে আপনারা যে কাজটি করেন, আমি এটির বড় ভক্ত। আসলে ওয়াশিংটনে ক্ষমতার পালাবদলে তুলনামূলকভাবে তেমন কোনো পরিবর্তন আসে না। আমাদের যে মূল্যবোধ, সেটা তো আমাদেরই। কাজেই মানবাধিকারের আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের অনুসরণ, বিভিন্ন সরকারের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও বাড়ানো—এ বিষয়গুলোর ক্ষেত্রে প্রশাসনের পরিবর্তন কোনো প্রভাব ফেলে না। আমি অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাতে চাই, নতুন মার্কিন প্রশাসন ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজিতে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছে। আমাদের দৃষ্টিতে নানা দিক থেকে এই কৌশলের মধ্যবর্তী অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। এ দেশ দক্ষিণ এশিয়া ও এশিয়ার অন্য অংশের সেতুবন্ধ রচনা করেছে। আর মুক্তবাণিজ্য, একটি স্বচ্ছ এবং সবার জন্য সমান ক্ষেত্র তৈরির সুযোগের যে মূলনীতি এই কৌশলে রয়েছে, তা বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের পক্ষেই রয়েছে।

ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজি নিয়ে বাংলাদেশের সর্বশেষ অবস্থান কী?

মার্শা বার্নিকাট: ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজি একধরনের পদক্ষেপমুখী উদ্যোগ। এটি হচ্ছে একটি শক্তিশালী ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আমলাতান্ত্রিক, বাণিজ্যিক ও অন্যান্য স্বার্থ সুরক্ষার পদক্ষেপ। ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজির প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও সম্প্রতি তথ্যপ্রযুক্তি ও অবকাঠামো নির্মাণে মার্কিন বিনিয়োগের কথা বলেছেন। এই বিনিয়োগের চূড়ান্ত লক্ষ্যই হচ্ছে ব্যবসা ও বাণিজ্যের বিকাশ। তবে আমাদের বেসরকারি খাত সরকারের অপেক্ষায় বসে নেই। বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য সম্প্রতি বাংলাদেশের সামিট গ্রুপের সঙ্গে আমাদের জেনারেল ইলেকট্রিকের 
একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। এই উদ্যোগে তৃতীয় পক্ষ হিসেবে যুক্ত হবে জাপানের মিতসুবিশি। এটি হচ্ছে ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজির একটি উৎকৃষ্ট দৃষ্টান্ত, যেখানে একটি নয়, যেখানে তিন দেশের তিনটি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে যুক্ত হয়েছে।