ব্রেকিং:
অসাধু আইপিটিভি: সাংবাদিকতার নামে চাঁদাবাজি! রাস্তা থেকে মাদ্রাসার ছাত্রী অপহরণ, ৯দিন পর উদ্ধার! আড়াই হাজার ইয়াবাসহ পুলিশ সদস্য আটক একবার সুযোগ দিন ১০ বছরের উন্নয়ন ৫ বছরে করবোঃ চেয়ারম্যান প্রার্থী কক্সবাজারের রিসোর্টে চান্দিনার এক নারীর মরদেহ ‘লিঙ্গ ভিত্তিক নির্যাতন প্রতিরোধ’ নিয়ে কর্মশালা কুমিল্লায় একই লাইনে দুই ট্রেন নিয়োগ প্রক্রিয়া কালিমাযুক্ত করতে দেয়া হবে না শেকলবন্দী কলেজছাত্র আগুনে দাহ কু.বি বাস স্টাফের সাথে এ্যাম্বুলেন্স চালকদের সংঘর্ষ নতুন করে ৮৯ লাখ ডোজ টিকার বরাদ্দ পেল বাংলাদেশ নারী নেতৃত্বের নেটওয়ার্ক গঠনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর শাহজালালে করোনার পরীক্ষামূলক পরীক্ষা শুরু ভারতে ছুটছে মিয়ানমারের হাজার হাজার মানুষ মানবকল্যাণের প্রকল্পে সরকার নিজস্ব অর্থায়ন করবে: এলজিআরডিমন্ত্রী মৎস্যজীবীদের স্বার্থেই ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা: প্রাণিসম্পদমন্ত্রী চিতা বিড়ালের ‘বিরল প্রসব’ ফেনীতে লাইসেন্স ছাড়াই চলছে ১৯ হাজার মোটরসাইকেল অপপ্রচার-অপরাজনীতি সত্ত্বেও ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সফল হয়েছি অপহৃত দশম শ্রেণির ছাত্রী ৯ দিন পর উদ্ধার, গ্রেফতার ১
  • বৃহস্পতিবার   ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ ||

  • আশ্বিন ৮ ১৪২৮

  • || ১৪ সফর ১৪৪৩

১৩০ টাকার কর্মচারী নুরুল দশ বছরে ৪৬০ কোটি টাকার মালিক

নোয়াখালী সমাচার

প্রকাশিত: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১  

১৩০ টাকা বেতনে কক্সবাজারের টেকনাফ স্থলবন্দরে চুক্তিভিত্তিক কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে চাকরি শুরু করেছিলেন নুরুল ইসলাম। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাননি। ১০ বছরে অবৈধ উপায়ে পণ্য খালাস করে কামিয়েছেন ৪৬০ কোটি টাকা। এসব অর্থ দিয়ে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ৩৭টি বাড়ি ও জমি কিনেছেন। এছাড়া সাভার, টেকনাফসহ বিভিন্ন স্থানে কিনেছেন জমি।

মঙ্গলবার ভোরে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থেকে নুরুল ইসলামকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব। এ সময় বিপুল পরিমাণ বিদেশি মুদ্রা, ইয়াবা ও জাল টাকা উদ্ধার করা হয়।

র‍্যাব সূত্র জানায়, এক সময় টেকনাফ বন্দরে ১৩০ টাকা বেতনে চাকরি করতেন নুরুল ইসলাম। বন্দরের কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে কাজ করলেও অবৈধ উপায়ে কোটি কোটি টাকা উপার্জন করেছেন তিনি। পরবর্তীতে তার পদে অন্য আরেকজনকে চাকরি দেন। আর অবৈধ অর্থ দিয়ে রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে অঢেল সম্পত্তি কেনেন।

র‍্যাব জানিয়েছে, মোহাম্মদপুরের হাজি দীন মোহাম্মদ রোডে নুরুল ইসলামের সাড়ে চার কাঠা জমির উপর ৭ তলা ভবন রয়েছে। এছাড়া নবোদয় হাউজিংয়ে আছে ১৫ কোটি টাকার সাত কাঠা জমির উপর সাততলা বাড়ি, ঢাকা উদ্যানে ৯ কাঠা জমি ও ১৭টি দোকান। মোহাম্মদপুরের চন্দ্রিমা উদ্যানে চার কাঠা জমি ও দুইতলা ভবন, একতা হাউজিংয়ে চার কাঠা জমি, হাজী দিল সড়কে ১১ কাঠা জমি ও দুইতলা সাতটি দোকান, নবোদয় হাউজিংয়ে চার কাঠা জমি ও বাড়ি রয়েছে।

নুরুল ইসলামের এমন অনেক অবৈধ সম্পদের খোঁজ পেয়েছে র‍্যাব। সব মিলিয়ে তার ৩৭টি জমি ও বাড়ির খোঁজ পাওয়া গেছে। এছাড়া ৯টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে নুরুল ইসলামের বিপুল অর্থ রয়েছে বলেও জানতে পেরেছে র‍্যাব।