ব্রেকিং:
আন্দোলনকারীরা বক্তব্য দিতে চাইলে আপিল বিভাগ বিবেচনায় নেবেন সচেতনতার অভাবে অনেক মানুষ বিভিন্ন দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে : ডিএমপি গমের উৎপাদন বাড়াতে সিমিট ও মেক্সিকোর সহযোগিতা জনদুর্ভোগ সৃষ্টি থেকে বিরত থাকুন : আরাফাত বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে সমাজসেবা অধিদপ্তরের পরিচালকের শ্রদ্ধা মোদির সাথে বিমসটেক পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সাক্ষাত গাজায় শান্তি রক্ষা করবে আরব যৌথ বাহিনী: বাইডেন কোটা আন্দোলন প্রশ্নে আইনমন্ত্রী কি বললেন? ‘পুলিশের গুলিতে কোনো শিক্ষার্থী মারা যায় নি" ভারত থেকে আমদানি হলো ১১টি বুলেটপ্রুফ সামরিক যান সৌদি আরবে হামলার হুমকি, স্পর্শকাতর স্থানের ভিডিও প্রকাশ পরকীয়া করতে গিয়ে ধরা, সেই স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা বহিষ্কার বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে ২১ চুক্তি ও সাত ঘোষণাপত্র সই লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে প্রযুক্তি বিষয়ক কুইজ প্রতিযোগিতা ঝিনুকে তৈরি মুক্তার গহনা প্রধানমন্ত্রীর হাতে লক্ষ্মীপুরে হাত-পা বেঁধে প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যার পর ডাকাতি নোয়াখালীতে প্রকৌশলীসহ সেই চার শিক্ষক কারাগারে নোয়াখালীতে পরীক্ষা হলে হট্টগোল-খোশগল্প চট্টগ্রামে এডিসি কামরুল ও তার স্ত্রীর সম্পদ ক্রোকের আদেশ
  • শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ ||

  • আষাঢ় ২৯ ১৪৩১

  • || ০৫ মুহররম ১৪৪৬

রাখাইনে বড় সংঘাতের আশঙ্কা, বাসিন্দাদের সরে যাওয়ার নির্দেশ

নোয়াখালী সমাচার

প্রকাশিত: ১৬ জুন ২০২৪  

মিয়ানমারের পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ রাখাইনের রাজধানী সিত্তে সংলগ্ন ও আশপাশের এলাকাগুলোতে বসবসাকারী লোকজনদের নিজ বাড়িঘর ছেড়ে রাজধানী বা অন্য কোনো নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ক্ষমতাসীন জান্তা।

শুক্রবার (১৪ জুন) বাসিন্দারা এ নির্দেশের খবর জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি’কে।

তারা বলেছে, গ্রামের বাসিন্দাদের রাজধানী বা অন্য অঞ্চলে চলে যেতে বলা হয়েছে। এ জন্য পাঁচ দিন সময় দেওয়া হয়। নির্দেশ না মানলে সেনাবাহিনী গুলি করবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়।

বাসিন্দাদের তথ্য মতে, রাখাইনের চারপাশের ১৫টি গ্রামের বাসিন্দাদের রাজধানীতে প্রবেশ করতে বলা হয়েছে। তারা চাইলে অন্যত্র যেতে পারবেন। যাই করা হোক না কেন তা খুব দ্রুত করতে হবে।

এ ব্যাপারে জান্তার এক মুখপাত্র এএফপিকে বলেন, ‘জনগণের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এই ঘোষণা দিয়েছে সরকার।’

গত নভেম্বর থেকে রাখাইনের বিভিন্ন এলাকায় জান্তা বাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধ চলছে জান্তাবিরোধী সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী আরাকান আর্মির (এএ)। অধিকাংশ সংঘাতে জয়ী হওয়া আরাকান আর্মি গত কয়েক দশক ধরে রাখাইনের স্বায়ত্বশাসনের দাবিতে লড়াই করছে।

রাখাইনের যেসব এলাকায় জয়ী হয়েছে আরাকান আর্মি, সেসব অঞ্চল থেকে জান্তা বাহিনী ও জান্তা নেতৃত্বাধীন প্রশাসনকে হটিয়ে দিয়েছে গোষ্ঠীটি। সম্প্রতি রাজধানী সিত্তে দখলেরও ঘোষণা দিয়েছে এএ।

সিত্তেতে মিয়ানমার-ভারত যৌথ মালিকানার একটি গভীর সমুদ্রবন্দর রয়েছে। শহরটিতে বসবাস করেন প্রায় ২ লাখ মানুষ।

২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি অভ্যুত্থানের মাধ্যমে মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থি নেত্রী অং সান সুচির নেতৃত্বাধীন সরকারকে হটিয়ে জাতীয় ক্ষমতা দখল করে সেনা বাহিনী। সেনাপ্রধান জেনারেল মিন অং হ্লেইং এই অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেন। মিয়ানমারের বর্তমান সামরিক সরকারের প্রধানও তিনি।

জান্তা ক্ষমতা দখলের পরপরই বিক্ষোভ শুরু হয় মিয়ানমারে। ২০২২ সালের মাঝামাঝি থেকে সেই বিক্ষোভের নেতৃত্বে আসে জান্তাবিরোধী বিভিন্ন সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী। ২০২৩ সালে নভেম্বর থেকে দেশের বিভিন্ন এলাকায় জান্তার বিরুদ্ধে জোটবদ্ধভাবে যুদ্ধে নামে গোষ্ঠীগুলো। সেই যুদ্ধ এখনও চলছে এবং ইতোমধ্যে দেশের এক পঞ্চমাংশ এলাকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে জান্তা।

সূত্র: মিজ্জিমা নিউজ