ব্রেকিং:
ভ্রমণ পিপাসুদের জন্য নিকলীর বিকল্প বিজয়নগর বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গোৎসব সম্পন্ন প্রশংসায় ভাসছেন নোয়াখালী এসপি দল থেকে বিদায় নেওয়ার জন্য আমি প্রস্তুত : শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন বিকেলে কুমিল্লায় চেয়ারম্যানের গাড়িতে গুলি আফ্রিকায় শান্তিরক্ষা মিশনে প্রাণ গেল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জসিমের নভেম্বরের শেষের দিকে জাপান সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী টিকার বুস্টার ডোজ পেলেন সাড়ে ৫ কোটির বেশি মানুষ সন্ধ্যার মধ্যে ন্যাশনাল গ্রিড চালু করার চেষ্টা করছি সরকারি সফরে সুইজারল্যান্ড যাচ্ছেন সেনাবাহিনী প্রধান ঢাকায় আসছেন ব্রুনাইয়ের সুলতান মোবাইলের লক খুলতে গিয়েই ধরা পড়ল ডাকাত প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরেছেন সুবর্ণচরে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে বসতভিটা দখলের অভিযোগ দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ৩ মাস বাড়বে না ভোজ্যতেলের দাম টেকনাফ-সেন্টমার্টিন রুটে জাহাজ চলাচল বন্ধ টার্মিনাল ছাড়া মহাসড়কে টোল আদায় করা যাবে না যৌনপল্লী চালান বিজেপি নেতা!
  • শনিবার   ০৮ অক্টোবর ২০২২ ||

  • আশ্বিন ২৩ ১৪২৯

  • || ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

গৃহহীনতার অভিশাপ দূর করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

নোয়াখালী সমাচার

প্রকাশিত: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২২  

গৃহহীনতার অভিশাপ দূর করতে বিশ্ব নেতৃবৃন্দের প্রতি বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, একটি নিরাপদ ও উপযুক্ত বাসস্থান প্রত্যেক নাগরিকের মৌলিক অধিকার।

বুধবার ‘টেকসই ও সাশ্রয়ী আবাসন’ বিষয়ক একটি পার্শ্ব অনুষ্ঠানে ভাষণ দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। তিনি বলেন, এ সমস্যাটি তিনি হৃদয় দিয়ে উপলব্ধি করেন।

শেখ হাসিনা বলেন, গৃহহীনতা সত্যিই একটি অভিশাপ। এটি উন্নত ও উন্নয়নশীল উভয় দেশের মানুষকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। আমাদের অভিজ্ঞতা বলছে, এ অভিশাপ দূর করার বিষয়টি আমাদের সামর্থ্যের মধ্যেই রয়েছে। এখানে সমবেত হওয়া আমাদের বন্ধু ও অংশীদারগণ এর বাস্তবায়নে একটি দৃঢ় অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে পারেন।

তিনি বলেন, নিউ আরবান এজেন্ডা আমাদের এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে দরকারি নীলনকশা প্রদান করে। এজেন্ডা বাস্তবায়নে সহায়তাকারী দেশগুলোতে আমাদের অবশ্যই ইউএন হাবিট্যাটসকে সমর্থন দিতে হবে। বাংলাদেশ এ বিষয়গুলোকে সামনে আনতে নিউইয়র্কে বন্ধুমহলের সঙ্গে যুক্ত থাকবে। আসুন, আমরা এমন একটি বিশ্বের জন্য কাজ চালিয়ে যাই, যেখানে গৃহহীনতা অতীতের বিষয় হয়ে যাবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাড়ে ১৬ কোটির একটি জনবহুল দেশ হয়েও বাংলাদেশ গৃহহীনতার বিষয়টি সফলভাবে সমাধান করতে পেরেছে।

তিনি বলেন, আমরা গৃহহীন-ভূমিহীন লোকজনকে বিনামূল্যে জমিসহ ঘর দিয়েছি। আমি আজ এখানে এসেছি সারাদেশে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য টেকসই ঘর নির্মাণে আমার সাফল্যের অভিজ্ঞতাগুলো বিনিময় করতে।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান উন্নয়নের অগ্রাধিকার হিসেবে ভূমিহীন, গৃহহীন ও শিকড়হীন মানুষকে পুনর্বাসনের উদ্যোগ নিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, জাতির পিতার স্বপ্নের কথা বিবেচনা করে ১৯৯৭ সালে তার সরকার ‘আশ্রয়ণ’ নামে একটি প্রকল্প চালু করে- যার অর্থ ভূমিহীন ও আশ্রয়হীনদের জন্য আবাসন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত দুই দশকে তার সরকার সবার জন্য বিনামূল্যে আবাসন নিশ্চিত করতে আন্তরিক প্রচেষ্টা চালিয়েছে। বাংলাদেশের এই কাভারেজ এলাকা কেবল নগরে নয়, দেশের প্রতিটি গ্রাম, শহর, জেলা, দ্বীপ ও পার্বত্য অঞ্চলে রয়েছে।

তিনি বলেন, জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে এ প্রচেষ্টা আরো ব্যাপকভাবে পুনরুজ্জীবিত হয়েছে। কেবল গত দুই বছরেই ২ লাখ ঘর নির্মাণ করা হয়েছে, যেখানে প্রায় ১০ লাখ লোকের আশ্রয় জুটেছে।

শেখ হাসিনা বলেন, গত ১৮ বছরে আমরা ৫ লাখেরও বেশি ঘরে ৩৫ লাখ গৃহহীন লোকের থাকার ব্যবস্থা করেছি। বর্তমানে আরো ৪০ হাজার ঘর নির্মাণের কাজ চলছে।

তিনি বলেন, এ প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি পরিবার ৪শ’ স্কয়ার ফিট আয়তনের দুই বেডরুম, একটি লম্বা বারান্দা, একটি রান্নাঘর ও একটি স্যানিটারি ল্যাট্রিনসহ ইটের তৈরি একটি বাড়ির মালিকানা পাচ্ছে।

শেখ হাসিনা বলেন, আমরা প্রত্যেক বাড়িতে বিনামূল্যে বিদ্যুৎ সংযোগ ও নিরাপদ পানি সরবরাহ করেছি। আমরা বিনামূল্যে জমি ও বাড়ি প্রদান করছি, যা ইতিহাসে অনন্য।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন- মালওয়াইয়ের প্রেসিডেন্ট ড. লাজারাস ম্যাককার্থি চাকভেরা, ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপ-মন্ত্রী সঞ্জয় ভার্মা, জাতিসংঘে স্লোভাক প্রজাতন্ত্রের স্থায়ী প্রতিনিধি মিশেল ম্লিনার এবং আইএলওর মহাপরিচালক গাই রাইডার।