ব্রেকিং:
হাতিয়ায় নদীর পাড়ে মিললো লাশ মৃত ব্যক্তির লাশ রেখে পালালো স্বজনরা, দাফন করলেন ইউপি চেয়ারম্যান পরশুরামের আরও এক পুলিশ সদস্যের মৃত্যু জমির বিরোধ নিয়ে যুবককে কুপিয়ে আহত কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগ নেতাসহ আরও ১৬ জনের করোনা প্রধানমন্ত্রীর অনুদানে পৌনে ৪১ লক্ষ টাকা পাচ্ছে ফেনীর ৫ পৌরসভা দেশে ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তের নতুন রেকর্ড, মৃত্যু ৩৭ নিজেরা আক্রান্ত হয়েও সেবায় পিছিয়ে নেই চিকিৎসাকর্মীরা করোনা সঙ্কটেও মে মাসে দেড় বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘনে আরও কঠোর হবে সরকার সংক্রমণ বিবেচনায় তিনটি জোনে ভাগ হবে দেশের বিভিন্ন এলাকা বাংলাদেশী হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিচারের প্রতিশ্রুতি লিবিয়ার চলমান ক্ষুদ্র ও বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ছে ১০ হাজার কোটি টাকার জরুরী তহবিল এটিএম বুথ এখন গ্রামেও করোনা-উত্তর অর্থনীতি পুনরুদ্ধার মূল লক্ষ্য গণপরিবহনে উঠার সময় এখন যেসব বিষয় না মানলেই বিপদ! রামগঞ্জে শিশু সন্তান নিয়ে প্রবাসীর স্ত্রী উধাও ফেনীতে কাউন্সিলরসহ আক্রান্ত আরো ১৬ কোম্পানীগঞ্জে ৪৯টি মসজিদ পেল সরকারি প্রণোদনা
  • বুধবার   ০৩ জুন ২০২০ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ২০ ১৪২৭

  • || ১০ শাওয়াল ১৪৪১

১৭৭

৮০ লাখ মানুষ দারিদ্রসীমা থেকে বেরিয়ে এসেছে: বিশ্বব্যাংক

নোয়াখালী সমাচার

প্রকাশিত: ৮ অক্টোবর ২০১৯  

বাংলাদেশে কয়েক বছরে ৮০ লাখ মানুষ দারিদ্রসীমা থেকে বেরিয়ে এসেছে। তবে দেশের সব অঞ্চলে দারিদ্র্য কমার হার সমান নয় বলে জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক।সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে বিশ্বব্যাংকের ‘বাংলাদেশ পোভার্টি অ্যাসেসমেন্ট’ প্রতিবেদনে এ তথ্য উল্লেখ করা হয়। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের উপস্থিতিতে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১০ সাল থেকে বাংলাদেশের বরিশাল, ঢাকা ও সিলেটে দ্রুতগতিতে দারিদ্র কমেছে। চট্টগ্রামে দারিদ্র কমেছে পরিমিতভাবে। অন্যদিকে রাজশাহী ও খুলনায় পরিস্থিতির পরিবর্তন নেই এবং রংপুর বিভাগে দারিদ্র্য বেড়েছে।বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ২০১৬ সালের খানা আয়-ব্যয় জরিপের তথ্য নিয়ে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিশ্ব ব্যাংকের জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ মারিয়া ইউজেনিয়া জেননি  বলেন, ২০১০-১৬ সময়কালে বাংলাদেশ দারিদ্র্য বিমোচনে ব্যাপক উন্নতি করেছে। বিশেষ করে শ্রমিকের আয় বৃদ্ধি এই উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রেখেছে। এ সময়ের মধ্যে বাংলাদেশে ৮০ লাখ মানুষ দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে এসেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১০-২০১৬ সময়ে দারিদ্র্য বিমোচনের ৯০ শতাংশই হয়েছে গ্রামে। শহরে দারিদ্র্য কমেছে সীমিতভাবে।  অতি দরিদ্র জনগোষ্ঠির মধ্যে শহরের লোকের অবস্থান প্রায় একই রয়ে গেছে।

অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, সরকার দেশ থেকে ক্ষুধা ও দারিদ্র্য দূর করতে রীতিমতো যুদ্ধ চালাচ্ছে। আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হবে। বর্তমানে আমাদের হতদরিদ্রের সংখ্যা ১০ শতাংশের নীচে নেমে এসেছে। কিন্তু দারিদ্র্যসীমা এখনো ১৯-২০ শতাংশে ঘোরাঘুরি করছে। তবে এ হার নামিয়ে আনতে সরকার নানাভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। যার ফলে ২০১০ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত দেশে ৮০ লাখ মানুষ দারিদ্র্যসীমার ওপরে উঠে এসেছে।

‘চলতি অর্থবছরের বাজেটে সরকার দারিদ্র্য দূরীকরণে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতা বাড়ানোর পাশাপাশি দারিদ্র্য প্রবণ নির্দিষ্ট এলাকা ও দরিদ্র গ্রুপকে টার্গেট করে কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। তাই দারিদ্র্য দূরীকরণে আমরা দৃঢ় আশাবাদী।’

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে বিশ্ব ব্যাংকের আবাসিক প্রতিনিধি মার্সিয়া টেম্বন বলেন, গত এক দশকে বাংলাদেশ দারিদ্র্য বিমোচনে প্রশংসনীয় অগ্রগতি করেছে। কিন্তু এখনো প্রতি চারজনের একজন দারিদ্র্যের মধ্যে বাস করছে।

অর্থনীতি বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর