ব্রেকিং:
সাতটি আবাসন প্রকল্পের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর জন্মভিটাতে ফেরা হলো না এরশাদের নববধূ বরণের অপেক্ষায় স্বজনরা, ফিরলেন লাশ হয়ে! নোয়াখালীতে সৌখিন মাছ শিকারীর ভিড় বাংলাদেশে বাড়বে কোরিয়ান বিনিয়োগ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে সহযোগিতার আশ্বাস দক্ষিণ কোরিয়ার বিশ্বের কোন কোন দেশে কয়টি রোবট কাজ করছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে? বাংলাদেশে অফিস করতে রাজি হয়েছে ফেসবুক কারিগরি ত্রুটি, চন্দ্রগ্রহণ-২ উৎক্ষেপণ স্থগিত দেশের উন্নয়নের চিত্র জাতিসংঘে তুলে ধরলেন পরিকল্পনামন্ত্রী জেলা প্রশাসকদের ৩১ নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ-দক্ষিণ কোরিয়া তিন সমঝোতা-নথি সই দুই ভুয়া চাকরিদাতা গ্রেফতার নোয়াখালীতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে সেনাবাহিনী অসাধ্য সাধনের সম্ভাবনা কিউইদের এরশাদের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক পারবে কি ইংল্যান্ড, ইতিহাস কি বলে? দেশে অতি ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস সরাসরি বিনিয়োগের জন্য অনুকূল বাংলাদেশ মিন্নির গোপন তথ্য ফাঁস করলেন রিফাতের বাবা

মঙ্গলবার   ১৬ জুলাই ২০১৯   শ্রাবণ ১ ১৪২৬   ১৩ জ্বিলকদ ১৪৪০

সর্বশেষ:
পদ্মা সেতু নিয়ে গুজবে গ্রেফতার ১ জন অপপ্রচারই বিএনপির পুঁজি: ওবায়দুল কাদের ‘মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক ভাতা হবে ১৫ হাজার টাকা’ জেলা প্রশাসক সম্মেলন ১৪ জুলাই বাংলাদেশের আর্থিক অন্তর্ভুক্তির প্রশংসায় রানী ম্যাক্সিমা নতুন দুই মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর শপথ ১৩ জুলাই
৫২০

৬২০ টাকা বিনিয়োগে কোটিপতি

প্রকাশিত: ২৯ এপ্রিল ২০১৯  

টার্কি মুরগির খামার করে স্বাবলম্বী হয়েছেন নোয়াখালী সদরের বিনোদপুরের আবদুল বাকের মাসুদ। যুব উন্নয়নের ৬২০ টাকা ভাতা দিয়ে ১২টি বাচ্চা কিনে খামার শুরু করেন তিনি। এখন তার খামারে রয়েছে কোটি টাকার মুরগি।
জিরো থেকে শুরু করা আব্দুল বাকের মাসুদ এখন বিনোদপুরের হাজারো বেকার যুবকের হিরো। তাকে দেখে টার্কির খামার করতে উৎসাহিত হয়েছেন অনেকেই।

১৯৯৪ সালে অ্যাকাউন্টিংয়ে মাস্টার্স করেন আব্দুল বাকের। এরপর চাকরির জন্য না ঘুরে যুব উন্নয়ন কেন্দ্রে প্রশিক্ষণ নেন। সেই প্রশিক্ষণ ভাতার ৬২০ টাকা দিয়েই শুরু হয় তার স্বপ্নযাত্রা। ২৫ বছরের অক্লান্ত পরিশ্রমে পেয়েছেন সাফল্যের দেখা।
আবদুল বাকের মাসুদ বলেন, টার্কির উৎপাদন খরচ কম, লাভ বেশি। তাছাড়া টার্কির চাহিদাও বেশি। প্রতি জোড়া টার্কির বাচ্চা সাড়ে তিন হাজার টাকা, প্রাপ্তবয়স্ক মুরগি ১৮-২০ হাজার টাকায় বিক্রি করেছি। খামার থেকে সব খরচ বাদ দিয়ে মাসে ৮০-৯০ হাজার টাকা আয় হয়। 

সফল এ খামারি বলেন, মা-বোনের উৎসাহ ও সহায়তায় বাণিজ্যিকভাবে টার্কির খামার করেছি। আমাকে দেখে অনেক বেকার যুবক খামার করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। 

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ননী গোপাল বর্মণ বলেন, টার্কির খামারে লাভ বেশি হওয়ায় অনেকেই এ ব্যবসায় ঝুঁকছেন। দিন দিন এর উৎপাদনও বাড়ছে। টার্কির রোগ-বালাইয়ের ঝুঁকি কম, পুষ্টিগুণ বেশি। তাই বাজারে এর চাহিদাও ব্যাপক। প্রাণিসম্পদ অধিদফতর জেলার টার্কি খামারগুলো তদারকি করছে। খামারিদের পর্যাপ্ত পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে।

নোয়াখালী সমাচার
নোয়াখালী সমাচার
এই বিভাগের আরো খবর