ব্রেকিং:
করোনায় সংক্রমিত পৌরসভার পিয়ন ফকির সুবর্ণচরে সরকারি চাল জব্দ, ডিলার পলাতক, ক্রেতার জরিমানা নোয়াখালীতে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৩ জনের মৃত্যু নোয়াখালীতে ডোবায় মিলল ব্যবসায়ীর লাশ হাতিয়া উপকূলে নতুন প্রজাতি আবিষ্কার করলেন নোবিপ্রবি শিক্ষক ফেনীতে মিলে আগুন! লক্ষাধিক টাকা ক্ষতি শুধু যোদ্ধাই নয়, হাতে ওদের নতুন পৃথিবীও করোনার নমুনা সংগ্রহে ‘ভিটিএম কিট’ তৈরি হলো দেশে ২৪ ঘণ্টায় নতুন কোনো ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়নি করোনা জয় করলেন ১১১৯ পুলিশ সদস্য দেড় হাজার টন বোরো ধান সংগ্রহ করেছে সরকার করোনা চিকিৎসায় যুক্ত হচ্ছে সরকারি-বেসরকারি সব হাসপাতাল রাষ্ট্রপতির সাথে সচিব, ৩ বাহিনী প্রধান ও আইজিপির সাক্ষাৎ নিলুফার মঞ্জুরের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক করোনায় আক্রান্ত দম্পতি; মারা গেল স্বামী ২ ডজন মামলার আসামি গ্রেফতার ইঞ্জিনে বাচ্চা শালিক, উড়তে শেখা পর্যন্ত অপেক্ষা করবে ট্রেন নেতাকর্মীর মাঝে নতুন নোটে ২৭ লক্ষ টাকা বিতরণ আওয়ামী লীগই জনগণের পাশে থাকে, এটাই আওয়ামী লীগের ঐতিহ্য - ওবায়দুল পাশে উঁচু জায়গা রেখে পরিকল্পিতভাবে পানিতে ঈদের নামাজ
  • বৃহস্পতিবার   ২৮ মে ২০২০ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১৪ ১৪২৭

  • || ০৪ শাওয়াল ১৪৪১

৭৬৪

৬২০ টাকা বিনিয়োগে কোটিপতি

নোয়াখালী সমাচার

প্রকাশিত: ২৯ এপ্রিল ২০১৯  

টার্কি মুরগির খামার করে স্বাবলম্বী হয়েছেন নোয়াখালী সদরের বিনোদপুরের আবদুল বাকের মাসুদ। যুব উন্নয়নের ৬২০ টাকা ভাতা দিয়ে ১২টি বাচ্চা কিনে খামার শুরু করেন তিনি। এখন তার খামারে রয়েছে কোটি টাকার মুরগি।
জিরো থেকে শুরু করা আব্দুল বাকের মাসুদ এখন বিনোদপুরের হাজারো বেকার যুবকের হিরো। তাকে দেখে টার্কির খামার করতে উৎসাহিত হয়েছেন অনেকেই।

১৯৯৪ সালে অ্যাকাউন্টিংয়ে মাস্টার্স করেন আব্দুল বাকের। এরপর চাকরির জন্য না ঘুরে যুব উন্নয়ন কেন্দ্রে প্রশিক্ষণ নেন। সেই প্রশিক্ষণ ভাতার ৬২০ টাকা দিয়েই শুরু হয় তার স্বপ্নযাত্রা। ২৫ বছরের অক্লান্ত পরিশ্রমে পেয়েছেন সাফল্যের দেখা।
আবদুল বাকের মাসুদ বলেন, টার্কির উৎপাদন খরচ কম, লাভ বেশি। তাছাড়া টার্কির চাহিদাও বেশি। প্রতি জোড়া টার্কির বাচ্চা সাড়ে তিন হাজার টাকা, প্রাপ্তবয়স্ক মুরগি ১৮-২০ হাজার টাকায় বিক্রি করেছি। খামার থেকে সব খরচ বাদ দিয়ে মাসে ৮০-৯০ হাজার টাকা আয় হয়। 

সফল এ খামারি বলেন, মা-বোনের উৎসাহ ও সহায়তায় বাণিজ্যিকভাবে টার্কির খামার করেছি। আমাকে দেখে অনেক বেকার যুবক খামার করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। 

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ননী গোপাল বর্মণ বলেন, টার্কির খামারে লাভ বেশি হওয়ায় অনেকেই এ ব্যবসায় ঝুঁকছেন। দিন দিন এর উৎপাদনও বাড়ছে। টার্কির রোগ-বালাইয়ের ঝুঁকি কম, পুষ্টিগুণ বেশি। তাই বাজারে এর চাহিদাও ব্যাপক। প্রাণিসম্পদ অধিদফতর জেলার টার্কি খামারগুলো তদারকি করছে। খামারিদের পর্যাপ্ত পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে।

নোয়াখালী বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর