ব্রেকিং:
আগামীতে নোবিপ্রবিতে ৪ লেন সড়ক হবে নোয়াখালীতে বিএমএসএফ এর ৭ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত সাতটি আবাসন প্রকল্পের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর জন্মভিটাতে ফেরা হলো না এরশাদের নববধূ বরণের অপেক্ষায় স্বজনরা, ফিরলেন লাশ হয়ে! নোয়াখালীতে সৌখিন মাছ শিকারীর ভিড় বাংলাদেশে বাড়বে কোরিয়ান বিনিয়োগ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে সহযোগিতার আশ্বাস দক্ষিণ কোরিয়ার বিশ্বের কোন কোন দেশে কয়টি রোবট কাজ করছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে? বাংলাদেশে অফিস করতে রাজি হয়েছে ফেসবুক কারিগরি ত্রুটি, চন্দ্রগ্রহণ-২ উৎক্ষেপণ স্থগিত দেশের উন্নয়নের চিত্র জাতিসংঘে তুলে ধরলেন পরিকল্পনামন্ত্রী জেলা প্রশাসকদের ৩১ নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ-দক্ষিণ কোরিয়া তিন সমঝোতা-নথি সই দুই ভুয়া চাকরিদাতা গ্রেফতার নোয়াখালীতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে সেনাবাহিনী অসাধ্য সাধনের সম্ভাবনা কিউইদের এরশাদের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক পারবে কি ইংল্যান্ড, ইতিহাস কি বলে? দেশে অতি ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস

মঙ্গলবার   ১৬ জুলাই ২০১৯   শ্রাবণ ১ ১৪২৬   ১৩ জ্বিলকদ ১৪৪০

সর্বশেষ:
পদ্মা সেতু নিয়ে গুজবে গ্রেফতার ১ জন অপপ্রচারই বিএনপির পুঁজি: ওবায়দুল কাদের ‘মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক ভাতা হবে ১৫ হাজার টাকা’ জেলা প্রশাসক সম্মেলন ১৪ জুলাই বাংলাদেশের আর্থিক অন্তর্ভুক্তির প্রশংসায় রানী ম্যাক্সিমা নতুন দুই মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর শপথ ১৩ জুলাই
৫৮৪

২০৩০ সালের মধ্যে ভারতের চেয়ে ধনী হবে বাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১৪ মে ২০১৯  

আগামী এক দশকে অর্থনীতির সূচকে প্রতিবেশি দেশ ভারতের চেয়ে বাংলাদেশ ধনী হয়ে উঠবে বলে গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক।

স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের গবেষণায় বলা হয়েছে, অর্থনীতির বিচারে আগামী দশকে এশিয়ার এবং এই মহাদেশের দেশগুলোর তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান হবে খুবই উল্লেখযোগ্য। দু’হাজার বিশ দশকে এশিয়ার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হবে সাত শতাংশ এবং পুরো দশক ধরে এই ধারা অব্যাহত থাকবে। এশিয়ার এই দেশগুলো হচ্ছে বাংলাদেশ, ভারত, ভিয়েতনাম, মিয়ানমার এবং ফিলিপিন।ব্যাঙ্কের ভারত-ভিত্তিক গবেষণা শাখার প্রধান মাধুর ঝা এবং সারা বিশ্বে ব্যাংকটির প্রধান অর্থনীতিবিদ ডেভিড ম্যান এই গবেষণা পরিচালনা করেছেন।

তারা তাদের গবেষণায় বলেছেন, ২০৩০ সালের মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ঘটবে সবচেয়ে বেশি কারণ এসব দেশের লোকসংখ্যা হবে বিশ্বের মোট জনসংখ্যার এক পঞ্চমাংশ।

এই বিশাল জনসংখ্যা ভারতের জন্য আশীর্বাদ হয়ে দাঁড়াবে। অন্যদিকে স্বাস্থ্য ও শিক্ষাখাতের বিনিয়োগ থেকে সুফল পেতে শুরু করবে বাংলাদেশ। যা তাদের উৎপাদনশীলতা বাড়াতে সাহায্য করবে।

 

 

গবেষণায় বলা হয়েছে, এশিয়াতে এই পরিবর্তন ঘটতে শুরু করেছে ২০১০ সাল থেকে। তখন থেকেই স্ট্যানডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক এশিয়ার এই দেশগুলোর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির উপর নজর রাখতে শুরু করে।

গবেষণায় আরো বলা হয়েছে, মাথাপিছু আয়ের হিসেবে আগামী এক দশকে ভারতকে ছাড়িয়ে যাবে বাংলাদেশ। তারই এক হিসেব দিতে গিয়ে ব্যাংকটি বলছে, বর্তমানে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় যেখানে ১,৬০০ ডলার সেখানে ২০৩০ সালে এই আয় দাঁড়াবে ৫,৭০০ ডলার।

এই একই সময়ে ভারতে মাথাপিছু আয় হবে ৫,৪০০ ডলার। যদিও বর্তমানে ভারতে মাথাপিছু আয় বাংলাদেশের চেয়েও বেশি। ২০১৮ সালে ভারতে মাথাপিছু আয় ছিল ১,৯০০ ডলার। 

নোয়াখালী সমাচার
নোয়াখালী সমাচার
এই বিভাগের আরো খবর