ব্রেকিং:
ফুলগাজীতে কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ লক্ষ্মীপুরে সাবেক ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ ফোরামের মতবিনিময় সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে লক্ষ্মীপুরে মানববন্ধন রামগঞ্জে ৭টি ক্লিনিকে অভিযান করুণানগরে মাস্ক অভিযান! ১২ জনকে জরিমানা।। ফেনীতে আবার বাড়ছে করোনা সংক্রমণ কোম্পানীগঞ্জে কলেজছাত্র অপহরণ চাটখিলকে বাল্যবিবাহ মুক্ত উপজেলা হিসেবে ঘোষণার লক্ষ্যে মানববন্ধন ফেনীতে প্রতি মাসে ১০ জন ধর্ষণের শিকার অজানাকে জানিয়ে দেয় রাবির রহস্যময় জাদুঘর মূর্তি ও ভাস্কর্য এক নয়: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ২৯ জনের মৃত্যু জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী কাজ করে যাচ্ছেন বিনামূল্যে প্যাডসহ সব ধরনের স্যানিটারি পণ্য দেবে স্কটল্যান্ড রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে ওআইসির অব্যাহত সমর্থন চায় বাংলাদেশ শেখ হাসিনার সরকার উন্নয়ন বান্ধব: কাদের অর্থনীতি চাঙ্গা রাখতে নতুন কর্মকৌশল করোনা চিকিৎসাকর্মীদের ভাতা প্রদান শুরু শুরু হচ্ছে যমুনায় পৃৃথক রেলসেতুর নির্মাণ কাজ তৈরি হচ্ছে জাতীয় ডিএনএ ডাটাবেজ
  • সোমবার   ৩০ নভেম্বর ২০২০ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১৬ ১৪২৭

  • || ১৩ রবিউস সানি ১৪৪২

১৭৬

১৮ বছর ধরে এক হাজার মানুষের সর্বনাশ করে পালিয়ে গেলো স্বামী-স্ত্রী

নোয়াখালী সমাচার

প্রকাশিত: ১৯ অক্টোবর ২০২০  

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলায় টানা ১৮ বছর প্রায় এক হাজার মানুষের সর্বনাশ করেছে এক দম্পতি। অথচ একবারের জন্য কেউ টের পায়নি। তাদের সঞ্চয়ের ১০ কোটি টাকা নিয়ে পালিয়েছে নামসর্বস্ব একটি সমবায় সমিতির কর্মকর্তা রমজান মিয়া ও তার স্ত্রী তানিয়া বেগম।

রোববার সকালে প্রতারক রমজান মিয়াসহ তার পরিবারের সদস্যদের গ্রেফতার ও তাদের সঞ্চিত টাকা ফিরিয়ে দেয়ার দাবিতে মানববন্ধন করেছেন নগরীর বাবুরাইল বৌবাজার এলাকার ‘সম্মিলিত সঞ্চয় তহবিল সমবায় সমিতির’ সহস্রাধিক গ্রাহক।

নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচিতে গ্রাহকদের দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে বক্তব্য রাখেন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র আফরোজা হাসান বিভা ও ‘আমরা নারায়ণগঞ্জবাসী’র সভাপতি মো. নুরুদ্দিন।

এ সময় বক্তারা বলেন, ১৮ বছর ধরে এলাকায় রমজান মিয়ার পরিবারের সদস্যরা এ সমিতি পরিচালনা করছে। সমিতির অধিকাংশ সদস্য নিম্ন আয়ের। করোনাকালে জুলাই থেকে গ্রাহকদের সঞ্চয়ের টাকা পরিশোধ না করে এলাকা থেকে পালিয়ে গেছে রমজান মিয়া ও তার স্ত্রী। গ্রাহকরা সঞ্চয়ের টাকা না পেয়ে বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন। এদিকে রমজান মিয়ার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়।

সমিতির গ্রাহক আলী আব্বাস জানান, ১৮ বছর ধরে বৌবাজারে সমিতি চালিয়ে আসছে রমজান মিয়া। গ্রাহকরা তাকে বিশ্বাস করে প্রতি মাসে ও সপ্তাহে টাকা জমা দিতেন। বছর বছর বৈশাখে মানুষের টাকা ফেরত দিয়ে দিতো সে। এভাবে মানুষের কাছে আস্থা অর্জন করে রমজান ও তার স্ত্রী তানিয়া। এভাবে প্রায় এক হাজার অসহায় ও গরিব মানুষের কাছে থেকে টাকা জমা নিয়ে দুই মাস ধরে গা ঢাকা দিয়েছে তারা।

সমিতির আরেক সদস্য নূরজাহান বেগম জানান, রমজান ভালো ভালো কথা বলে প্রথমে মানুষের কাছে আস্থা অর্জন করেছে। পরে একসঙ্গে শত শত মানুষের কাছ থেকে সমিতির নাম করে টাকা নিয়ে উধাও হয়ে গেছে।

সারাবাংলা বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর