ব্রেকিং:
`বেসরকারি স্বাস্থ্য খাত এগিয়ে নিতে নিয়ম সহজিকরণ দাবী ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে ৪ মহিলাকে কারাদন্ড নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের চূড়ান্ত অনুমোদন মেঘনায় জেলেদের হামলায় ১০ নৌ-পুলিশ আহত বিরল দৃষ্টান্ত, পুলিশের হাতে সন্তানকে তুলে দিলেন মা দেশে একদিনে আক্রান্ত এক হাজারের বেশি, মৃত্যু বেড়েছে ‘নো মাস্ক নো সার্ভিস’ নীতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে সরকার নারীদের একাকিত্বকে টার্গেট করেই চলে কামালের ধর্ষণ আর প্রতারণা ৭ বছরের চাচাতো বোনকে ধর্ষণ করল ১৪ বছরের কিশোর! বিশ্বে একদিনে আক্রান্ত ৪ লাখের বেশি, মৃত্যু ৫৫৯৯ সড়কে গাছ ফেলে পুলিশের গাড়িতে ডাকাতি! স্বাস্থ্যবিধি মেনে ১ নভেম্বর থেকে সবার মিলছে ওমরার সুযোগ স্ত্রীর সামনেই মুরগির সঙ্গে বিকৃত যৌনতায় মেতে ওঠেন রেহান দেশে এক গাভি বছরে জন্ম দেবে দু্টি বাছুর নারীদের অংশগ্রহণ আরো বাড়ানোর আহ্বান বাংলাদেশের আসলের মোড়কে নকল পণ্যের ছড়াছড়ি, বিপাকে ক্রেতারা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়কে মৃত্যু ৫০ শতাংশ কমানো হবে রায়পুরে সেচ প্রকল্পে জলাবদ্ধতা রোপা আমন নিয়ে শঙ্কা ফেনীতে গণ উপদ্রব ৪ নারীকে ১ মাস করে কারাদন্ড ধর্ষণের নেশা যুবকের, গৃহবধূকে ধর্ষণের পর ছাড়লো না চাচিকেও
  • রোববার   ২৫ অক্টোবর ২০২০ ||

  • কার্তিক ১১ ১৪২৭

  • || ০৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

২১

হাসপাতালে ভর্তি না নেয়ায় রাস্তাতেই প্রসব, মারা গেল নবজাতক

নোয়াখালী সমাচার

প্রকাশিত: ১৭ অক্টোবর ২০২০  

মাদারীপুর সদর হাসপাতাল থেকে বের করে দেয়ার পর রাস্তাতেই সন্তানের জন্ম দিলেন মা। তাৎক্ষণিক চিকিৎসা না পেয়ে মারা গেছে ওই নবজাতক। এ নিয়ে জেলাজুড়ে তৈরি হয়েছে ক্ষোভ।

স্বজনদের অভিযোগ, বারবার অনুরোধ করার পরও গর্ভবতী মাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়নি। তবে আধুনিক যন্ত্রপাতির না থাকার অজুহাত দিয়ে দায় এড়ানোর চেষ্টা করেছে কর্তৃপক্ষ।

স্বজনেরা জানায়, অসুস্থ অবস্থায় গত বুধবার সকালে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি হন মহিষেরচর এলাকার মামুন খানের স্ত্রী আমেনা বেগম। শুক্রবার রাত ৩টার দিকে প্রসব ব্যথা উঠলে এখানে চিকিৎসা সম্ভব না উল্লেখ করে চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করে।

হাসপাতাল থেকে বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সড়কেই নবজাতকের জন্ম হয়। পরে পুনরায় নবজাতক ও মাকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। একপর্যায়ে চিকিৎসকের পরামর্শে নবজাতকের জন্য প্রয়োজনীয় সব ওষুধ এনে দিলে তা প্রয়োগ করতে দেরি করে নার্স সুমা হালদার, এমন অভিযোগ স্বজনদের। পরে শনিবার সকাল ৮টার দিকে নবজাতক মারা গেছে বলে স্বজনদের জানানো হয়।

মাদারীপুর সদর হাসপাতালের নার্স সুপারভাইজার সাহিদা সুলতানা দাবি করেন, একদিকে নবজাতকের ওজন কম হওয়া, অন্যদিকে প্রয়োজনীয় আধুনিক যন্ত্রপাতি না থাকার কারণেই নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে।

তবে, মাদারীপুর সিভিল সার্জনের প্রতিনিধি ডা. খলিলুর রহমান জানান, স্বজনদের কাছ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে নেয়া হবে ব্যবস্থা।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত নার্স সদর হাসপাতালে না থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। গত এক বছর ধরে সদর হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পদও রয়েছে খালি পড়ে।

সারাবাংলা বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর