ব্রেকিং:
আগামীতে নোবিপ্রবিতে ৪ লেন সড়ক হবে নোয়াখালীতে বিএমএসএফ এর ৭ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত সাতটি আবাসন প্রকল্পের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর জন্মভিটাতে ফেরা হলো না এরশাদের নববধূ বরণের অপেক্ষায় স্বজনরা, ফিরলেন লাশ হয়ে! নোয়াখালীতে সৌখিন মাছ শিকারীর ভিড় বাংলাদেশে বাড়বে কোরিয়ান বিনিয়োগ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে সহযোগিতার আশ্বাস দক্ষিণ কোরিয়ার বিশ্বের কোন কোন দেশে কয়টি রোবট কাজ করছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে? বাংলাদেশে অফিস করতে রাজি হয়েছে ফেসবুক কারিগরি ত্রুটি, চন্দ্রগ্রহণ-২ উৎক্ষেপণ স্থগিত দেশের উন্নয়নের চিত্র জাতিসংঘে তুলে ধরলেন পরিকল্পনামন্ত্রী জেলা প্রশাসকদের ৩১ নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ-দক্ষিণ কোরিয়া তিন সমঝোতা-নথি সই দুই ভুয়া চাকরিদাতা গ্রেফতার নোয়াখালীতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে সেনাবাহিনী অসাধ্য সাধনের সম্ভাবনা কিউইদের এরশাদের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক পারবে কি ইংল্যান্ড, ইতিহাস কি বলে? দেশে অতি ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস

মঙ্গলবার   ১৬ জুলাই ২০১৯   শ্রাবণ ১ ১৪২৬   ১৩ জ্বিলকদ ১৪৪০

সর্বশেষ:
পদ্মা সেতু নিয়ে গুজবে গ্রেফতার ১ জন অপপ্রচারই বিএনপির পুঁজি: ওবায়দুল কাদের ‘মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক ভাতা হবে ১৫ হাজার টাকা’ জেলা প্রশাসক সম্মেলন ১৪ জুলাই বাংলাদেশের আর্থিক অন্তর্ভুক্তির প্রশংসায় রানী ম্যাক্সিমা নতুন দুই মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর শপথ ১৩ জুলাই
৬৯

হার্ট ও ব্রেন সুরক্ষায় ‘চকলেট’ মিলবে আরো রোগমুক্তি

প্রকাশিত: ১৩ মে ২০১৯  

চকলেট স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর, এই ধারণা অনেকেরই। আবার দেখা যায় বাচ্চাদের চকলেট খেতে বারণও করা হয় দাঁত নষ্ট হয়ে যাবে এই ভেবে। কিন্তু জানেন কি, একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে চকলেট খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারি। তবে সেক্ষেত্রে বেছে নিতে হবে ডার্ক চকলেট। তাইতো হার্টের রোগীদের নিয়মিত ডার্ক চকোলেট খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা।  এছাড়াও এর ফলে অনেক রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় চকলেটের উপকারিতা- 

১. ডার্ক চকলেটের মধ্যে যে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অন্যান্য উপকারি উপাদান থাকে তা শরীরে প্রবেশ করা মাত্র টক্সিক উপাদানেরা বেরিয়ে যেতে শুরু করে। ফলে দেহের অন্দরে ক্যান্সার সেল জন্ম নেওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। সেই সঙ্গে মেলে আরও অনেক শারীরিক উপকার।

২. নিয়মিত ডার্ক চকোলেট খাওয়ার ফলে অতিরিক্ত মাত্রায় চুল পড়া রোধ হয়। আসলে চকোলেটটি খাওয়া মাত্র দেহের অন্দরে এমন কিছু উপাদানের মাত্রা বাড়তে শুরু করে যে তার প্রভাবে সারা শরীরে রক্তের প্রভাব বেড়ে যায়। সেই সঙ্গে চুলের গোড়াতেও পুষ্টির ঘাঁটতি দূর হয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই চুল পড়ার হার কমতে শুরু করে।

৩. এতে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে তুলতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। যার কারণে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে। তাই নিয়মিত এই চকলেট খেলে ছোট-বড় কোনো রোগই ধারে কাছে ঘেঁষার সুযোগ পা্বেনা।

৪. ডার্ক চকলেটের মধ্যে উপস্থিত ফ্লেবোনয়েড ব্রেন ফাংশনের এত মাত্রায় উন্নতি ঘটায় যে একদিকে যেমন বুদ্ধির ধার বাড়তে শুরু করে, তেমনি অন্যদিকে স্মৃতিশক্তি এবং মনযোগেরও বিকাশ ঘটে। জানেন কি, চকোলেটের পাশাপাশি লাল চায়েও প্রচুর মাত্রায় ফ্লেবোনয়েড অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। 

৫. নিয়মিত ডার্ক চকোলেট খাওয়া শুরু করে শরীরের ভিতরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের মাত্রা এতটা বৃদ্ধি পায় যে দেহে ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানদের খোঁজ পাওয়া মুশকিল হয়ে পরে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা যেমন কমে, তেমনি আরো সব জটিল রোগও ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারেনা।

৬. ডার্ক চকোলেটে দু’ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। একটা হল ফ্লেবোনয়েড এবং দ্বিতীয়টি হল পলিফেনলস, যা নানাভাবে শরীরের গঠনে সাহায্য করে থাকে।

৭. এর মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়াতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৮. ডার্ক চকোলেটকে গলিয়ে যদি নিয়মিত ত্বকে লাগানো যায়, তাহলে স্কিনের ভিতরে এমন কিছু উপাদানের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে যে তার প্রভাবে স্কিনের উপরিঅংশে একটি শিল্ড তৈরি হয়ে যায়। ফলে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে ত্বকের কোনও ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। সেই সঙ্গে সান বার্ন এবং স্কিন ক্যান্সারের মতো রোগও দূরে থাকতে বাধ্য হয়।

৯. এতে উপস্থিত ফ্লেবোনয়েড হার্ট সুস্থ রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। শক্তিশালী এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্টটি হার্টের ভিতরে রক্তের প্রভাব বাড়িয়ে দেয়। সেই সঙ্গে রক্তচাপকে স্বাভাবিক রাখতেও বিশেষ ভূমিকা নেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়তে একেবারেই সময় লাগেনা। ফ্লেবোনয়েড রক্তের প্রবাহ এত মাত্রায় বাড়িয়ে দেয় যে ব্লাড ক্লট হওয়ার আশঙ্কাও একেবারে কমে যায়। ফলে হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের সম্ভাবনা কমে যায়।

১০. টানা ৮ সপ্তাহ যদি নিয়মিত ডার্ক চকলেট খাওয়া যায়, তাহলে একদিকে যেমন রক্তে সুগারের মাত্রা কমতে শুরু করে, তেমনি রক্তচাপও স্বাভাবিক হয়ে যায়। ফলে ডায়বেটিকস নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়।

১১. ডার্ক চকোলেটে উপস্থিত পলিফেনলস রক্তে উপস্থিত খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে উপকারি কোলেস্টেরল বা এইচ ডি এল কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধিতেও বিশেষ ভূমিকা নেয়। শরীরে উপকারি কোলেস্টেরলের মাত্রা যত বৃদ্ধি পায়, তত হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়ে, সেই সঙ্গে সার্বিকভাবে শরীরেরও অনেক উপকার হয়।

নোয়াখালী সমাচার
নোয়াখালী সমাচার