ব্রেকিং:
দিনাজপুরে দেশের প্রথম লোহার খনি আবিষ্কার শেখ হাসিনা এখন আওয়ামী লীগের চেয়েও বড় নোয়াখালীতে অস্ত্রসহ শীর্ষ জলদস্যু গ্রেফতার সপ্তাহের ব্যবধানে কমলো স্বর্ণের দাম ইবতেদায়ি শিক্ষকদের জন্য আসছে এমপিওভুক্তির সুখবর সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে সব প্রস্তুতি নিয়েছে ইসি: সচিব সাকিব-মাশরাফীদের প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন এখন শুধু শচীন-পন্টিং-সাঙ্গাকারাকে টপকানোর অপেক্ষা ১৫ হাজার কোটি টাকার সম্পূরক বাজেট পাস শেষ ধাপে ২০ উপজেলায় ভোট চলছে বাংলাদেশের সর্বকালের সেরা খেলোয়াড় সাকিব আজ বনভোজন দিবস ব্যাংকে টাকা আছে, লুটে খাওয়ার মতো নেই: প্রধানমন্ত্রী বুয়েট ছাত্রদলের ভিপি ছিলেন বালিশ মাসুদুল হেসে খেলে প্রত্যাশিত জয় টাইগারদের নোয়াখালী সদরে ইভিএমের ক্যাম্পেইন-মাইকিং বিশ্বের সবচেয়ে বড় ব্যাট উন্মোচন আজ উইন্ডিজের বিপক্ষে জয় চান মাশরাফী সমালোচনার মধ্যেও ভদ্রতা থাকতে হয়: তথ্যমন্ত্রী যে কৌশলে আটক হলেন ওসি মোয়াজ্জেম

বুধবার   ১৯ জুন ২০১৯   আষাঢ় ৬ ১৪২৬   ১৫ শাওয়াল ১৪৪০

সর্বশেষ:
তিস্তা চুক্তি ও সীমান্তে হত্যা বন্ধে সহযোগিতার আশ্বাস ভারতের অস্বাভাবিক ক্ষমতাসম্পন্ন শিশুর জন্ম দিলেন কোয়েল মল্লিক! সমৃদ্ধির সোপানে বাংলাদেশের উন্নয়নে কি কি থাকছে প্রস্তাবিত বাজেটে কারাবন্দিদের নাস্তায় যুক্ত হলো উন্নতমানের খাবার যোগ্য সেনা কর্মকর্তাদের পদোন্নতি দিন: প্রধানমন্ত্রী
৮০৫৭

সাংবাদিকদের ‘খামোশ’ এবার পুলিশকে ‘জানোয়ার’ বললেন ড. কামাল

প্রকাশিত: ২৬ ডিসেম্বর ২০১৮  

স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তিকে ছুঁড়ে ফেলে দেশবিরোধী শক্তির সাথে জোট গঠনের পর থেকেই যেন এতোদিনের ভদ্র মানুষের মুখোশ খসে পড়ছে ড. কামাল হোসেনের মুখ থেকে। তার আচরণে এখন প্রায়ই হিংসা, ক্রোধ, আক্রমাণাত্মক মন্তব্যই প্রস্ফুটিত হচ্ছে ধারাবাহিকভাবে। সম্প্রতি সাংবাদিকদের ‘খামোশ’ বলে দেখে নেয়ার হুমকি দেয়ার পর এবার পুলিশকে ‘জানোয়ার’ বললেন ড. কামাল।

গত ১৪ ডিসেম্বর বুদ্ধিজীবী দিবসে সাংবাদিকরা ড. কামালের কাছে জানতে চান যে, না না করেও কেন তিনি জামায়াতের নেতাদের নিয়ে জোট গঠন করলেন। জবাবেই ড. কামলা ক্রোধান্বিত হয়ে ওই প্রশ্নকারী সাংবাদিককে উর্দুতে ‘খামোশ’ বলে উচ্চস্বরে ধমক দেন। একই সাথে তিনি সেই সাংবাদিককে দেখে নেওয়ারও হুমকি দেন স্থানীয় সাধারণ মানুষের সামনে। এ ঘটনার মাস গড়াতেই এবার পুলিশকে ‘জানোয়ার’ বলে গালি দিলেন নির্বাচন কমিশনে (ইসি)।

কেবল লাঠিয়াল বাহিনী নয়, ইসির সঙ্গে এক বৈঠকে পুলিশকে ‘জানোয়ার’ বলে গালি দিয়েছিলেন ড. কামাল হোসেন। গুরুত্বপূর্ণ একটি বৈঠকে দায়িত্বশীল ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত ড. কামাল হোসেনের মুখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে অশালীন শব্দ শুনেই তাৎক্ষনীকভাবে এর ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা। আর এতেই পাল্টা ক্ষোভ দেখিয়ে বৈঠক থেকে বেরিয়ে যান জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা।

গতকাল ২৫ ডিসেম্বর মঙ্গলবার দুপুরে নির্বাচন কমিশন ভবনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে ইসি’র এই বৈঠকে এই বাকবিতণ্ডার ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে ইসি সূত্রে।সূত্র জানিয়েছে, বৈঠকে ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘সারাদেশে পুলিশ ঐক্যফ্রন্টের নেতাকর্মীদের সঙ্গে জানোয়ার ও লাঠিয়াল বাহিনীর মতো আচরণ করছে। একইসঙ্গে আওয়ামী লীগের গুণ্ডা বাহিনী আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করছে। আমাদের নেতাকর্মীদের কোথাও দাঁড়াতে দিচ্ছে না।’

জবাবে সিইসি বলেন, ‘সরকারের একটি বাহিনীকে নিয়ে আপনি এভাবে বলতে পারেন না। কোথায় আপনাদের প্রার্থীদের দাঁড়াতে দিচ্ছে না? কারা দাঁড়াতে দিচ্ছে না? আমাকে দেখান, নাম বলেন।’

এরপর ড. কামাল হোসেন ও সিইসির মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। এর এক পর্যায়ে ঐক্যফ্রন্ট নেতারা বৈঠক থেকে বেরিয়ে যান।
ইসি সূত্র জানিয়েছে, বৈঠক শুরুর পর প্রায় দেড় ঘণ্টা তাদের মধ্যে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্বাভাবিক আলোচনা হয়। এ সময় বিএনপির মহাসচিব ছাড়াও ঐক্যফ্রন্ট নেতারা বক্তব্য দেন। কিন্তু গোলমাল বাঁধান ড. কামাল হোসেন।

নিজের বক্তব্যের সময় তিনি উত্তেজিত হয়ে পুলিশের নানা কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেন। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক সিইসির উদ্দেশে বলেন, ‘আপনি বর্তমানে প্রধান বিচারপতির চেয়েও শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে পারেন। আপনি ইচ্ছা করলে জানোয়ার-লাঠিয়াল বাহিনীর মতো আচরণকারী পুলিশ বাহিনীকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। আপনার এই লাঠিয়াল পুলিশ বাহিনী আমাদের মিটিং-মিছিল কিছুই করতে দিচ্ছে না। এমনকি বেলা দুইটার পর মাইক ব্যবহারের জন্য আমাদের নির্দেশনা দিয়েছে। কিন্তু আওয়ামী লীগ তার জোটেরা নিয়ম-কানুন না মেনে পুলিশের সহায়তায় প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।’

তখন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মঈন খান সিইসির ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে হয়ে বলেন, ‘নির্বাচনের কোনো পরিবেশ যদি তৈরি করতে না পারেন, তাহলে বলে দেন, আমরা আজকেই প্রেস ক্লাবে গিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেবো।’
এ সময় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা সবাই বক্তব্য দিতে শুরু করেন। মির্জা ফখরুল ইসলাম তাদের সামলানোর চেষ্টা করেন। এরপর ডা. কামাল সিইসি’র নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বৈঠক থেকে বেরিয়ে যান।

নোয়াখালী সমাচার
নোয়াখালী সমাচার
এই বিভাগের আরো খবর