ব্রেকিং:
এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণে অতিরিক্ত অর্থ নিলে ব্যবস্থা সাদা মনের সাহসী মানুষ আব্দুল কাদের মির্জা নোয়াখালীতে এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণে অনিয়ম করলে ব্যবস্থা নোবিপ্রবির ছাত্রলীগের ১৬ নেতা-কর্মীকে সাময়িক বহিষ্কার নোয়াখালীতে স্ত্রীর গলা কেটে দিল পাষান স্বামী কোম্পানীগঞ্জে অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার নোবিপ্রবিতে ভর্তি শুরু ২৪ নভেম্বর আর্তমানবতার সেবায় নিরাপদ নোয়াখালী চাই বেগমগঞ্জে কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ভাবীকে হত্যা হাজিরা দেওয়া হল না ইয়াসিনের দরজা ভেঙেই দেখলো ঝুলন্ত লাশ বিএসটিআই’তে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল উদ্বোধন ট্রেন দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সতর্ক থাকার নির্দেশ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত বেড়ে ১৬ বি.বাড়িয়ার দুর্ঘটনায় নোয়াখালীর একজন মহিলার পরিচয় দিয়ে সহায়তা করুন মুছাপুর ক্লোজার যেন ‘মিনি কক্সবাজার’ বাস কেড়ে নিল ইয়াসিনের স্বপ্ন জয়াগে ৩ দিন ব্যাপী তাফসিরুল কোরআন মাহফিল অনুষ্ঠিত সোনাইমুড়ীতে যুবলীগের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ভাসানচর বসবাসের কতটা উপযোগী

বৃহস্পতিবার   ১৪ নভেম্বর ২০১৯   কার্তিক ২৯ ১৪২৬   ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

সর্বশেষ:
একবছরে পাঁচগুণ মুনাফা বেড়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আমাজন বাঁচাতে লিওনার্দোর ৫০ মিলিয়ন ডলারের অনুদান রাজধানীতে চার জঙ্গি আটক ১৬২৬৩ ডায়াল করলেই মেসেজে প্রেসক্রিপশন পাঠাচ্ছেন ডাক্তার জোরশোরে চলছে রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পের কাজ
৮১৬২

সাংবাদিকদের ‘খামোশ’ এবার পুলিশকে ‘জানোয়ার’ বললেন ড. কামাল

প্রকাশিত: ২৬ ডিসেম্বর ২০১৮  

স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তিকে ছুঁড়ে ফেলে দেশবিরোধী শক্তির সাথে জোট গঠনের পর থেকেই যেন এতোদিনের ভদ্র মানুষের মুখোশ খসে পড়ছে ড. কামাল হোসেনের মুখ থেকে। তার আচরণে এখন প্রায়ই হিংসা, ক্রোধ, আক্রমাণাত্মক মন্তব্যই প্রস্ফুটিত হচ্ছে ধারাবাহিকভাবে। সম্প্রতি সাংবাদিকদের ‘খামোশ’ বলে দেখে নেয়ার হুমকি দেয়ার পর এবার পুলিশকে ‘জানোয়ার’ বললেন ড. কামাল।

গত ১৪ ডিসেম্বর বুদ্ধিজীবী দিবসে সাংবাদিকরা ড. কামালের কাছে জানতে চান যে, না না করেও কেন তিনি জামায়াতের নেতাদের নিয়ে জোট গঠন করলেন। জবাবেই ড. কামলা ক্রোধান্বিত হয়ে ওই প্রশ্নকারী সাংবাদিককে উর্দুতে ‘খামোশ’ বলে উচ্চস্বরে ধমক দেন। একই সাথে তিনি সেই সাংবাদিককে দেখে নেওয়ারও হুমকি দেন স্থানীয় সাধারণ মানুষের সামনে। এ ঘটনার মাস গড়াতেই এবার পুলিশকে ‘জানোয়ার’ বলে গালি দিলেন নির্বাচন কমিশনে (ইসি)।

কেবল লাঠিয়াল বাহিনী নয়, ইসির সঙ্গে এক বৈঠকে পুলিশকে ‘জানোয়ার’ বলে গালি দিয়েছিলেন ড. কামাল হোসেন। গুরুত্বপূর্ণ একটি বৈঠকে দায়িত্বশীল ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত ড. কামাল হোসেনের মুখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে অশালীন শব্দ শুনেই তাৎক্ষনীকভাবে এর ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা। আর এতেই পাল্টা ক্ষোভ দেখিয়ে বৈঠক থেকে বেরিয়ে যান জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা।

গতকাল ২৫ ডিসেম্বর মঙ্গলবার দুপুরে নির্বাচন কমিশন ভবনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে ইসি’র এই বৈঠকে এই বাকবিতণ্ডার ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে ইসি সূত্রে।সূত্র জানিয়েছে, বৈঠকে ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘সারাদেশে পুলিশ ঐক্যফ্রন্টের নেতাকর্মীদের সঙ্গে জানোয়ার ও লাঠিয়াল বাহিনীর মতো আচরণ করছে। একইসঙ্গে আওয়ামী লীগের গুণ্ডা বাহিনী আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করছে। আমাদের নেতাকর্মীদের কোথাও দাঁড়াতে দিচ্ছে না।’

জবাবে সিইসি বলেন, ‘সরকারের একটি বাহিনীকে নিয়ে আপনি এভাবে বলতে পারেন না। কোথায় আপনাদের প্রার্থীদের দাঁড়াতে দিচ্ছে না? কারা দাঁড়াতে দিচ্ছে না? আমাকে দেখান, নাম বলেন।’

এরপর ড. কামাল হোসেন ও সিইসির মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। এর এক পর্যায়ে ঐক্যফ্রন্ট নেতারা বৈঠক থেকে বেরিয়ে যান।
ইসি সূত্র জানিয়েছে, বৈঠক শুরুর পর প্রায় দেড় ঘণ্টা তাদের মধ্যে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্বাভাবিক আলোচনা হয়। এ সময় বিএনপির মহাসচিব ছাড়াও ঐক্যফ্রন্ট নেতারা বক্তব্য দেন। কিন্তু গোলমাল বাঁধান ড. কামাল হোসেন।

নিজের বক্তব্যের সময় তিনি উত্তেজিত হয়ে পুলিশের নানা কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেন। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক সিইসির উদ্দেশে বলেন, ‘আপনি বর্তমানে প্রধান বিচারপতির চেয়েও শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে পারেন। আপনি ইচ্ছা করলে জানোয়ার-লাঠিয়াল বাহিনীর মতো আচরণকারী পুলিশ বাহিনীকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। আপনার এই লাঠিয়াল পুলিশ বাহিনী আমাদের মিটিং-মিছিল কিছুই করতে দিচ্ছে না। এমনকি বেলা দুইটার পর মাইক ব্যবহারের জন্য আমাদের নির্দেশনা দিয়েছে। কিন্তু আওয়ামী লীগ তার জোটেরা নিয়ম-কানুন না মেনে পুলিশের সহায়তায় প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।’

তখন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মঈন খান সিইসির ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে হয়ে বলেন, ‘নির্বাচনের কোনো পরিবেশ যদি তৈরি করতে না পারেন, তাহলে বলে দেন, আমরা আজকেই প্রেস ক্লাবে গিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেবো।’
এ সময় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা সবাই বক্তব্য দিতে শুরু করেন। মির্জা ফখরুল ইসলাম তাদের সামলানোর চেষ্টা করেন। এরপর ডা. কামাল সিইসি’র নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বৈঠক থেকে বেরিয়ে যান।

নোয়াখালী সমাচার
নোয়াখালী সমাচার
এই বিভাগের আরো খবর