ব্রেকিং:
আর্জেন্টিনার এমন অসহায় আত্মসমর্পণ কেন? ২১ দিন বন্ধের পর সুপ্রিম কোর্ট খুলছে আজ মুর্তজার মৃত্যুদণ্ড বাতিল করল সৌদি আরব ‘বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছি’ আজ বিশ্ব বাবা দিবস বিয়ের প্রলোভনে মাদ্রাসা শিক্ষিকাকে ধর্ষন হাতকড়াসহ আসামির পলায়ন পাদুকা শিল্পে উৎসাহিত করতে বিশেষ সুবিধা মুক্তিযোদ্ধা ভাতা ২ হাজার টাকা বৃদ্ধি গবেষণা ও উন্নয়ন খাতে বরাদ্দ ৫০ কোটি টাকা পদ্মা সেতুসহ ১০ মেগা প্রকল্পে বরাদ্দ ৩৯ হাজার কোটি টাকা শিশুদের জন্য ৮০ হাজার ১৯০ কোটি টাকার বাজেট কৃষি যান্ত্রিকীকরণে ভর্তুকি বাড়বে একশটি অর্থনৈতিক অঞ্চলের মাধ্যমে ১ কোটি কর্মসংস্থান নারী উন্নয়নে বরাদ্দ বেড়েছে ২৩ হাজার ৫০৫ কোটি টাকা শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে মোট বাজেটের ১৫ দশমিক ২ শতাংশ ঢাকার পূর্বাচলে ৬০ হাজার ফ্ল্যাট তৈরির পরিকল্পনা প্রতিবন্ধীদের নিয়োগ দিলেই কর রেয়াত রেলপথ মন্ত্রণালয়ে ১৬ হাজার ৩৫৭ কোটি ৯০ লাখ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব বাজেট-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী

রোববার   ১৬ জুন ২০১৯   আষাঢ় ৩ ১৪২৬   ১২ শাওয়াল ১৪৪০

সর্বশেষ:
শেয়ারবাজারের লেনদেন শুরু হচ্ছে আজ অফিস-আদালতে ঈদের আমেজ হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রফতানি শুরু আলজেরিয়ায় কোরআন মুখস্থ করলে জেল থেকে মুক্তি হাইভোল্টেজ ম্যাচে মুখোমুখি ভারত-অস্ট্রেলিয়া পাসওয়ার্ড: ‘বিশ্বমানের’ সিনেমা কি এমন হয়?
১৩

লোকটি বৈদ্যুতিক তার খেয়েই ক্ষুধা মিটায়

প্রকাশিত: ১৩ জুন ২০১৯  

ক্ষুধা লাগলেই আমরা খাবার হিসেবে ভাত-মাছ, ফলমূল খেয়ে থাকি। অথচ ভারতের উত্তর প্রদেশের বাসিন্দা নরেশ কুমার খেয়ে থাকেন বিদ্যুৎ! আর সেখান থেকেই শরীরের প্রয়োজনীয় শক্তি সঞ্চয় করেন নরেশ। আজব মানুষ! তার কাজও আজব। বিদ্যুৎ নিয়ে হরেক রকমের কেরামতি দেখাতে পারেন ৪২ বছরের নরেশ। এজন্য তাকে বলা হয় ‘দ্য হিউম্যান লাইট বাল্ব’ বা মানব বাতি।
নরেশ জানান, তার দেহ মূলত বিদ্যুৎ নিরপেক্ষ। উচ্চ ভোল্টেজ প্রবাহিত হলেও কোনো ক্ষতি হয় না দেহের। আর এ বিষয়টির প্রমাণও দেখিয়ে দেন নরেশ। ১১ হাজার ভোল্টের বৈদ্যুতিক তার মুখে নিয়ে অনায়াসে বসে থাকতে পারেন তিনি।

তবে তার বিদ্যুৎ থেকে এনার্জি পাওয়ার বিষয়টিই সবচেয়ে আশ্চর্যজনক। তিনি বলেন, ‘আমার যখনই ক্ষুধা লাগে এবং ঘরে কোনো খাবার থাকে না তখন আমি খোলা একটি বৈদ্যুতিক তার মুখে নেই। আধা ঘণ্টার মধ্যেই আমার ক্ষুধা মিটে যায়। অন্যান্য খাবারের মতোই বিদ্যুৎ খাই আমি। ’

বর্তমানে পাঁচ সন্তানের বাবা নরেশ। একটি হাসপাতালে মৃতদেহ গোসল করানোর কাজ করেন তিনি। ছয় বছর আগে আবিষ্কার করেন, তার দেহের বিদ্যুতের এই অসম্ভব ক্ষমতা। সে সময় দুর্ঘটনাক্রমে তিনি বিদ্যুতের একটি তার স্পর্শ করে বসেন। পরে দেখলেন, তাতে তার কোনো সমস্যাই হচ্ছেনা।

তিনি খালি হাতে যে কোনো বৈদ্যুতিক যন্ত্র ধরতে পারেন। তার দাবি, এতে তার কোনো ক্ষতি হয়না বরং এতে তার শক্তি বেড়ে যায়। তিনি বলেন, আমি তখন আশ্চর্য হয়ে যাই। এর আগ পর্যন্ত আমি আমার এই দক্ষতা সম্পর্কে জানতামনা। এটা ভগবানের উপহার। আমি খুশি যে তিনি আমাকে এই গুণ দিয়েছেন।

বিদ্যুৎ দেহের ভেতর দিয়ে গেলেও তার কোনো সমস্যা হয়না। বহু মানুষের সামনেই বহুবার এ কাজটি করে দেখিয়েছেন তিনি। এমনকি তার দেহে যখন বিদ্যুৎ চলাচল করে, তখন টেস্টার ধরলে সেটিতেও আলো জ্বলতে থাকে। এতে নরেশের কোনো যন্ত্রণা হয়না বলেই দাবি তার।

নোয়াখালী সমাচার
নোয়াখালী সমাচার