ব্রেকিং:
জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় শেখ হাসিনার পদক্ষেপ তিস্তায়ও আগ্রহী চীন আপনজনদের জীবনকে হুমকির মুখে ঠেলে দেবেন না : প্রধানমন্ত্রী বর্ডার এলাকার সব মানুষের দ্রুত করোনা পরীক্ষা বাধ্যতামূলক ফেনীর ৪ থানায় নতুন ওসি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তাণ্ডবের ঘটনায় গ্রেফতার ৪৬২ ফেনীতে ৪শ’ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিল রেড ক্রিসেন্ট বাসায় ডেকে ফ্রিজ ম্যাকারের অশ্লীল ভিডিও ধারণ, নারীসহ আটক ৬ কনস্টেবলকে সততার পুরস্কার দিলেন এসপি কুমিল্লা ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে পানিতে ডুবে মা-ছেলের মৃত্যু কোভিড কেয়ার সেন্টারে খাওয়ানো হচ্ছে গোমূত্র লকডাউন আরো সাতদিন বাড়তে পারে: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ক্ষুরা রোগের ৩৫ লাখ টিকা আমদানি করেছে সরকার করোনা টেস্টের নতুন ফি জানাল সরকার ঈদুল ফিতর সিয়াম সাধনার সাফল্য করোনায় মৃত্যু ১২ হাজার ছাড়ালো, একদিনে শনাক্ত ১২৩০ ঈদের তারিখ যেভাবে চূড়ান্ত করে চাঁদ দেখা কমিটি বৃহস্পতিবার থেকে ঈদের ছুটি শুরু, বুধবার শেষ কর্মদিবস নেপালকে করোনা চিকিৎসাসামগ্রী দিল বাংলাদেশ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্বাধীনতা স্তম্ভ নির্মাণ প্রকল্পের আওতায়
  • বুধবার   ১২ মে ২০২১ ||

  • বৈশাখ ২৯ ১৪২৮

  • || ২৯ রমজান ১৪৪২

লাশের চাপ সইতে না পেরে দিল্লিতে চিকিৎসকের আত্মহত্যা

নোয়াখালী সমাচার

প্রকাশিত: ২ মে ২০২১  

ভারতজুড়ে চলা করোনাভাইরাসের প্রাণঘাতী দ্বিতীয় ঢেউয়ের প্রবল চাপের মধ্যে দিল্লির একটি বেসরকারি হাসপাতালে বিবেক রায় নামের একজন আবাসিক চিকিৎসক আত্মহত্যা করেছেন। ইন্ডিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (আইএমএ) সাবেক প্রধান ডা. রবি ওয়ানখেদকর এক টুইটে এ খবর জানিয়েছেন।


এক টুইটবার্তায় ডা. রবি ওয়ানখেদকর বলেন, ডা. বিবেক রাই নামের ওই চিকিৎসক ছিলেন খুবই মেধাবী। উত্তরপ্রদেশের গোরখাপুরে তার বাড়ি। মহামারিকালে শত শত মানুষকে প্রাণ বাঁচাতে তিনি সহায়তা করেছেন।
শনিবার (১ মে) ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির খবরে উল্লেখ করা হয়েছে, এক মাস ধরে একটি প্রাইভেট হাসপাতালে তিনি রোগীর সেবা করে কাটিয়েছেন। প্রতিদিন সাত থেকে আটজন আশঙ্কাজনক রোগীকে দেখতে হতো তাকে।


ডা. রবি ওয়ানখেদকর জানান, মানুষের মৃত্যু দেখতে দেখতে ওই চিকিৎসক মানসিক বিষণ্নতায় ভোগেন। এরপর হতাশা থেকেই একসময় তিনি আত্মহত্যার মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
বিবেক রাইয়ের স্ত্রী দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে জানিয়েছেন তিনি। এ তরুণ চিকিৎসকের মৃত্যুর জন্য অপবিজ্ঞান, অপরাজনীতি ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে না পারা খারাপ প্রশাসনকে দায়ী করেছেন আইএমএর এই সাবেক প্রধান।


তিনি জানান, করোনা রোগী সামলাতে ব্যাপক মানসিক চাপে পড়তে হয়। এ মৃত্যু সে বিষয়টিই সামনে নিয়ে এসেছে। তিনি ‘সিস্টেমের’ হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন বলা যায়। কারণ মৌলিক স্বাস্থ্যসেবার ঘাটতির কারণে এই চিকিৎসকের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছিল।