ব্রেকিং:
সবজির পাশাপাশি আলু-পেঁয়াজেও মিলছে স্বস্তি হাম-রুবেলার টিকাদানে অংশ না নিলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা ক্রিকেটে ৯৯ দেশকে পেছনে ফেলল বাংলাদেশ দেশে একদিনে মৃত্যু ২৪, আক্রান্ত ২ হাজারের বেশি ভাসানচরে পৌঁছাল ১৬৪২ রোহিঙ্গা চক্রান্ত রুখতে কঠোর অবস্থান গেজেটভুক্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: যাচাই হবে ৫৫ হাজার সনদ করোনার অজুহাতে অফিসে অনুপস্থিত থাকা যাবে না ১০ জেলায় করোনার অ্যান্টিজেন পরীক্ষা বগুড়ায় রেকর্ড পরিমাণ আলু উৎপাদনের সম্ভাবনা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে বদলাবে চট্টগ্রাম মৌলবাদী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে একাট্টা দেশ অনলাইনে জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন পাকিস্তানের ১৯৭১ সালের নৃশংসতা অমার্জনীয় : প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য বিশ্বে একদিনে আক্রান্ত ৬ লাখ ৭৯ হাজার আট জাহাজে চড়ে ভাসানচরের পথে রোহিঙ্গারা কঠোর নির্দেশনার আওতায় আসছেন প্রাথমিকের ২৫০ শিক্ষক দুর্ঘটনা এড়াতে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি চালু করছে রেলওয়ে যেকোনো হুমকি মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকার নির্দেশ সেনাপ্রধানের
  • শুক্রবার   ০৪ ডিসেম্বর ২০২০ ||

  • অগ্রাহায়ণ ২১ ১৪২৭

  • || ১৮ রবিউস সানি ১৪৪২

৪০

লক্ষ্মীপুরে শিশু মৃত্যু কমেছে ৯০ শতাংশ

নোয়াখালী সমাচার

প্রকাশিত: ২১ নভেম্বর ২০২০  

লক্ষ্মীপুরে জেলা সদর হাসপাতালে স্পেশাল কেয়ার নিউবর্ণ ইউনিট স্ক্যানু চালুর পর থেকে শিশু মৃত্যুর হার কমেছে প্রায় ৯০ শতাংশ। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এ চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এতে খুশি স্বজনরা।
চিকিৎসকরা বলেছন, সরকারের চ্যালেঞ্জ নবজাতকের মৃত্যুর হার কমিয়ে আনা। সেটাই সম্ভব হয়েছে স্পেশাল কেয়ার নিউবর্ণ ইউনিট স্ক্যানু চালুর হওয়ার পর। তাই সময়মত শিশুদের এ ইউনিটে ভর্তি করা গেলে শিশু মৃত্যুর হার শুন্যের কোটায় নেমে আসবে।
তবে সিভিল সার্জন বলছেন, স্পেশাল কেয়ার ইউনিট চালুর পর ব্যাপক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে অসহায় ও দু:স্তরা যেন এ সেবা পেতে পারে, সেটাই অব্যহত রয়েছে।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরে প্রায় এক হাজার নবজাতক শিশুকে সদর হাসপাতালে দেয়া হয়েছে বিনামূল্যোর এ সেবা। নবজাতক ও শিশুদের জরুরী সেবা নিশ্চিত করতে ২০১৬ সালে চালু হয় ৮ বেডের এ স্পেশাল কেয়ার ইউনিবর্ণ ইউনিট স্ক্যানু। অত্যন্ত পরিচ্চন্ন এ ইউনিটে শ্বাসরোগ, অপরিপক্ষ ও কম ওজন নিয়ে জন্ম নেয়া নবজাতক ও শিশুদের ফলোআপ ও রেফারেল চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়। দুইজন শিশু কনসালটেন্টের নেতৃত্বে একদল চিকিৎসক ও নার্স ২৪ঘন্টাই দিয়ে থাকেন এ সেবা। পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুরা এ ইউনিটে পৌঁছা মাত্রই শুরু হয় প্রয়োজনীয় সেবা। স্ক্যানুতে প্রতিদিন অন্তত ২০টি শিশুকে দেয়া হয় চিকিৎসা। লক্ষ্মীপুরের ৫টি উপজেলা ও আশপাশের জেলা থেকে আসে এসব শিশু।

নবজাতকের স্বজনরা বলেন, যেখানে প্রাইভেট হাসপাতালে এ সেবা নিতে নবজাতকের প্রতিদিন খরচ হতো ২০/৩০ হাজার টাকা। এর আগে আর্থিক অবস্থায় খারাপ থাকায় সময়মত চিকিৎসা দেয়া যেতনা। কিন্তু এইখানে বিনামুল্যে নবজাতকের এ চিকিৎসা সেবা নিতে পারায় খুশি স্বজনরা। এটি অব্যাহত থাকলে, প্রত্যন্ত অঞ্চলের অসহায় ও দু:স্তরা এ চিকিৎসা সেবা পাবে বলে আশা করেন স্বজনদের।
সদর হাসপাতালের এক মেডিকেল অফিসার জানান, চিকিৎসা সেবা দিতে হিমশিম খেতে হয়। পাশাপাশি নিরাপত্তার গার্ড না থাকায় অহরহ রোগীর স্বজনরা ভিতরে প্রবেশ করে। এতে করে নবজাতকের চিকিৎসা সেবা নিয়ে নানা ধরনের সমস্যা পড়তে হয়। যেন সঠিকভাবে চিকিৎসা কার্যক্রম চালানো যায়, সেটাই প্রত্যাশা করেন চিকিৎসকরা।

সদর হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. ইছমাইল হাসান জানান, প্রত্যন্ত অঞ্চলের অসহায় ও দুস্ত পরিবারের নবজাতকের পাশাপাশি সকল নবজাতক বিনামুল্যে চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে। এ ধরনের চিকিৎসা কেউ কল্পনাও করতে পারেনি। এর আগে ঢাকা-চট্রগ্রাম ছাড়া নবজাতকের জন্য এ চিকিৎসা সেবা সদর হাসপাতালে পেতনা। বর্তমান সরকারের যে চ্যালেঞ্জ নবজাতকের মৃত্যুর হার কমিয়ে আনার। সেটাই সম্ভব হয়েছে। তাই সময়মত শিশুদের এ ইউনিটে ভর্তি করা গেলে শিশু মৃত্যুর হার শুন্যের কোটায় নেমে আসবে। এর পাশাপাশি বাড়িতে কিভাবে এসব নবজাতকের চিকিৎসা দেয়া হবে, সে বিষয়ে নানা পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

সিভিল সার্জন ডা. আবদুল গফ্ফার জানান, স্পেশাল কেয়ার ইউনিট চালুর পর ব্যাপক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। প্রতিমাসে ৭০/৮০ নবজাতক বিনামুল্যে এ চিকিৎসা সেপা পাচ্ছে। সময়মত চিকিৎসা সেবা পাওয়া নবজাতকের মৃত্যুর হার কমেছে ৯০ ভাগ। ইতিমধ্যে এ চিকিৎসা সেবায় জাতীয়ভাবে পুরস্কারও পাওয়া গেছে। অসহায় ও দু:স্তরা যেন এ সেবা পেতে পারে,সেটাই অব্যহত থাকবে বলে জানান তিনি।
 

স্বাস্থ্য বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর