ব্রেকিং:
ইলিশ উৎপাদন বাড়াতে ২৪৬ কোটি টাকার প্রকল্প আসছে দেশে একদিনে ২৬ মৃত্যু, শনাক্ত দেড় হাজারের বেশি নারী দলকে একশ’র ভেতর আনার প্রতিশ্রুতি দিলেন সালাউদ্দিন দুর্নীতি মামলায় প্রদীপের জামিন নামঞ্জুর, সম্পত্তি ক্রোকের আবেদন চার বছরের মাঝে র‍্যাংকিং দেড়শ’তে আনার প্রতিশ্রুতি সালাউদ্দিনের ৫ কোম্পানির দুধ উৎপাদন-বিপণনে বাধা নেই বিএনপি আন্দোলনের ডাক দিয়ে নিজেরাই মাথা ফাটাফাটি করে ৯৯৯-এ ফোন করে গণপিটুনি থেকে রক্ষা পেল চোর লক্ষ্মীপুরের নদী ভাঙ্গন রোধ প্রকল্প পাশের সম্ভাবনা নোয়াখালীতে আগুনে পাঁচ দোকান পুড়ে ১০ লাখ টাকার ক্ষতি শিগগিরই নির্মিত হচ্ছে দেশের প্রথম হেলিপোর্ট টার্মিনাল চলতি মাসেই এলপিজির দাম নির্ধারণ চায় বিইআরসি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে আ’লীগের মনোনয়ন কিনলেন ৮ জন জনপ্রিয়তা ও গনসংযোগে এগিয়ে রয়েছেন যারা মেঘনার ভাঙ্গন রোধে ৩২০০ কোটি টাকার প্রকল্পের প্রস্তাব ইয়াবাসহ ছেলে আটক নদী ভাঙ্গন জাতীয় সমস্যায় পরিণত হয়েছে: পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফেনী ট্রমা সেন্টার চালুর ব্যাপারে আশা হামলায় আহত ব্যবসায়ী পরিবার ক্ষতিগ্রন্থ কৃষকদের মাঝে বীজ ও কৃষি উপকরণ বিতরণ
  • রোববার   ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০ ||

  • আশ্বিন ৫ ১৪২৭

  • || ০১ সফর ১৪৪২

৫৬

মেঘনার ভাঙনে বিলীন হতে পারে সুবর্ণচর-হাতিয়া

নোয়াখালী সমাচার

প্রকাশিত: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব অংশে অবস্থিত নোয়াখালী জেলা পর্যটকদের জন্যে এক অনন্য গন্তব্য। সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যে ভরপুর মেঘনা বিধৌত এ জেলার ভাঙা-গড়ার ইতিহাস বহু পুরোন হলেও বর্তমানে নদী ভাঙন রোধ করা যায় বলে মনে করেন, নোয়াখালীর মেঘনা তীরবর্তী মানুষেরা। এলাকাবাসীর অভিযোগ ভাঙন রোধে বিগত কয়েক বছর পর্যন্ত নানা প্রতিশ্রুতি পেলেও কার্যত কোন পদক্ষেপ তারা পাননি।
মেঘনার আগ্রাসী ভাঙনে প্রতিনিয়ত নতুন করে আশ্রয়হীন হয়ে পড়ছে নদীপারের মানুষেরা। দ্রুত এ ভাঙন বন্ধ করতে না পারলে নিকট ভবিষ্যৎতে সুবর্ণচর-হাতিয়ার বিস্তীর্ণ এলাকা নদী গর্ভে হারিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সিডিএসপি প্রজেক্ট ইঞ্জিনিয়ার শংকর চন্দ্র সাহা জানান, ২০১২ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত প্রায় ৭হাজার হেক্টর ভূমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। তার মতে প্রতি বছর ১’শ মি. থেকে ৫’শ মি.পর্যন্ত ভূমি নদী ভাঙনের কবলে পড়ে। নোয়াখালীর সুবর্ণচর মেঘনা তীরবর্তী এলাকা ছাড়াও জেলার হাতিয়া উপজেলার নদীর এপারে বয়ার চর, নলের চর, নাঙ্গলিয়া, কেরিং চর বিস্তৃত এলাকা নিয়মিত ভাঙনের স্বীকার হচ্ছে। এ সময়ের মধ্যে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নদী ভাঙনে প্রায় ২’শ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।
স্থানীয় পানি ব্যবস্থাপনা দলের সভাপতি আরিফুল ইসলামের মতে, এ পর্যন্ত স্নুইস গেট ৩টি, বেড়িবঁধ প্রায় ৩৫কি.মি., ক্লোজার ৪টি, পানি ব্যবস্থাপনা কমিটির ঘর ২টি, সাইক্লোন শেল্টার ৭টি, কাঁচা ও পাকা রাস্তা ৫০কি.মি., কালভার্ট ৯টি, ইউড্রেন ১০টি, উন্নয়নকৃত বাজার ১টি, অন্যান্য বাজার ৫টি, মাটির কিল্লা ৭টি, গভীর নলকূপ ৩১১টি, পিট লেট্রিন ৫০টি, বনায়নকৃত অঞ্চল ৪ হাজার হেক্টর, বাঁধ ও রাস্তা (বনায়ন) ৬৩ কি.মি., এ ছাড়াও অসংখ্য বসত বাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।
ভাঙন কবলিত ইউনিয়ন চরক্লার্ক ও মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এডভোকেট আবুল বাশার ও আবুল কালাম আজাদের মতে, উত্তরে সমিতির চর থেকে দক্ষিণে মামুর খাল পর্যন্ত নদীকূলে ১০কি.মি. পথ জিওব্যাগ এবং ব্লক দিয়ে ভেতরে বাঁধ নির্মাণ করলে নদী ভাঙ্গা বন্ধ হবে এবং নদী কূলের মনোরম পরিবেশ দেখতে প্রতিদিন শতশত লোকজন এখানে আসা যাওয়া করবে। এলাকার মানোন্নয়ন হবে এবং পর্যটন এরিয়া হিসেবে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান হবে এটি।
নোয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন জানান, ১২ কি.মি. এলাকা নদী ভাঙন থেকে রক্ষা করতে প্রকল্প গ্রহণের লক্ষ্যে ৬ সদস্য বিশিষ্ট একটি কারিগরি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সার্ভে এবং সুপারিশের ভিত্তিতে অবিলম্বে ডিপিপি সাবমিট করা হবে।
সুবর্ণচর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ এএইচএম খায়রুল আনম চৌধুরী সেলিম জানান, নদী ভাঙন রোধ করা জরুরী। পানি উন্নয়ন বোর্ড নোয়াখালী প্রকল্পটি গ্রহণ করলে উপজেলার পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগীতা প্রদান করা হবে।

নোয়াখালী বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর