ব্রেকিং:
দেশে একদিনে আরো ৩০ মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ২৬৮৬ ভ্রুণ হত্যার অভিযোগে হোমিও চিকিৎসকসহ গ্রেফতার ৪ ‘ডিআইজি নয়, আমি আইজিপিকেও পরোয়া করি না’!! করোনায় আক্রান্ত চিকিৎসকের সঙ্গে এ কেমন আচরণ! কলেজছাত্রীর লাশ উদ্ধার সিগারেট বিক্রি নিয়ে তর্ক, দক্ষিণ আফ্রিকায় নোয়াখালীবাসীকে গুলি ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলনে হুমকিতে বিদ্যালয়, সড়ক,বসত বাড়ী বৈশ্বিক সঙ্কটে নারীদের সুরক্ষা মতিঝিলে হবে ২৫ তলাবিশিষ্ট বঙ্গবন্ধু চা ভবন অতিরিক্ত ২ মাসের বেতন পাচ্ছেন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে পশু কোরবানির ব্যবস্থা করা হবে দেশের ৬৬০ ওসিকে কঠোর বার্তা ৪ হাসপাতালের তথ্য তলব দুদকের ১৪ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ‘কালো তালিকাভুক্ত’ ৩১ বছর পর এবার কাঁচা চামড়া রপ্তানি! ক`জন সমালোচক মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন? সাহারা খাতুনের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক দুর্নীতিবাজ যেই হোক ব্যবস্থা নিচ্ছি ত্রাণ বিতরনে বেগমগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান ডিম খাওয়ার জন্য পালিত কন্যাকে পৈশাচিক নির্যাতন
  • রোববার   ১২ জুলাই ২০২০ ||

  • আষাঢ় ২৮ ১৪২৭

  • || ২০ জ্বিলকদ ১৪৪১

৩২৫০

মুছাপুর ক্লোজার যেন ‘মিনি কক্সবাজার’

নোয়াখালী সমাচার

প্রকাশিত: ১১ মার্চ ২০২০  

মেঘনার কোল ঘেষে বঙ্গোপসাগরের মোহনায় ছোট ফেনী নদীর তীরে নির্মিত মুছাপুর ক্লোজার এখন ‘মিনি কক্সবাজার’ পরিচিতি লাভ করেছে। ইতোমধ্যে এটি দেশের দক্ষিণাঞ্চলের ভ্রমণ পিপাসুদের জন্য একটি মনোমুগ্ধকর স্থান হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। 

নতুন কোনো দর্শনার্থী এখানে আসলে প্রথম দেখাতে তার মনে হবে এটাই বুঝি কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত। কিছুক্ষণ পর তার ভুল ভাঙবে। খুঁজে পাবেন নদীপাড়ে সাগরের আবহ। এজন্যই অনেকে এটাকে  ‘মিনি কক্সবাজার’ নামে অবহিত করে থাকেন।

নদীর নৈসর্গিক সৌন্দর্য, নৌকা ভ্রমণের অসাধারণ আনন্দঘন অভিজ্ঞতা, সকালের শান্ত মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশ, রাখাল ও মাঝির গান, পাখির কলতান, জেলেদের মাছ ধরার উৎসব, গরু-মহিষ-ভেড়াসহ বিভিন্ন প্রজাতির পশু-পাখির সৌন্দর্য ও বিকালের হিমেল হাওয়া, ক্লোজারে আছড়ে পড়া ঢেউ, জোয়ার-ভাটা দর্শনার্থীরা মুগ্ধ না হয়ে পারে না।

এছাড়া বনের ভেতরের প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখার জন্য প্রতিদিন মাইক্রোবাস, অটোরিকশা, পিকআপ ভ্যান এবং নিজস্ব মোটরবাইকে চড়ে আনন্দ-উল্লাসে ক্লোজার ও ক্লোজার সংলগ্ন মুছাপুর ফরেস্ট দেখতে আসেন বিনোদনপ্রেমী হাজারো মানুষ। কেউ স্বপরিবারে কেউবা আবার বন্ধুদের বিশাল বহর নিয়ে এখানে ঘুরতে আসেন।

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট পৌরসভা থেকে বাংলাবাজার হয়ে চৌধুরীবাজার পার থেকে দুই কিলোমিটার রাস্তা অতিক্রম করে চার রাস্তার মোড় দিয়ে পূর্বদিকে জনতা বাজার, এরপর দক্ষিণে দেড় কিলোমিটার রাস্তা অতিক্রম করে একটু পূর্বে গেলেই মুছাপুর ক্লোজার।নোয়াখালীর মুছাপুর ক্লোজার যেন ‘মিনি কক্সবাজার’ 

প্রতিদিন ফেনী, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর থেকে হাজার হাজার পর্যটক ভিড় জমান এখানে। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকেও ছুটে আসছেন অনেকেই। তবে এ ক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছে নিরাপত্তা ও যাতায়াতের। 

নোয়াখালীর সুবর্ণচর থেকে আসা হাসান হৃদয় নামে এক পর্যটক জানান, এখানকার রাস্তা সংকীর্ণতার কারণে যানজটের তিক্ত অভিজ্ঞতায় পড়তে হয়। তাছাড়া গাড়ি পার্কিংয়ের ভালো ব্যবস্থা নেই। যদিও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তায় অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প রয়েছে। একই অভিযোগ করেন, সোহাগ, লিপি, খালেদসহ কয়েকজন দর্শনার্থী।

সরেজমিনে গিয়ে এ ব্যাপারে কথা বলার জন্য সংশ্লিষ্ট কাউকে পাওয়া যায়নি। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এ সময়ে দর্শনার্থীর ভিড় কম থাকায় কর্তৃপক্ষের কেউ এখানে তেমন আসেন না।

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিস সূত্রে জানা গেছে,  ২০০৬ সালের ৮ মার্চে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণ কাজ উদ্ভোধন করেন। পরে কয়েক দফা বরাদ্দ বাড়িয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডেরেউদ্যোগে ক্লোজারটি নির্মাণ সম্পন্ন হয়।উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফয়সাল আহমেদ জানান, ২৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে এই ক্লোজার।

নোয়াখালী বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর