ব্রেকিং:
সোনাপুর-চেয়ারম্যান ঘাট সড়ক ফোরলেন একনেকে অনুমোদন লবণ ও পেঁয়াজের অতিরিক্ত মূল্য রোধে ২লক্ষ ১৮হাজার ৫শত টাকা জরিমানা নোবিপ্রবির ভর্তি শুরু ২৪ নভেম্বর সেনবাগে ইঁদুর মারার ফাঁদে পা দিয়ে মারা গেলেন কৃষক হাতিয়ায় হতদরিদ্র প্রতিবন্ধিদের বনভোজন হেলিকপ্টারে পূর্ণিমা আসলেন নোয়াখালী প্রস্তুত জাহাজ; শীঘ্রই রোহিঙ্গারা যাচ্ছে ভাসানচরে সড়ক পরিবহন আইন নিয়েও ষড়যন্ত্র শুরু করেছে বিএনপি কোম্পানীগঞ্জে অতিরিক্ত দামে লবন বিক্রি করায় জরিমানা সশস্ত্র বাহিনী দিবসে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নোয়াখালী আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সেলিম-একরাম সশস্ত্র বাহিনী দিবস আজ নোয়াখালীতে লবণের দাম বেশি চাইলে ইউএনও কে জানান-ডিসি কোম্পানীগঞ্জে শিক্ষার্থীদের নুরানী শিক্ষা ও নামাজ প্রদর্শনী নোয়াখালীতে অতিরিক্ত দামে লবন বিক্রি করায় ব্যবসায়ী আটক নোয়াখালী আওয়ামী লীগের কমিটি ঘোষণা সরকারি রাস্তা কেটে ইটভাটা নির্মাণ গ্রাহকের ৩০ লাখ টাকা আত্মসাত করে দুদকের জালে সাবেক পোষ্ট মাষ্টার আজ নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন গুজবে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে: কাদের

শুক্রবার   ২২ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ৭ ১৪২৬   ২৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

সর্বশেষ:
একবছরে পাঁচগুণ মুনাফা বেড়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আমাজন বাঁচাতে লিওনার্দোর ৫০ মিলিয়ন ডলারের অনুদান রাজধানীতে চার জঙ্গি আটক ১৬২৬৩ ডায়াল করলেই মেসেজে প্রেসক্রিপশন পাঠাচ্ছেন ডাক্তার জোরশোরে চলছে রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পের কাজ
২০৪

‘মিনি কক্সবাজার’ খ্যাত নোয়াখালীর মুছাপুর ক্লোজার

প্রকাশিত: ১১ আগস্ট ২০১৯  

সবুজ শ্যামল প্রকৃতি, নিবিড় বন, গ্রামীণ পরিবেশ, পাখির কোলাহল, বন্যপ্রাণি, নদীর ওপর নির্মিত ক্লোজার, ২৩ ভেন্ট রেগুলেটর, মৎস্যজীবী মানুষ উচ্ছ্বাস আর নদীর ছল ছল বিশাল জলরাশি নিয়ে এক অন্য রকম আবহ তৈরি করেছে মুছাপুর ক্লোজার। পানির ছল ছল শব্দ আর বিশাল আকাশের নিচে অবারিত নির্মল বাতাস আর সবুজ বনানী আপনাকে হাতছানি দিয়ে ডাকবে।

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নে বঙ্গোপসাগরের কুল ঘেঁষে নদীকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে এই ক্লোজার। প্রথম দেখাতে মনে হবে সৈকত। কিছুক্ষণ পরে ভুল ভাঙবে। খুঁজে পাবেন নদীপাড়ে সাগরের আবহ। দেখতে সমুদ্র সৈকতের মত এই নদীপাড় স্থানীয়দের কাছে ‘মিনি কক্সবাজার’ হিসেবেও পরিচিত। প্রতিদিনই অসংখ্য দর্শনার্থী এই ক্লোজারের সৌন্দর্য উপভোগ করতে এখানে আসে।

মুছাপুরের ফেনী নদীর তীরে ২৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে এই ক্লোজার। ২০০৯ সাল থেকে কয়েক দফা বাজেট বরাদ্দ দিয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের চেষ্টায় ক্লোজারটি নির্মাণ করা হয়।
১৯৬৯ সালে এখানে বনবিভাগ বনায়ন শুরু করে। মুছাপুর ক্লোজার এলাকায় চরের মধ্যে দক্ষিণ মুছাপুর মৌজায় ৮২১.৫৭ একর, চরবালুয়া (দিয়ারা) মৌজায় ১৮৬১.১০ একর ও চরবালুয়া মৌজায় ৬০০.১৫ একর সর্বমোট ৩২০০.৮২একর বনবিভাগের জমি জুড়ে এই বনাঞ্চল।

এখানকার বাগানে ঝাউ, কেওড়া, পিটালী, খেজুর, লতাবল, গেওয়া, শনবলই, বাবুলনাটাই, আকাশমনিসহ বিভিন্ন ছোট প্রজাতির গাছও রয়েছে। রয়েছে শিয়াল, বন বিড়াল, সাপসহ বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণী। শীতের মৌসুমে সাইবেরিয়া থেকে আসা অতিথি পাখিদেরও দেখা যায় এখানে।

বনের সরু রাস্তা ধরে হাঁটতে হাঁটতে একটু ভেতরে প্রবেশ করলে পাবেন শীতল ছায়া ও কোথাও কোথাও বিশাল খোলা জায়গা। তার পাশেই দেখা যাবে দিগন্তজোড়া সৈকতের অপার মাধুর্য।এখানে চারপাশে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে বিভিন্ন রকমের বনজ গাছ। বিভিন্ন প্রজাতির পাখির কোলাহল, বিশাল সমুদ্র সৈকত। সূর্যোদয় সূর্যাস্তের অপরূপ দৃশ্যের সৌন্দর্য আপনাকে মুগ্ধ করবে। রয়েছে ট্রলারে কিংবা স্পিডবোটে করে চরে ঘুরে বেড়ানোর সুযোগ।

নোয়াখালী সমাচার
নোয়াখালী সমাচার
এই বিভাগের আরো খবর