ব্রেকিং:
ফুলগাজীতে কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ লক্ষ্মীপুরে সাবেক ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ ফোরামের মতবিনিময় সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে লক্ষ্মীপুরে মানববন্ধন রামগঞ্জে ৭টি ক্লিনিকে অভিযান করুণানগরে মাস্ক অভিযান! ১২ জনকে জরিমানা।। ফেনীতে আবার বাড়ছে করোনা সংক্রমণ কোম্পানীগঞ্জে কলেজছাত্র অপহরণ চাটখিলকে বাল্যবিবাহ মুক্ত উপজেলা হিসেবে ঘোষণার লক্ষ্যে মানববন্ধন ফেনীতে প্রতি মাসে ১০ জন ধর্ষণের শিকার অজানাকে জানিয়ে দেয় রাবির রহস্যময় জাদুঘর মূর্তি ও ভাস্কর্য এক নয়: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ২৯ জনের মৃত্যু জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী কাজ করে যাচ্ছেন বিনামূল্যে প্যাডসহ সব ধরনের স্যানিটারি পণ্য দেবে স্কটল্যান্ড রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে ওআইসির অব্যাহত সমর্থন চায় বাংলাদেশ শেখ হাসিনার সরকার উন্নয়ন বান্ধব: কাদের অর্থনীতি চাঙ্গা রাখতে নতুন কর্মকৌশল করোনা চিকিৎসাকর্মীদের ভাতা প্রদান শুরু শুরু হচ্ছে যমুনায় পৃৃথক রেলসেতুর নির্মাণ কাজ তৈরি হচ্ছে জাতীয় ডিএনএ ডাটাবেজ
  • রোববার   ২৯ নভেম্বর ২০২০ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১৬ ১৪২৭

  • || ১৩ রবিউস সানি ১৪৪২

৩৯

মাকে হত্যার পর কসাই ডেকে পাঁচ টুকরো, মরদেহ ছিটানো হলো ধানক্ষেতে

নোয়াখালী সমাচার

প্রকাশিত: ২৩ অক্টোবর ২০২০  

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চরজব্বার ইউপির জাহাজমারা গ্রামে ধানক্ষেত থেকে নুরজাহান নামে এক নারীর মরদেহের পাঁচ টুকরা উদ্ধারের ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী মামলার বাদী ওই নারীর ছেলে হুমায়ুন কবির। তাকে সহযোগিতা করেছেন তার দুই আত্মীয়, এক কসাই বন্ধুসহ সাতজন।

মায়ের জিম্মায় আনা সুদের টাকা পাওনাদারদের না দিয়ে বাঁচতে এবং পৈতৃক সম্পত্তি আত্মসাৎ করতেই মাকে হত্যার পরিকল্পনা নেন হুমায়ুন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন।

গত ৭ অক্টোবর জাহাজমারা গ্রামের আমীর হোসেনের ধানক্ষেত থেকে পুলিশ ওই নারীর মাথা ও দেহের একটি অংশ এবং পরদিন দুপুরে আরো তিনটি অংশ উদ্ধার করে। ওই ঘটনায় নিহত নুরজাহান বেগমের ছেলে হুমায়ুন কবির বাদী হয়ে চরজব্বার থানায় মামলা করেন। ঘটনার ১৫ দিন পর বেরিয়ে এলো হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী ছেলে হুমায়ুনই। হুমায়ুনসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এখনো দুইজন পলাতক রয়েছে। গ্রেফতার দুইজন দোষ স্বীকার করে আগেই আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার হুমায়ুর কবিরও আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

সংবাদ সম্মেলনে জেলা এসপি আলমগীর হোসেন জানান, হুমায়ুন কবিরের সৎভাই বেলাল দেড় বছর আগে মারা যান। বেলাল গরু পালন, মাছচাষ ও ব্যবসা করার জন্য বেসরকারি সংস্থাসহ (এনজিও) মহাজনদের কাছ থেকে চার লাখ টাকা সুদে ঋণ নেন। বেলাল মারা যাওয়ায় ওই কিস্তির দায় এসে পড়ে তার মা নুরজাহান বেগমের ওপর। কিস্তি পরিশোধের জন্য মহাজন ও এনজিওকর্মীরা হুমায়ুন এবং তার মাকে চাপ দিতে থাকেন। এ জন্য হুমায়ুন তার মাকে সৎভাই বেলালের নামে থাকা জমি বিক্রির অনুরোধ করেন। এতে নুর জাহান রাজি হননি। এ নিয়ে মা-ছেলের মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হয়। এর জেরেই হুমায়ুন মাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।

এসপি আরো জানান, পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী হুমায়ুন তার মামাতো ভাই কালাম ওরফে মামুন, মামাতো বোনের স্বামীসহ সাতজনকে নিয়ে ৬ অক্টোবর রাতে বৈঠক করেন। সেই বৈঠকে নেয়া পরিকল্পনা অনুযায়ী গভীর রাতে তারা নুরজাহান বেগমকে ঘুমের মধ্যে বালিশচাপা দিয়ে হত্যা করেন। পরে পেশাদার কসাই নুর ইসলাম লাশ পাঁচ টুকরা করে রাতেই পাওনাদার একই গ্রামের আমীর হোসেনের ধানক্ষেতে ছিটিয়ে দেন।

নোয়াখালী বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর