ব্রেকিং:
আযানে প্রথম স্থান অধিকারী লক্ষ্মীপুরের হাফেজ ছয় বছরে পেঁয়াজ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে পারে বাংলাদেশ ২২ লাখ টাকার প্রণোদনা পাচ্ছেন তিন হাজার কৃষক ২১ মাস পরই ঢাকা-কক্সবাজার যাওয়া যাবে ট্রেনে ইলিশ উৎপাদন বাড়াতে ২৪৬ কোটি টাকার প্রকল্প আসছে দেশে একদিনে ২৬ মৃত্যু, শনাক্ত দেড় হাজারের বেশি নারী দলকে একশ’র ভেতর আনার প্রতিশ্রুতি দিলেন সালাউদ্দিন দুর্নীতি মামলায় প্রদীপের জামিন নামঞ্জুর, সম্পত্তি ক্রোকের আবেদন চার বছরের মাঝে র‍্যাংকিং দেড়শ’তে আনার প্রতিশ্রুতি সালাউদ্দিনের ৫ কোম্পানির দুধ উৎপাদন-বিপণনে বাধা নেই বিএনপি আন্দোলনের ডাক দিয়ে নিজেরাই মাথা ফাটাফাটি করে ৯৯৯-এ ফোন করে গণপিটুনি থেকে রক্ষা পেল চোর লক্ষ্মীপুরের নদী ভাঙ্গন রোধ প্রকল্প পাশের সম্ভাবনা নোয়াখালীতে আগুনে পাঁচ দোকান পুড়ে ১০ লাখ টাকার ক্ষতি শিগগিরই নির্মিত হচ্ছে দেশের প্রথম হেলিপোর্ট টার্মিনাল চলতি মাসেই এলপিজির দাম নির্ধারণ চায় বিইআরসি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে আ’লীগের মনোনয়ন কিনলেন ৮ জন জনপ্রিয়তা ও গনসংযোগে এগিয়ে রয়েছেন যারা মেঘনার ভাঙ্গন রোধে ৩২০০ কোটি টাকার প্রকল্পের প্রস্তাব ইয়াবাসহ ছেলে আটক
  • রোববার   ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০ ||

  • আশ্বিন ৫ ১৪২৭

  • || ০১ সফর ১৪৪২

১১০

ভেজাল হলুদ-মরিচের গুঁড়ায় সয়লাব হাতিয়া

নোয়াখালী সমাচার

প্রকাশিত: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

য় দুবছর ধরে হাতিয়ার হাঁটবাজারগুলোতে ভেজাল হলুদ ও মরিচের গুঁড়া বিক্রি হচ্ছে। এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী অধিক মুনাফার লোভে এ ভেজাল হলুদ ও মরিচের গুঁড়া আমদানি করে বিক্রি করছেন। গোটা হলুদ-মরিচের চেয়ে এগুলোর গুঁড়ার দাম অনেক কম। ক্রেতারা ঐ ভেজাল হলুদ-মরিচের গুঁড়া দেদারসে কিন্ছে। হাতিয়ার ৪৫টি হাঁটবাজার ছাড়াও রাস্তার পাশের ছোট দোকানগুলোতেও ভেজাল হলুদ-মরিচের গুঁড়া বিক্রি হচ্ছে । হাতিয়ায় বিভিন্ন হাট-বাজারে গিয়ে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সাথে আলাপ করে এ সব তথ্য জানা গেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হাতিয়ার বিভিন্ন বাজারের একাধিক মুদি ব্যবসায়ী যারা ভেজাল হলুদমরিচের গুঁড়া বিক্রির সাথে জড়িত নয় তারা দেশ রূপান্তরকে জানান ডাল,আটা,আতপ চালের গুঁড়া ও কুঁড়ো,

কাঁওন ধান,বিষাক্ত রং এবং বিভিন্ন রাসায়নিকের মিশ্রনে এ ভেজাল হলুদ ও মরিচের গুঁড়া তৈরি হয়। এসব ভেজাল হলুদ-মরিচে গুঁড়ায় আসল হলুদ বা মরিচের গুঁড়ার পরিমান খুবই কম। সূত্রগুলো আরো জানান প্রতিমাসে হাতিয়ার বিভিন্ন হাটবাজারের অসাধু ব্যবসায়ীরা ৫০ থেকে ২০০ টন ভেজাল হলুদমরিচের গুঁড়া আমদানি করে পাইকারি ও খুচরা বিক্রি করে আসছেন।

সরেজমিনে বিভিন্ন বাজারে গিয়ে মুদী দোকানিদের সাথে কথা বলে আরো জানা যায়,হাতিয়ার বিভিন্ন বাজারে প্রতি কেজি হলুদ ১০৫ থেকে ১২০ টাকা এবং হলুদের গুঁড়া প্রতি কেজি ৮৫ থেকে ১৬০ টাকা, মরিচ এক কেজি ২৬০ থেকে ২৮০ টাকা এবং মরিচের গুঁড়া এক কেজি ১১০ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গোটা হলুদ-মরিচ বিক্রি হয় খুবই কম।

তমরদ্দি বাজারের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মুদী দোকানি বলেন,আসল হলুদমরিচের গুঁড়ার দাম বেশি হওয়ায় বিক্রি খুবই কম,ভেজাল হলুদমরিচের গুঁড়ার দাম অনেক কম হওয়ায় ক্রেতারা কিনতে আগ্রহী হয়। ক্রেতাদের চাহিদার কারনেই তারা কম দামের ভেজাল হলুদমরিচের গুঁড়া বিক্রি করছেন।একাধিক ক্রেতাকেও কম দামের হলুদমরিচের গুঁড়া কিনতে দেখা গেল।একই বাজারের অপর দুই মুদী দোকানি বলেন দীর্ঘদিন ধরে ভেজাল হলুদমরিচের গুঁড়া বিক্রি হলেও দেখার কেউ নেই।

অনুসন্ধানে আরো জানা যায়,হাতিয়ার মুদী ব্যবসায়ীরা চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ,ফেনি ও নোয়াখালীর চৌমুহনী থেকে ভেজাল হলুদমরিচের গুঁড়া আমদানি করে। হাতিয়ার তমরদ্দি, হাতিয়া বাজার, বয়ারচর চেয়ারম্যান ঘাট, ধনু মিঞাঁ,মাইজদি,আফাজিয়া,খাসের হাট,ওছখালী,জাহাজমারা,আজিজিয়া, সাগরিয়া,
সিডিএসপি ও নিঝুমদ্বীপ বাজারের প্রায় ২৫ জন অসাধু মুদি ব্যবসায়ী এ ভেজাল হলুদমরিচের গুঁড়ার পাইকারী ব্যবসার সাথে জড়িত।
ভেজাল হলুদমরিচের গুঁড়ার ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে জানতে চাইলে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. নাজিম উদ্দিন বলেন,অভিযোগ অনুযায়ী বিভিন্ন রাসায়নিক,রং ও নানা অপদ্রব্যের মিশ্রন এ ভেজাল হলুদমরিচের গুঁড়া জনস্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। এ ভেজাল হলুদমরিচের গুঁড়া পেটে গেলে পাকস্থলীর ক্যানসার,লিভার ও কিডনির ক্ষতিসহ নানা কঠিন রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

হাতিয়াূয় ভেজাল হলুদমরিচের গুঁড়া বিক্রি সম্পর্কে আলাপকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহম্মদ নূর-এ-আলম এ প্রতিনিধিকে বলেন, ভেজাল হলুদমরিচের গুঁড়া বিক্রির বিষয়টি আমি খতিয়ে দেখবো,
অভিযোগের সত্যতা পেলে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নোয়াখালী বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর