ব্রেকিং:
খালেদা জিয়ার নির্বাচনী এলাকায় বিএনপির প্রার্থী নেই! মাদকদ্রব্যসহ ২ যুবককে গ্রেফতার পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের ঢাকা চট্রগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ লক্ষ্মীপুরে কৃষকদের মানববন্ধন এমপি আনোয়ার খানের শীতবস্ত্র বিতরণ রায়পুরে খাল দখলের মহোৎসব বিনা প্রতিদ্বন্দীতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন মেয়রসহ সকল কাউন্সিলর নৈশপ্রহরী সফিউল্যাহ হত্যা মামলায় একজনের মৃত্যুদন্ড ওয়ানডে চূড়ান্ত দলে লক্ষ্মীপুরের হাসান তেল মারা বন্ধ করতে হবে: কাদের মির্জা ফেনীতে স্কুলের নৈশ প্রহরীকে হত্যায় যুবকের মৃত্যুদণ্ড হাতিয়ায় নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল: আরও এক মামলা, গ্রেপ্তার ৫ পাবজি বিশ্বকাপ খেলতে দুবাইয়ে ৫ তরুণ, প্রাইজপুল ১৬ কোটি সারাদেশে ২৫-৩১ অক্টোবর হবে মূল জনশুমারি দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ায় সাড়ে ৪০০ কোটি টাকা মুনাফা এক্সপ্রেসওয়ে নেটওয়ার্কে আসবে সারাদেশ নোয়াখালীর দৃশ্যপট পাল্টে যাবে ২০২৩ সালের মধ্যে করোনা নিয়ন্ত্রণের বাংলাদেশ! দুটি চ্যানেলে দেখা যাবে বঙ্গবন্ধু ক্রিকেট সিরিজ ‘জীবনের সবচেয়ে ভয়াবহ ঘটনা, স্টেজেই শাড়ি খুলে যায়’ (ভিডিও)
  • মঙ্গলবার   ১৯ জানুয়ারি ২০২১ ||

  • মাঘ ৬ ১৪২৭

  • || ০৪ জমাদিউস সানি ১৪৪২

৪৯

বাংলাদেশে ইমু এত জনপ্রিয় হওয়ার কারণ

নোয়াখালী সমাচার

প্রকাশিত: ১৩ জানুয়ারি ২০২১  

যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে চিঠির যুগ পেরিয়েছে বহু বছর আগেই। বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত মেসেজিং অ্যাপ হচ্ছে ইমো। ইমো তাদের বার্ষিক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ২০১৯ সালের তুলনায় গত বছর তাদের অ্যাপ ব্যাবহার করে বাংলাদেশিদের পাঠানো মেসেজের সংখ্যা বেড়েছে ৮ শতাংশের বেশি।

বছরজুড়ে বাংলাদেশি ইমো ব্যবহারকারীরা সাড়ে নয় হাজার কোটির বেশি মেসেজ এবং আড়াই হাজার কোটির বেশি অডিও-ভিডিও কল করেছে। এর মধ্যে তিন হাজার কোটির মত রয়েছে আন্তর্জাতিক মেসেজ আর দেড় হাজার কোটির বেশি আন্তর্জাতিক অডিও-ভিডিও কল রয়েছে। মেসেজিং অ্যাপ কোম্পানিটি এক বিবৃতিতে বলছে, বাংলাদেশিদের ইমোর ব্যবহার রেকর্ড ছুঁয়েছে।

কোম্পানিটি জানিয়েছে বিশ্বে বাংলাদেশেই ইমোর সবচেয়ে বেশি ব্যবহারকারী। ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত বাংলাদেশে তিন কোটি সত্তর লাখ বার এটি ইন্সটল করা হয়েছে। গণমাধ্যমকে পাঠানো বিবৃতিতে ইমোর ভাইস প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশিদের এই প্রবণতাকে ‘অভূতপূর্ব’ বলে উল্লেখ করেছেন।

কারা এত বার্তা পাঠাচ্ছে? কোথায়ই বা যাচ্ছে তা- 

বিবিসি বাংলার খবরে বলা হয়েছে- ইমো অনেক বেশি জনপ্রিয় বিভিন্ন দেশে কর্মরত বাংলাদেশের অভিবাসী কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের কাছে। যে কোন অভিবাসী কর্মী ও তাদের আত্মীয় স্বজনদের সাথে কথা বললেই জানা যাবে তাদের মোবাইল ফোনে ইমো ইন্সটল করা আছে।

গ্রামীণফোনের চিফ ডিজিটাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজি অফিসার সোলায়মান আলম মূল দুটি কারণ উল্লেখ করেছেন। তিনি বলছেন, ইমোর ব্যবহারের জনপ্রিয়তার শুরু মধ্যপ্রাচ্যে। এর একটি বড় কারণ হল মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে বিশ্বের অন্যান্য জনপ্রিয় যেসব মেসেজিং অ্যাপ রয়েছে সেগুলোর ব্যাবহার নিষিদ্ধ। বাংলাদেশের অভিবাসীদের তাই ইমো ব্যবহার করতে হচ্ছে। আর বাংলাদেশেও তাই তাদের আত্মীয়দের ইমো ইন্সটল করতে হচ্ছে।

তার ভাষায় অন্য আর একটি কারণ হল ইমোতে ইন্টারনেট ব্যাবহার সাশ্রয়ী। ইমোতে মেসেজ কমপ্রেসড হয়ে যায়। অর্থাৎ এতে ফাইল সাইজ ছোট হয়ে আসে। অন্য মেসেজিং অ্যাপের তুলনায় ইন্টারনেট ডাটা কম ব্যবহার হয়। তাই মধ্যপ্রাচ্যে আমাদের যে ভাইয়েরা রয়েছেন তাদের জন্য অন্য অ্যাপ ব্যাবহারের চাইতে ইমোর ব্যবহার সাশ্রয়ী। তবে এর একটি অসুবিধা হল এর ফলে ভিডিও বা অডিওর মান খারাপ হয়ে যায়। কিন্তু সবারতো প্রফেশনাল কোয়ালিটির অডিও-ভিডিও দরকার নেই।

আর ইমোর বিভিন্ন ভার্শন রয়েছে তাই সেটি প্রায় সব ধরনের হ্যান্ডসেটে ইন্সটল করা যায়। বিশ্বজুড়ে প্রায় ১৫০টিরও বেশি দেশে ৬২ ভাষায় ২০ কোটিরও বেশি মানুষ ইমো ব্যবহার করলেও এই অ্যাপ নিয়ে অবশ্য অনেকের অভিযোগও রয়েছে। অ্যাপটি ইন্সটল করা মাত্রই একের পর এক বিরতিহীন নোটিফিকেশন আসতে থাকে। অপরিচিত লোকজনের কাছ থেকে মেসেজ আসে, তারা এখন ইমোতে আছেন, কেউ ইমো ব্যাবহার শুরু করেছেন সেসব তথ্য ছবিসহ দেখা যায়।

আপনি চেনেন না, আপনার ফোনে যার নম্বর নেই তাদের কাছ থেকেও মেসেজ আসে। এর অর্থ হল অন্যদের কাছেও আপনার মেসেজ চলে যাচ্ছে সেটি হয়ত আপনি জানেনও না।

ইমোতে আপনার তালিকায় থাকা বন্ধুদের যারা বন্ধু তাদের পোস্টও দেখা যায়। এর কারণ হল আপনার কন্টাক্টে যারা আছেন আর তাদের সঙ্গে যাদের ইমোতে যোগাযোগ, তাদের মধ্যে এক ধরনের যোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায়। এসব কারণে অনেকেই ইমোতে নিরাপদ বোধ করেন না।

এভাবে অনেকেই বিভিন্নভাবে প্রতারিত হচ্ছেন। সর্বস্ব খুইয়ে সর্বশান্ত হচ্ছেন অনেকে। তবে দেশের তথ্য মতে বাংলাদেশের অধিকাংশ বেকার যুবক তাদের জীবিকার তাগিদে পাড়ি জমাচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। সেখানে ইমো যোগাযোগের অন্যতম সস্তা মাধ্যম হওয়ায় এটি ব্যবহার করেন তারা। ইমো ব্যবহারে আর্থিকভাবে খরচ খুবই কম। যেখানে অন্যান্য যোগাযোগ মাধ্যম অ্যাপের খরচ অনেক বেশি। 

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর