ব্রেকিং:
আন্দোলন নামতে অনীহা বিএনপির, চটেছেন তারেক রহমান তিন হাজার মিটার দৌড়ে ১৭ বছরের রেকর্ড ভাঙলেন রিংকি বাইডেনের শপথ ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের ৫০ অঙ্গরাজ্যে সতর্কতা প্রধানমন্ত্রী নিয়ে শিল্পকর্ম প্রদর্শনীতে মার্কিন রাষ্ট্রদূত সদর উপজেলার ব্রিকফিল্ডে কমলনগরের মাটি পাচার, ৯ ট্রাক্টরের জরিমানা দাগনভূঞায় এম্বুলেন্সে এসে ভোট দিয়ে ঢাকায় ফিরলেন রোগী বসুরহাটে জয় পেলেন কাদের মির্জা পরাজিত প্রার্থীর সমর্থকদের হামলায় বিজয়ী কাউন্সিলর নিহত ৪৬ পৌরসভায় আওয়ামী লীগের জয় আমি পৌরবাসীর সেবক হতে চাই আপনাদের এই ঋণ কোনদিন শোধ করতে পারব না পৌর নির্বাচনে থাকবে চার স্তরের নিরাপত্তা ভোটের মাঠে ৪ দলেই একক মেয়র প্রার্থী গনিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ককটেল বিস্ফোরণ রামগঞ্জে দুস্থদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ আওয়ামী লীগ প্রার্থী ওমর ফারুক খান জয়ী বিদেশে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহীরা জেনে নিন দেশে একদিনের ব্যবধানে মৃত্যু বেড়েছে নতুন ঠিকানায় যাওয়ার অপেক্ষায় খানসামার ৪১০ গৃহহীন পরিবার নরওয়েতে ফাইজারের টিকা নেয়ার পর ২৩ জনের মৃত্যু
  • রোববার   ১৭ জানুয়ারি ২০২১ ||

  • মাঘ ৪ ১৪২৭

  • || ০২ জমাদিউস সানি ১৪৪২

১৪৪

বদলে যাচ্ছে শিক্ষাব্যবস্থা

নোয়াখালী সমাচার

প্রকাশিত: ১৯ ডিসেম্বর ২০২০  

আগামী বছর বদলে যাচ্ছে গতানুগতিক শিক্ষা কার্যক্রম। বিদ্যমান কারিকুলামের আওতায় বছরজুড়েই অ্যাসাইনমেন্টের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে। ২০২০ শিক্ষাবর্ষের ঘাটতি পূরণ করতে শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থাও নেওয়া হবে নতুন বছরে। এর আগে করোনা-পরবর্তী শিক্ষাব্যবস্থায় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনলাইনে অনুষ্ঠিত এক সভায় তিনি বলেন, করোনাকালীন ও করোনা-পরবর্তী সময়ে শিক্ষাব্যবস্থার কী ধরনের পরিবর্তন আনতে হবে, তা নিয়ে কাজ করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, করোনা পরিস্থিতির কারণে এ বছর আর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার কোনও সম্ভাবনা নেই। এমনকি আগামী বছরের মার্চ মাস পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকতে পারে। আর সে কারণেই আগামী বছরের শিক্ষা কার্যক্রম কেমন হবে তার প্রস্তুতি এখন থেকেই নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড শিক্ষার্থীদের জন্য আগামী জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত তিন মাসের অ্যাসাইনমেন্ট তৈরির প্রস্তুতি নিয়েছে। অন্যদিকে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর এখন থেকেই প্রস্তুতি নিয়েছে বছরজুড়েই অ্যাসাইনমেন্টের মাধ্যমে শিক্ষার্থী মূল্যায়ন করার। করোনার প্রভাব না থাকলেও চলবে অ্যাসাইনমেন্ট ব্যবস্থা। একইসঙ্গে চলতি শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থীর ঘাটতি পূরণেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে শিক্ষাবর্ষে। এ জন্য এই নতুন বইসহ পুরাতন বছরের বই শিক্ষার্থীদের সংগ্রহে রাখতে হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, ২০২১ সালের ১ জানুয়ারিতে শিক্ষার্থীদের কাছে পাঠ্যবই পৌঁছে দেওয়া হবে। অ্যাসাইনমেন্ট ব্যবস্থা ছাড়াও অনলাইনে পাঠদান, ভিডিও রেকর্ড করা পাঠদান চলবে। করোনা পরিস্থিতি না থাকলেও অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হবে সারা বছর।

এ প্রসঙ্গে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ গোলাম মো. ফারুক বলেন, ফরমেটিভ অ্যাসেসমেন্ট আমরা দীর্ঘদিন থেকে চালু করার চেষ্টা করছি। কিন্তু পারিনি। কোভিড-১৯ পরিস্থিতির কারণে ফরমেটিভ অ্যাসেসমেন্টে নভেম্বর থেকে যেতে হলো। সেটা খুবই কার্যকর হয়েছে শিক্ষার্থীদের জন্য। শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা এটিকে ভালোভাবে নিয়েছে। এতে প্রমাণ হয়েছে পরীক্ষার মধ্য দিয়ে শেখা যায়। আগের বিদ্যমান পরীক্ষা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে কিছু শেখার নেই। কী শিখেছে তা যাচাই করা হতো। এই ব্যবস্থা শুধুই পরীক্ষানির্ভর। তাই করোনা না থাকলেও আমরা আগামী বছর ফরমেটিভ অ্যাসেসমেন্ট চালু রাখবো।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর সূত্র জানায়, অ্যাসাইনমেন্ট ব্যবস্থায় শিক্ষার্থীদের ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ থাকবে না। কেউ অন্যের মাধ্যমে অ্যাসাইনমেন্ট কপি করলে বা অন্যের মাধ্যমে অ্যাসাইনমেন্ট তৈরি করলে শিক্ষকরা তা বুঝে ব্যবস্থা নেবেন। প্রয়োজনে নতুন করে একই অ্যাসাইনমেন্ট করাবেন। যেহেতু এখানে পরীক্ষার মতো কোনও নম্বর দেওয়ার বিষয় নেই, তাই শিক্ষার্থীকে শেখানোর জন্য অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া হবে।
জানতে চাইলে প্রফেসর ড. সৈয়দ গোলাম মো. ফারুক বলেন, এই ব্যবস্থায় ফাঁকি দেওয়ার কোনও সুযোগ থাকবে না। শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট সম্পর্কে জানতে চাইলে বা অ্যাসাইনমেন্ট দেখলেই বুঝতে পারবেন শিক্ষার্থী নিজে করেছে কিনা। যদি নিজে না করে তাহলে আবার তাকে একই অ্যাসাইনমেন্ট দেবেন শিক্ষকরা। মহাপরিচালক আরও বলেন, শিক্ষার্থীর অ্যাসাইনমেন্ট শিক্ষকের কাছে যাবে, তখন শিক্ষক শিক্ষার্থীর দুর্বলতা খুঁজে পাবেন। ওই অ্যাসাইনমেন্টের দুর্বলতা নির্ণয় করে শিক্ষার্থীকে দেওয়া হবে। শিক্ষার্থীরা তখন তাদের দুর্বলতা বুঝতে পারবে। শিক্ষকরা দুর্বলতা বুঝে শিক্ষার্থীকে শেখাতে পারবেন। প্রয়োজনে আবার অ্যাসাইনমেন্ট দিয়ে শিক্ষার্থীকে নির্দিষ্ট পাঠের জন্য সক্ষম করে তুলবেন শিক্ষক।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) সদস্য (শিক্ষাক্রম) প্রফেসর ড. মশিউজ্জামান বলেন, করোনার জন্য যদি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা না যায় তাহলে আগামী তিন মাসের (জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি ও মার্চ) অ্যাসাইনমেন্ট রেডি করবো। এছাড়া অনলাইন ক্লাস তো চলবেই। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা গেলেও অনলাইন ক্লাস চলবে। এ বছরের ঘাটতির জন্য কিছু নির্দেশনা তৈরি করা হয়েছে। এছাড়া আগামী বছর আমদের একটি প্যাকেজ যাবে। নতুন কারিকুলামের কিছু কনটেন্ট যাবে পুরাতন কারিকুলামে। প্রজেক্ট ওয়ার্ক থাকবে শিক্ষার্থীদের জন্য।

জাতীয় বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর