ব্রেকিং:
মুজাক্কির হত্যার প্রতিবাদ তামিমার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার !!! করোনায় ২৪ ঘণ্টায় আরো ৮ মৃত্যু পোশাক খাতে ভিয়েতনামকে পেছনে ফেলল বাংলাদেশ চা উৎপাদনে বৃহত্তর চট্টগ্রামকে ছাড়িয়ে গেছে পঞ্চগড় আলোর ফেরিওয়ালা পলান সরকারের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী আজ আধুনিক পুলিশ মোতায়েন হবে তিন পার্বত্য জেলায় জট খুলেছে ড্রাইভিং লাইসেন্সের ঋণ নিয়ে নয়ছয় করলে কঠোর শাস্তি আঙ্গুলের ছাপ দিয়ে অপরাধী শনাক্তে র‌্যাব এনেছে ওয়াইভিএস বেসরকারি ভবে বন্ধ পাটকল চালুর নীতিতে প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি জেলাপর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয় করে দিচ্ছে সরকার :প্রধানমন্ত্রী ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের দেয়া সুযোগ-সুবিধায় ওআইসি’র সন্তোষ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটির আদেশ জারি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সতর্কতার সঙ্গে কাজ করতে বলেছে সংসদীয় কমিটি আজ থেকে দুই মাস ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ শুরু হলো অগ্নিঝরা মার্চ ২৭ পৌরসভায় আওয়ামী লীগের জয়, বিএনপি একটিতে ৩১ লাখ ছাড়াল দেশে করোনা টিকা গ্রহণকারীর সংখ্যা ই-নামজারি অটোমেশন ও ভূমি উন্নয়ন কর ব্যবস্থাপনা বিষয়ক কর্মশালা
  • মঙ্গলবার   ০২ মার্চ ২০২১ ||

  • ফাল্গুন ১৮ ১৪২৭

  • || ১৭ রজব ১৪৪২

‘প্রিন্স অব বগুড়ার’ নিয়ে অসন্তোষ বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দের মাঝে

নোয়াখালী সমাচার

প্রকাশিত: ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১  

‘প্রিন্স অব বগুড়া’ শিরোনামে তারেক রহমান কর্তৃক জ’ঙ্গিবাদে পৃষ্ঠপোষকতার তথ্য প্রমাণসহ অনুসন্ধানী প্রতিবেদন করার কারণে সিএনএন এবং ডেইলি স্টারে কর্মরত তাসনিম খলিলকে ওয়ান-ইলেভেনে গ্রেপ্তার হয়ে ব্যাপক নির্যা’তনের শি’কার হন তাসনিম খলিল।

সেই বগুড়ার রাজপুত্র তথা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমানের নেতৃত্ব নিয়ে দলের তৃণমূল থেকে কেন্দ্রীয় পর্যায়ের সিংহভাগ নেতাকর্মীদের মাঝে আস্থার সংকট বিরাজ দিয়েছে। অনেকেই তারেকের একক কর্তৃত্বে অতিষ্ঠ হয়ে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন দলীয় কর্মকাণ্ড থেকে। তারা বলছেন, আর কোনদিনই ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না বিএনপি। কারণ একটাই- যোগ্য নেতৃত্বের অভাব।

দায়িত্বশীল সূত্র বলছে, ৩ বছরেরও অধিক সময় ধরে প্রমাণিত দুর্নীতির মামলায় জেলে ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। এই দীর্ঘসময়ে দলীয় চেয়ারপারসনের অবর্তমানে দলের দায়িত্বে রয়েছেন তারেক রহমান। অথচ তিনি সাংগঠনিক দুর্বলতা কাঠিয়ে উঠতে পারেননি।

উপরন্তু নিজের পদ-মনোনয়ন বাণিজ্যের কারণে সৃষ্টি করেছেন বিভক্তি ও গ্রুপিং। যার প্রতিশ্রুতিতে দলের ডাকা কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচিতেই নেতাকর্মীরা একাট্টা হন না। এমনকি তৃণমূল থেকে শুরু থেকে কেন্দ্রীয় অনেক নেতাকর্মীরাই তারেকের নেতৃত্বে আস্থাশীল নন।

 

তবে তারেকের সিদ্ধান্তকে- ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর ভাষায়- ‘ওহি’ মনে করে মেনে চলেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, দলের অপেক্ষাকৃত তরুণ ৩ আইনজীবী, যুবদলের শীর্ষ পর্যায়ের একজন, ঢাকা মহানগর বিএনপির একজন এবং স্থায়ী কমিটির এক সদস্য। মূলত তারাই তারেক ঘনিষ্ঠ।

বিএনপির যে কোনো সিদ্ধান্তের ব্যাপারে তাদের সঙ্গেই শলাপরামর্শ করেন বলে জানা গেছে। তবে দলের একটি বৃহৎ অংশ বলছে, তারেক ঘনিষ্ঠ লোকজন ছাড়া অন্যরা জানেন এবং মানেন- তারেকের নেতৃত্বে বিএনপি আর কখনোই ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না।

১/১১ এর পর উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিএনপি যে সংকটে পড়েছিলো, সেখান থেকে এখনও বের হতে পারেনি দলটি। উপরন্তু রয়েছে সাংগঠনিক সমন্বয়হীনতা ও শক্তিশালী রাজনৈতিক কর্মযজ্ঞ। একইসঙ্গে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি ঘুরে দাঁড়াবে- এমন আশাও ক্রমশই ক্ষীণ হয়ে আসছে তারই হঠকারীতার কারণে।

 

এমতাবস্থায় সংগঠন শক্তিশালী করার জন্য ‘প্রেস রিলিজ’ ও ‌‌’জুম মিটিং’ কমিটি হটানোর পাশাপাশি উচিত সঠিক দিকনির্দেশনা, যা দলকে করবে অগ্রগামী। অথচ সেটাই তারা পাচ্ছেন না বলে আক্ষেপ করলেন দলের একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা।

তারা জানান, এই মুহূর্তে আমাদের আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কোনো বন্ধু নেই। এমনকি চীন ও ভারতের সঙ্গেও আমাদের বৈরী সম্পর্ক। তাই দল এখন কোনো পলিসিতে চলবে, তা তারেক রহমানের ওপর ভর না করেই চলাই শ্রেয় হবে। কারণ তার নেতৃত্বে এতদিন চলেও খালেদা জিয়ার কারামুক্তি করতে পারেননি, পারেননি দলকে পুনর্গঠন করতে। তাই তারেকের প্রতি তাদের আর আস্থা নেই।

এ ব্যাপারে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার বলেন, দলের ঘুরে দাঁড়ানোর পথে অনেকগুলো বাধা রয়েছে। রয়েছে অনেক ভুলও। সেগুলো সহসাই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব নয়। তবে মঈন ইউ আহমদকে সেনাপ্রধান করে ম্যাডাম (খালেদা জিয়া) সবচেয়ে বড় ভুল করে গেছেন। ওইখান থেকেই বের হওয়া যাচ্ছে না। খুব অচিরেই সব কাটিয়ে উঠতে আমরা সোচ্চার।