ব্রেকিং:
দিনাজপুরে দেশের প্রথম লোহার খনি আবিষ্কার শেখ হাসিনা এখন আওয়ামী লীগের চেয়েও বড় নোয়াখালীতে অস্ত্রসহ শীর্ষ জলদস্যু গ্রেফতার সপ্তাহের ব্যবধানে কমলো স্বর্ণের দাম ইবতেদায়ি শিক্ষকদের জন্য আসছে এমপিওভুক্তির সুখবর সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে সব প্রস্তুতি নিয়েছে ইসি: সচিব সাকিব-মাশরাফীদের প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন এখন শুধু শচীন-পন্টিং-সাঙ্গাকারাকে টপকানোর অপেক্ষা ১৫ হাজার কোটি টাকার সম্পূরক বাজেট পাস শেষ ধাপে ২০ উপজেলায় ভোট চলছে বাংলাদেশের সর্বকালের সেরা খেলোয়াড় সাকিব আজ বনভোজন দিবস ব্যাংকে টাকা আছে, লুটে খাওয়ার মতো নেই: প্রধানমন্ত্রী বুয়েট ছাত্রদলের ভিপি ছিলেন বালিশ মাসুদুল হেসে খেলে প্রত্যাশিত জয় টাইগারদের নোয়াখালী সদরে ইভিএমের ক্যাম্পেইন-মাইকিং বিশ্বের সবচেয়ে বড় ব্যাট উন্মোচন আজ উইন্ডিজের বিপক্ষে জয় চান মাশরাফী সমালোচনার মধ্যেও ভদ্রতা থাকতে হয়: তথ্যমন্ত্রী যে কৌশলে আটক হলেন ওসি মোয়াজ্জেম

বুধবার   ১৯ জুন ২০১৯   আষাঢ় ৬ ১৪২৬   ১৫ শাওয়াল ১৪৪০

সর্বশেষ:
তিস্তা চুক্তি ও সীমান্তে হত্যা বন্ধে সহযোগিতার আশ্বাস ভারতের অস্বাভাবিক ক্ষমতাসম্পন্ন শিশুর জন্ম দিলেন কোয়েল মল্লিক! সমৃদ্ধির সোপানে বাংলাদেশের উন্নয়নে কি কি থাকছে প্রস্তাবিত বাজেটে কারাবন্দিদের নাস্তায় যুক্ত হলো উন্নতমানের খাবার যোগ্য সেনা কর্মকর্তাদের পদোন্নতি দিন: প্রধানমন্ত্রী
২৩৭

প্রাথমিকে শিক্ষক উপস্থিতি নিশ্চিতে নতুন পরিকল্পনা

প্রকাশিত: ৯ জুন ২০১৯  

শিক্ষকদের শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চালু করা হচ্ছে 'বায়োমেট্রিক হাজিরা'। যন্ত্রে আঙুলের ছাপের মাধ্যমে শিক্ষকদের হাজিরা নিশ্চিত করা হবে। বিষয়টি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তারা মনিটরিং করবেন। চলতি মাসের মধ্যে বিষয়টি নিশ্চিত করতে দেশের প্রতিটি বিদ্যালয়ে হাজিরা যন্ত্র বসানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দেশে ৬৫ হাজার ৬০১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩ লাখ ২২ হাজার ৭৬৬ জন শিক্ষক রয়েছেন। সবাইকে এই ডিজিটাল হাজিরার আওতায় আনা হচ্ছে। প্রাথমিক শিক্ষকদের সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিদ্যালয়ে বাধ্যতামূলকভাবে উপস্থিত থাকতে হয়।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকরাম আল হোসেন জানান, শিক্ষকদের জবাবদিহির মধ্যে এনে বিদ্যালয়ে শতভাগ পাঠদান নিশ্চিত করতে চাই। সেজন্য এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। স্লিপের (School Level Improvement Plan- বিদ্যালয় পর্যায়ে উন্নয়ন পরিকল্পনা) টাকা থেকে স্কুল কর্তৃপক্ষই হাজিরা যন্ত্র (ডিভাইস) কিনবে। উপজেলা পর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তারা এটি দেখভাল করবেন।


 
তিনি জানান, অনেক উপজেলায় এরই মধ্যে ডিভাইসটি কেনা হয়েছে, অনেক উপজেলায় কেনা হচ্ছে। এটি বসানোর মাধ্যমে নিশ্চিত হবে যে কবে কোন শিক্ষক বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত ছিলেন। কোন শিক্ষক বিলম্বে বিদ্যালয়ে হাজির হন, সেটিও জানা যাবে। সামগ্রিকভাবে প্রাথমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে এ সিদ্ধান্ত ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে।

জানা যায়, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মৌসুমভেদে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বিদ্যালয়ে উপস্থিতি নিয়ে নানা প্রশ্ন ওঠে। হাওর অঞ্চলে ধান কাটার সময় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষক বিদ্যালয়ে গরহাজির থাকেন। আবার পার্বত্য অঞ্চলে জুমচাষের সিজনে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর উপস্থিতি কমে যায় বিদ্যালয়ে। এর বাইরে সামগ্রিকভাবে সারাদেশে অনেক শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা বিদ্যালয়ে এসে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করে চলে যান। অনেকে দপ্তরির মাধ্যমে হাজিরা খাতা বাড়িতে এনে সই করেন। অনেকে আবার দিনের পর দিন বিদ্যালয়ে না গিয়ে ভাড়া করা শিক্ষকদের মাধ্যমে প্রক্সি দিয়ে   ক্লাস করিয়ে থাকেন। এসব অনিয়ম বন্ধ করতেই মূলত বায়োমেট্রিক হাজিরা চালুর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। 

সূত্র জানায়, গত মার্চে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এর পর ২৮ এপ্রিল প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে চিঠি দিয়ে সব জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের তা জানিয়ে দেয়া হয়। অধিদপ্তরের পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মো. এনামুল কাদের খান স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে সব প্রাথমিক বিদ্যালয়কে তাদের স্লিপ ফান্ড থেকে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের মধ্যে এই বায়োমেট্রিক হাজিরা মেশিন কেনার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়। বিদ্যালয়গুলো নিজ নিজ দায়িত্বে এই মেশিন জুনের মধ্যেই কিনবে।

নোয়াখালী সমাচার
নোয়াখালী সমাচার
এই বিভাগের আরো খবর