ব্রেকিং:
দেশে ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ২ হাজার ছাড়ালো, মৃত্যু ১৫ ‘স্বল্প সংখ্যক’ যাত্রী নিয়ে ৩১ মে থেকে চলবে বাস-ট্রেন-লঞ্চ স্বাস্থ্যবিধি মেনে ফ্লাইট চালুর প্রস্তুতি করোনা ও অন্য রোগীদের আলাদা চিকিৎসা দেয়ার নির্দেশ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন শিল্পপ্রতিষ্ঠানসমূহকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে আরও ২ হাজার চিকিৎসক নেওয়ার পরিকল্পনা সংক্রমণ ঝুঁকিমুক্ত বিশেষ চিকিৎসা বুথ তৈরি ছুটি আর বাড়ছে না, ৩১ মে থেকে অফিস শুরু দুর্গম খাসিয়া পুঞ্জিতে প্রধানমন্ত্রীর উপহার শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন শেখ হাসিনা করোনায় সংক্রমিত পৌরসভার পিয়ন ফকির সুবর্ণচরে সরকারি চাল জব্দ, ডিলার পলাতক, ক্রেতার জরিমানা নোয়াখালীতে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৩ জনের মৃত্যু নোয়াখালীতে ডোবায় মিলল ব্যবসায়ীর লাশ হাতিয়া উপকূলে নতুন প্রজাতি আবিষ্কার করলেন নোবিপ্রবি শিক্ষক ফেনীতে মিলে আগুন! লক্ষাধিক টাকা ক্ষতি শুধু যোদ্ধাই নয়, হাতে ওদের নতুন পৃথিবীও করোনার নমুনা সংগ্রহে ‘ভিটিএম কিট’ তৈরি হলো দেশে ২৪ ঘণ্টায় নতুন কোনো ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়নি করোনা জয় করলেন ১১১৯ পুলিশ সদস্য
  • বৃহস্পতিবার   ২৮ মে ২০২০ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১৫ ১৪২৭

  • || ০৫ শাওয়াল ১৪৪১

২৩

প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহারে সবাই খুশি

নোয়াখালী সমাচার

প্রকাশিত: ১৮ মে ২০২০  

উৎসব মানেই প্রধানমন্ত্রীর ‘ঈদ উপহার’। প্রতি বছরের উৎসবগুলোতে ঈদ উপহার দিয়ে দেশবাসীকে চমকে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এবারও দিচ্ছেন, তবে ভিন্ন এক সময়ে। করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে দেশের ৫০ লাখ পরিবারকে দেয়া হচ্ছে আর্থিক সহায়তা। এর মধ্যে আছেন রিক্সা ও ভ্যানচালক, দিনমজুর, কৃষিশ্রমিক, পোল্ট্রি খামারের শ্রমিক, বাস-ট্রাকের পরিবহন শ্রমিকসহ বিভিন্ন পেশার দরিদ্র মানুষ। পরিবার প্রতি আড়াই হাজার টাকা পেয়ে কেউ ছেলেমেয়ের জন্য ঈদের জামা কিনছেন। কেউ করছেন ঈদের বাজার-সদাই। আবার কেউ কেউ এ টাকায় সন্তানদের খাতা-কলম বা দুধ কিনতে পেরে খুশি। একে দুঃসময়ের অবলম্বন হিসেবেই দেখছেন উপহারপ্রাপ্তরা। প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পাচ্ছেন প্রবাসী শ্রমিকরাও। তাদের কল্যাণে আরও ৫০০ কোটি দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া দেশের সব মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিনরা পাবেন নগদ আর্থিক সহায়তা। করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ৫০ লাখ পরিবারকে যে আর্থিক সহায়তা দেয়া হচ্ছে গত ১৪ মে সে কার্যক্রম উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ১ হাজার ২৫০ কোটি টাকা। নিজ কার্যালয়ে ওই অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা বলেন, ‘তালিকাটা করার সময় বার বার বলেছি, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর সুবিধাভোগীদের বাইরের ৫০ লাখ পরিবারকেই তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। সেই তালিকা ধরেই মোবাইলের মাধ্যমে সরাসরি তাদের হাতে পৌঁছে যাবে উপহার।’ এরপর প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক দেশের বিভিন্ন স্থানে উপকারভোগীদের কাছে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে নগদ অর্থ পাঠানো হয়। তাদেরই একজন গোপালগঞ্জ শহরের মান্দারতলা এলাকার জোসনা বেগম। আয় বলতে দর্জির কাজ। করোনায় সেটিও বন্ধ। জোসনা বেগম বলেন, কাজকর্ম নেই। সামনে ঈদ কিন্তু হাতে টাকাও নেই। চিন্তায় ছিলাম কীভাবে সংসার চলবে। কিন্তু সকাল ১০টার দিকে মোবাইল ফোনের ম্যাসেজ টোন বেজে ওঠে। ম্যাসেজটি খুলে দেখি ২৫০০ টাকার একটা ম্যাসেজ এসেছে। তাতে লেখা রয়েছে- ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার ‘নগদের’ মাধ্যমে পেয়েছেন। এই বিপদের মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী আমাকে যে উপহার পাঠিয়েছেন তার জন্য আমি খুব খুশি। নামাজ পড়ে আল্লাহর কাছে তার জন্য দোয়া করব।’ শুধু জোসনা বেগম নয়, সরকারের এই টাকা পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার গোবরা মালোপাড়া গ্রামের প্রশান্ত বিশ্বাস, একই উপজেলার বলাকৈড় গ্রামের গার্মেন্টস শ্রমিক লাভলী বেগমসহ কয়েকজন নিম্ন আয়ের মানুষ। তারা বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আমাদের যে উপকার করলেন তা ভোলার নয়। করোনার সময় আয় রোজগার নেই। ছেলে-মেয়ে নিয়ে সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছি। ঠিক সেই সময় প্রধানমন্ত্রী আমাদের উপহার হিসেবে অনুদান পাঠিয়েছেন। তাও আবার মোবাইলের মাধ্যমে। যখন খুশি তখন উঠাতে পারব। প্রয়োজন মতো জিনিসপত্র কিনতে পারব। আমরা প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।’

সাভারের পরিবহন শ্রমিক কামাল হোসেনের আয় বেশ কিছু দিন ধরে বন্ধ। কিন্তু ঈদে আর কিছু না হোক দুই সন্তানের জন্য নতুন জামা কিনতে হবে। একটু ভাল খাবারের ব্যবস্থাও করা দরকার। মোবাইল ফোনে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার আড়াই হাজার টাকা পৌঁছে গেছে তার এ্যাকাউন্টে। এতে কমেছে দুশ্চিন্তা। তিনি বলেন, আমাদের মতো যারা দরিদ্র, এ মুহূর্তে এই টাকা তাদের কাছে অনেক কিছু। নওগাঁর রানী আক্তারও পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার। রিক্সাচালক স্বামীর কাজ বন্ধ তাই ঈদ তো পরের কথা সংসারের প্রতিদিনের খরচ চালানেই যখন কঠিন হয়ে পড়েছিল, তখন এ টাকাই তাদের স্বস্তির কারণ। তিনি বলেন, করোনা আসার পর থেকে আমাদের কোন কাজ-কর্ম নেই। এ টাকা দিয়েই আমাদের বাচ্চাদের দুধ কিনছি, চাল-ডাল কিনছি; বাচ্চাদের খাতা-কলম কিনছি। একই ধরনের কথা বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এক উপকারভোগীও। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাদের যে সহযোগিতা করেছেন তার জন্য ওনার কাছে আমরা কৃতজ্ঞ। নীলফামারীর বাবুপাড়ার উপকারভোগী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর টাকা পাওয়ার পরই মনের মধ্যে এক অন্য ধরনের খুশি জাগল। টাকা পাওয়ার পরই তা দিয়ে আমি বাজার করেছি। বরিশালের বাকেরগঞ্জের এক নারী বলেন, শেখ হাসিনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। ঈদের আগে তিনি আমাদের টাকা দিয়েছেন। আমরা এতে অনেক উপকৃত হয়েছি।

রাজবাড়ীর পাংশার এক ব্যক্তি বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতা পেয়েছি। সেই টাকা দিয়ে সংসারের বাজার করেছি। এজন্য আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানাই। তিনি যেন সারাজীবন দেশের খেদমত করার সুযোগ পান। বগুড়ার এক উপকারভোগী বলেন, আমরা কোন দল করি না। এ করোনা সঙ্কটের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী যে সাহায্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছেন তাতে আমরা খুবই উপকৃত হয়েছি। মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে যে টাকাগুলো পেয়েছি তাতে আমাদের খুবই উপকার হয়েছে। বরগুনার পাথরঘাটার এক ইমাম বলেন, এ টাকাটা পাওয়াতে আমি প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই। অতীতে কোন সরকার এভাবে সহযোগিতা করেনি। মানিকগঞ্জের এক বস্তিতে বসবাসকারী নারী উপকারভোগী কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমরা গরিব মানুষ। আমরা বস্তিতে বাস করি। আমাদের খাওয়া দাওয়ায় খুব কষ্ট। যে টাকাটা আমাদের দেয়া হয়েছে, এতে খুব উপকার হয়েছে। আপনাকে (প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) আল্লাহ ভাল রাখুন।

এ বিষয়ে ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যাপকভাবে সরকারী ত্রাণ কার্যক্রম শুরু হয়। এর একপর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী উপলব্ধি করেন কিছু শ্রেণী পেশার মানুষ আছে, যারা ত্রাণের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয় কিন্তু তাদের কিছু সহযোগিতা দরকার। পেশাগত কাজ বন্ধ থাকার কারণে তারা আর্থিক অনটনের মধ্যে রয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী একটি তালিকা করে তাদের এ্যাকাউন্টে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করবেন। তিনি আরও বলেন, ত্রাণ মন্ত্রণালয় ও আইসিটি ডিভিশনের এক যৌথসভায় সিদ্ধান্ত হয়, একটা সফটওয়্যার তৈরি করা হবে এবং খুব অল্প সময়ের মধ্যে আইসিটি ডিভিশনের কিছু প্রোগ্রামার এটা তৈরি করেন। এ সফটওয়্যারে আমাদের ডাটাগুলো আপলোড করা শুরু হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে তারা ডাটাগুলোকে ভেলিডেট করে শুদ্ধ ডাটাকে ফিন্যান্স ডিভিশনে পাঠায়। তারা এ ডাটাগুলো পাঠায় বাংলাদেশ ব্যাংকে। বাংলাদেশ ব্যাংক ইএফপির মাধ্যমে প্রত্যেকটা মানুষের মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে টাকাটা পাঠায়। তিনি আরও বলেন, আমাদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে সময়। যে কোনভাবে ঈদের আগেই মানুষের হাতে পৌঁছাতে হবে। সময় আছে কম, কাজ অনেক বেশি। কিন্তু সবাই নিবিড় ও নিবেদিতভাবে কাজটা করছেন। ফলে আমরা আশাবাদী ঈদের আগেই প্রতিটি পরিবারকে এ টাকাটা পৌঁছে দিতে পারব। আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক সেলিম মাহমুদ বলেন, বাংলাদশের ইতিহাসে এই প্রথম কোন সরকার প্রধান ৫০ লাখ পরিবারকে নগদ আড়াই হাজার টাকা করে ঈদ উপহার হিসেবে ১২৫০ কোটি টাকা দিচ্ছেন। এটি একটি ইতিহাস। প্রতি পরিবারে ন্যূনতম চারজন সদস্য ধরলে দেশে মোট উপকারভোগী মানুষের সংখ্যা দুই কোটি। আর প্রতি পরিবারে সদস্য পাঁচজন ধরলে মোট উপকারভোগী মানুষের সংখ্যা আড়াই কোটি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার এই নগদ সহায়তা পেয়ে খুশি তৃণমূলের সাধারণ মানুষ।

প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে জানানো হয়, ‘ঈদ উপহার’ হিসেবে এই নগদ সহায়তা দিতে জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সদস্য, শিক্ষক এবং সমাজের ‘গণ্যমান্য ব্যক্তিদের’ সমন্বয়ে গঠিত কমিটি ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করেছে। রিক্সাচালক, ভ্যানচালক, দিনমজুর, নির্মাণ শ্রমিক, কৃষি শ্রমিক, দোকান কর্মচারী, ব্যক্তি উদ্যোগে পরিচালিত বিভিন্ন ব্যবসায় কর্মরত শ্রমিক, পোল্ট্রি খামারের শ্রমিক, পরিবহন শ্রমিক ও হকারসহ নিম্ন আয়ের নানা পেশার মানুষের নাম এসেছে এই তালিকায়। তালিকাভুক্তদের কাছে নগদ, বিকাশ, রকেট ও শিওরক্যাশের মাধ্যমে সরাসরি চলে যাবে এই টাকা, ফলে বাড়তি কোন ঝামেলা পোহাতে হবে না তাদের। টাকা পাঠানোর খরচও সরকার বহন করবে। ওই টাকা ক্যাশআউট করতে সুবিধাভোগীদের কোন খরচ দিতে হবে না। ৫০ লাখ পরিবারের মধ্যে ১৭ লাখ পরিবারের কাছে টাকা পৌঁছে দিচ্ছে ডাক বিভাগের মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ‘নগদ’। নগদের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর এ মিশুক বলেন, ‘এটা তো আসলে ‘প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার’; সে কারণে ঈদের আগেই সবাই যেন টাকা পায় সে ব্যবস্থা করতে সরকারের পক্ষ থেকে আমাদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। আমরা সাত দিনের মধ্যে সব টাকা পৌঁছে দেব। অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে আমাদের যে তালিকা দেয়া হয়েছে সেই তালিকা অনুযায়ী এমএফএস এ্যাকাউন্ট খুলে আমরা সুবিধাভোগীদের হাতে টাকা তুলে দিচ্ছি।’

৫০ লাখ পরিবারের মধ্যে ১৫ লাখ পরিবারের কাছে টাকা পৌঁছে দেবে দেশের সবচেয়ে বড় মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বিকাশ। বিকাশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কামাল কাদীর বলেন, ‘বিকাশের মাধ্যমে ১৫ লাখ দুস্থ পরিবারের কাছে সরকারী এই অর্থ সহায়তা পৌঁছে যাচ্ছে ঈদের আগেই। রমজান ও ঈদের সময় এই অর্থ সাহায্য কিছুটা হলেও স্বস্তি দেবে এবং জরুরী প্রয়োজনে কাজে আসবে। আমাদের বিশ্বাস, কোন রকম ঝামেলা ছাড়াই বাড়তি কোন খরচ না করে প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক সহায়তা পাওয়া উপকারভোগীরাও বাড়ির কাছের বিকাশ এজেন্টের কাছ থেকে খুব সহজে ক্যাশআউট সেবা নিতে পারবেন।’ অপর দুই মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান রকেটের মাধ্যমে ১০ লাখ এবং শিওরক্যাশের মাধ্যমে ৮ লাখ পরিবারের কাছে চলে ‘প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার’।

করোনার কারণে প্রবাসী শ্রমিকদের আয় কমে গেছে। অনেকে চাকরি হারাচ্ছেন। অনেকে দেশেও ফিরে আসছেন। প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রবাসীরা দেশে ফিরতে চাইলে ফিরে আসবে। কিন্তু তাদের যাতে বাড়ি-ঘর বিক্রি করতে না হয়, তারা যাতে দেশে ফিরে কিছু করে খেতে পারে আমরা তার ব্যবস্থা করব। এ লক্ষ্যে প্রবাসীদের কল্যাণে আরও ৫০০ কোটি টাকা দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগে ৪০০ কোটি টাকা তহবিল ছিল। এতে আরও ৫০০ কোটি টাকা যোগ করা হয়েছে।

ঈদ সামনে রেখে দেশের সব মসজিদের ইমাম-মোয়াজ্জিনের ‘ঈদ উপহার’ হিসেবে আর্থিক সহায়তা করবেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, এভাবে দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রতিটি মানুষই যেন কোন না কোনভাবে সহায়তা পান, সেটি নিশ্চিত করতে চান তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনার কারণে মসজিদগুলো ঠিকভাবে চলছে না। রোজার মাসে আমাদের মসজিদগুলোতে অনেক মানুষ আসেন। অনেক টাকা-পয়সাও ইনকাম হয়। কিন্তু এবার সে সুযোগ হচ্ছে না। আমরা এ বিষয়ে খবর রাখি। তবে মসজিদ কমিটিতে যারা আছেন, বিত্তশালী যারা আছেন, তারাও সহায়তা করছেন। তারপরও আমি ইমাম ও মোয়াজ্জিনদের জন্য কিছু করার কথা ভেবেছি। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের ইমাম-মোয়াজ্জিনদের তালিকা আমাদের কাছে আছে। এই রোজার মাসে মসজিদ-মাদ্রাসা বন্ধ থাকায় তারা অসুবিধায় আছেন। তাই ঈদের আগে আমরা তাদের সহায়তা পৌঁছে দেব।

জাতীয় বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর