ব্রেকিং:
নোয়াখালীতে ঢাবির সাবেক শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা নোয়াখালী সদরে মণপ্রতি ১০৪০ টাকা দরে ধান কেনা শুরু গোপনে শেয়ার বিক্রি, তালিকা করবে ডিএসই ঈদকে ঘিরে নতুন টাকা বিনিময় শুরু যদিও চ্যালেঞ্জিং,তবু পারবে বাংলাদেশ গতি বেড়েছে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সুন্দরবনে বেড়েছে বাঘের সংখ্যা জার্মানি পৌঁছেছেন রাষ্ট্রপতি ফের শীর্ষ অলরাউন্ডার সাকিব! ধানক্ষেতে আগুনের ঘটনা খতিয়ে দেখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর চাল আমদানি কমাতে শুল্ক বাড়ল দ্বিগুণ স্থগিত ৫ উপজেলায় ভোট ১৮ জুন থেমে গেল খা‌লিদ হো‌সেনের সুর সাধনা নিজের ‘দ্বিতীয় বাবা’ শাহরুখ, জানালেন অভিনেত্রী নিজেই! আর্জেন্টিনার কোপা আমেরিকার দল ঘোষণা জঙ্গিবাদ মোকাবিলায় সক্ষম হয়েছি: প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব কোরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের সংবর্ধনা জানাবে ছাত্রলীগ গণতন্ত্র বিকাশে গণমাধ্যম কার্যকর ভূমিকা রাখছে: স্পিকার দেশে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদনের রেকর্ড ‘জাল’ প্রতিরোধে ১০০০ টাকার নতুন নোট

শুক্রবার   ২৪ মে ২০১৯   জ্যৈষ্ঠ ৯ ১৪২৬   ১৯ রমজান ১৪৪০

সর্বশেষ:
আন্ত-অভিযানে স্থলবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি মোদি ম্যাজিকে বাজিমাত বিজেপির সঙ্গীতশিল্পী খালিদ হোসেনের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক ১৬ জনকে আসামি করে নুসরাত হত্যাকাণ্ডের অভিযোগপত্র প্রস্তুত অনলাইনে পণ্য বিক্রির নামে প্রতারণা চক্রের সাত সদস্য আটক পাঁচ বছরের মধ্যে দেশে শতভাগ ইন্টারনেট: পলক

পৃথিবীর সুন্দরতম নীল মসজিদ

প্রকাশিত: ১৪ মে ২০১৯  

সুলতান আহমেদ মসজিদ ইস্তানবুলের একটি ঐতিহাসিক মসজিদ যেটি ব্লু মসজিদ নামে পরিচিত। মসজিদটির ভেতরের দেয়াল নীল রং এর টাইলস দিয়ে সুসজ্জিত বলে এই মসজিদটি ব্লু মস্ক বা নীল মসজিদ নামে পরিচিত। মসজিদটি ১৬০৯ থেকে ১৬১৬ সালের মধ্যে উসমানীয় সাম্রাজ্যের সুলতান আহমেদ বখতি নির্মাণ করেন।
মসজিদের মুসল্লি ধারণ ক্ষমতা ১০ হাজার। দৈর্ঘ্য ২৪০ ফুট, প্রস্থ ২১৩ ফুট, প্রধান গম্বুজের উচ্চতা ১৪১ ফুট। মিনারের উচ্চতা ২১০ ফুট।

এ ছাড়া দিনের বেলায় শত শত রঙিন কাচের জানালা আর রাতে মসজিদের প্রধান পাঁচটি গম্বুজসহ মোট ১৩টি গম্বুজ ও ছয়টি মিনার থেকে নীল আলোর বিচ্ছুরণে তৈরি হয় মোহময় পরিবেশ।
 
১৬০৯ থেকে ১৬১৬ সালের মধ্যে প্রথম আহমেদের শাসনামলে মসজিদটির নির্মাণ হয়। ৪০০ বছর পরও তুরস্কের ব্লু  মসজিদ আজো পৃথিবীর সুন্দর মসজিদের স্থানে গৌরবের সঙ্গে দাড়িঁয়ে আছে। 

মসজিদটির ঐহিহাসিক গুরুত্ব, ধাপে ধাপে (কাসকেডিং) সাজানো গম্বুজ, ছয়টি মিনার, বিশাল সাহান, উচ্চ মূল্যবান সিলিং, অনেক দূর থেকেও দৃশ্যমান হওয়া, গাছাগাছালি ঘেরা এর চারপাশের বিশাল খোলামেলা পরিবেশ, পার্র্ক সাজানো সড়ক, বাড়িঘর, নীল জলাধাররের ফোয়ারা, মসজিদের অভ্যন্তরীণ হাতের কাজ সব মিলিয়ে ইংরেজিতে প্লেস অব ম্যাজিক অ্যান্ড ওয়ান্ডার হিসেবে পরিচিত এ মসজিদ। 

বাইজানটাইন শাসকদের প্রাসাদের পাশে হাজিয়া সোফিয়া মসজিদের সামনে অবস্থিত ব্লু  মসজিদ। এক সময় এলাকাটি বাইজানটাইন শাসকদের রাজপ্রাসাদ ছিল। 
 
দেয়াল, গম্বুজ, সিলিং, খুঁটির বাহারি কারুকাজ, মোহনীয় রঙের ব্যবহার, মসজিদের বিশালত্ব, পুরনো দিনের বিশালকায় দেয়াল, সাহানের মাঝে ঝর্ণা, রঙিন কাচের ২০০ জানালা, মসজিদের উপরিভাগে হাতে করা কারুকাজের ২০ হাজার সিরামিক টাইলস, কুরআনের আয়াতের ক্যালিগ্রাফি, স্থাপত্য বৈশিষ্ট্য, প্রভৃতি যেমন এ মসজিদের সৌন্দর্যের উৎস তেমনি একে বিশেষত্ব দান করেছে এর বাইরের পরিবেশ। মারমারা সাগরের নীল জলরাশির পাশে এর অবস্থানও মসজিদটির ব্লু  বা নীল নামের সার্থকতা বহন করছে। 

দীর্ঘকাল ধরে তুরস্কের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে এ মসজিদ। মুসলমান ছাড়াও বিভিন্ন ধর্মের হাজার হাজার লোকজন প্রতিদিন এ মসজিদ দেখতে আসেন। তুরস্কে সফরে গিয়ে এ মসজিদ না দেখে ফিরেছেন এমন লোক সম্ভবত খুব কম। 

নোয়াখালী সমাচার
নোয়াখালী সমাচার