ব্রেকিং:
দেশে ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ২ হাজার ছাড়ালো, মৃত্যু ১৫ ‘স্বল্প সংখ্যক’ যাত্রী নিয়ে ৩১ মে থেকে চলবে বাস-ট্রেন-লঞ্চ স্বাস্থ্যবিধি মেনে ফ্লাইট চালুর প্রস্তুতি করোনা ও অন্য রোগীদের আলাদা চিকিৎসা দেয়ার নির্দেশ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন শিল্পপ্রতিষ্ঠানসমূহকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে আরও ২ হাজার চিকিৎসক নেওয়ার পরিকল্পনা সংক্রমণ ঝুঁকিমুক্ত বিশেষ চিকিৎসা বুথ তৈরি ছুটি আর বাড়ছে না, ৩১ মে থেকে অফিস শুরু দুর্গম খাসিয়া পুঞ্জিতে প্রধানমন্ত্রীর উপহার শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন শেখ হাসিনা করোনায় সংক্রমিত পৌরসভার পিয়ন ফকির সুবর্ণচরে সরকারি চাল জব্দ, ডিলার পলাতক, ক্রেতার জরিমানা নোয়াখালীতে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৩ জনের মৃত্যু নোয়াখালীতে ডোবায় মিলল ব্যবসায়ীর লাশ হাতিয়া উপকূলে নতুন প্রজাতি আবিষ্কার করলেন নোবিপ্রবি শিক্ষক ফেনীতে মিলে আগুন! লক্ষাধিক টাকা ক্ষতি শুধু যোদ্ধাই নয়, হাতে ওদের নতুন পৃথিবীও করোনার নমুনা সংগ্রহে ‘ভিটিএম কিট’ তৈরি হলো দেশে ২৪ ঘণ্টায় নতুন কোনো ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়নি করোনা জয় করলেন ১১১৯ পুলিশ সদস্য
  • বৃহস্পতিবার   ২৮ মে ২০২০ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১৫ ১৪২৭

  • || ০৫ শাওয়াল ১৪৪১

২৭৭

পৃথিবীর সবচেয়ে ‘ছোট’ মসজিদ কোথায় জানেন ? জেনে নিন

নোয়াখালী সমাচার

প্রকাশিত: ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

পরিত্যক্ত একটি মসজিদ। ওপরে মাত্র একটি গম্বুজ। আছে ছোট আকৃতির একটি দরজা। ভেতরে মাত্র তিনজন মানুষের নামাজ পড়ার জায়গা আছে। পৃথিবীর অন্য কোনো দেশে এরচেয়ে ছোট মসজিদের অস্তিত্ব সম্পর্কে জানা যায়নি। তাই অনেকের মতে এটিই বিশ্বের সবচেয়ে ছোট মসজিদ।

বগুড়ার সান্তাহার থেকে ৩ কিলোমিটার ভেতরে তারাপুর একটি গ্রাম। এই গ্রামের দক্ষিণ পাড়ায় এখনো কালের সাক্ষী হয়ে আছে এই মসজিদটি। লম্বায় এই মসজিদের উচ্চতা ১৫ ফুট আর প্রস্থ ৮ ফুট, দৈর্ঘ্য ৮ ফুট। এর দরজার উচ্চতা ৪ ফুট আর চওড়া দেড় ফুট। একজন মানুষ অনায়াসে সেখানে ঢুকতে বা বের হতে পারেন। একটি গুম্বুজ আছে, যেটা অনেকটাই উঁচুতে।

‘নামহীন’ এই মসজিদটির দেয়ালের পুরুত্ব দেড় ফুট। তবে যে ইটগুলো মসজিদের দেয়ালে ব্যবহার করা হয়েছে সেগুলো অর্ধেক ভাঙা (এই ইটকে গ্রামে অধলা ইট বলে)। মসজিদের দরজায় দুটি রাজকীয় নিদের্শনার আদলে নির্মিত খিলান রয়েছে। এই মসজিদ নির্মাণ নিয়ে বেশ কয়েকটি মত প্রচলিত রয়েছে। এরমধ্যে একটি ঘটনা সবচেয়ে প্রচলিত।

 

মসজিদের ভেতরের অংশ

মসজিদের ভেতরের অংশ

জানা যায়, সান্তাহারের ছাতিয়ানে ছিল রানি ভবানীর বাবার বাড়ি। আর সান্তাহারের আশেপাশেসহ তারাপুরও রানি ভবানীর বাবার রাজত্ব ছিল। তারই অংশ হিসেবে রানি ভবানীর আসা-যাওয়া ছিল এই গ্রামে। একজন মুসলমান মহিলা এই গ্রামে ছিলেন, যিনি পরহেজগার। হিন্দু অধ্যুষিত এলাকা হওয়ার কারণে ওই মহিলার নামাজ পড়ায় অনেক অসুবিধা হতো। রানি ভবানী এমন কথা জানতে পেরে তিনি নিজেই এই গ্রামে চলে আসেন আর সেই মহিলাকে যেন কেউ তার নামাজে অসুবিধা না করতে পারে সেজন্য পেয়াদাদের হুকুম দেন রাজকীয় নকশায় একটি মসজিদ তৈরি করে দেয়ার।

এলাকাবাসীরা জানায়, প্রায় দেড়শ’ বছর আগে এখানে নামাজ পড়া হতো। কে বা কারা, কেন এই মসজিদ নির্মাণ করেছেন এ নিয়ে গ্রামবাসীর মধ্যে অনেক মতবিরোধ আছে। তারা ছোটবেলা থেকে দেখে এসেছেন এই মসজিদ এভাবে, একই অবস্থায় আছে। কেউ কেউ এখানে মানতও করে।

সারাবাংলা বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর