ব্রেকিং:
করোনা মোকাবিলায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ১৮ দফা নির্দেশনা এস.এস.সি-২০২০ এর ফলাফলে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অভাবনীয় সাফল্য দেশে একদিনে সর্বোচ্চ করোনা রোগী শনাক্ত ও মৃত্যু কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে পাসে এগিয়ে ফেনী, জিপিএ-৫ এ কুমিল্লা কুমিল্লা বোর্ডে জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে সেরা পাঁচ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কুমিল্লা বোর্ডে এসএসসিতে পাশের হার ৮৫.২২ ভাগ, বেড়েছে জিপিএ-৫ কুমিল্লা বোর্ডে পাশের হারে ছেলেরা এগিয়ে , জিপিএ ৫-এ মেয়েরা স্বাস্থ্যবিধি মানাতে মাঠে থাকছে ভ্রাম্যমাণ আদালত করোনা রোধে জনপ্রতিনিধিদের আরও যুক্ত করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মুজিববর্ষ উপলক্ষে জাতিসংঘের স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত দোকান খালে হেলে পড়েছে চাটখিলে সৌদি কারাগারে বন্দি শিশুসন্তানসহ নোয়াখালীর মেয়ে জেসমিন কোম্পানীগঞ্জে কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতির ওপর হামলা পরকীয়ায় বাধা দেয়ায় শিশু সন্তানসহ গৃহবধূকে হত্যা নোয়াখালীতে একদিনে রেকর্ড আক্রান্ত ফেনীতে বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবাষির্কী উপলক্ষে জাতিসংঘের স্মারক ডাকটিকিট ‘সেনাবাহিনী দোকান ঘর তুলে না দিলে পথে বসতে হতো’ দেশে ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ১৭৬৪, মৃত্যু ২৮ উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে বিপর্যয় ঠেকানোর উদ্যোগ
  • রোববার   ৩১ মে ২০২০ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১৭ ১৪২৭

  • || ০৭ শাওয়াল ১৪৪১

১৩৬

পঞ্চাশ বছরে নোয়াখালীর আয়তন বেড়েছে ৭৩ কিলোমিটার

নোয়াখালী সমাচার

প্রকাশিত: ১৮ মার্চ ২০২০  

নোয়াখালীর ভৌগলিক অবস্থানের কারণে এর আয়তন বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত কয়েক যুগ ধরেই এই আয়তন বাড়ছে। নোয়াখালী জেলায় গত পঞ্চাশ বছরে ৭৩ কিলোমিটার (২8 বর্গ মাইল) বেশি জমি জেগে উঠেছে নদীগর্ভ থেকে। মেঘনা মোহনায় পলিমাটি জমা হয়ে পলিমাটির  যে চর গুলো জেগে উঠেছে সেগুলোর পরিমাণ ৭৩ কিঃমি। ধীরে ধীরে এটি আরো বাড়ছে।

নোয়াখালীর ভৌগলিক অবস্থান যদি বিবেচনা করি তাহলে এর উত্তর দিকে রয়েছে কুমিল্লা জেলা, দক্ষিণে রয়েছে মেঘনার মোহনা আর বঙ্গোপোসাগর। এই জেলার পূর্বে রয়েছে ফেনী ও চট্টগ্রাম জেলা আর পশ্চিমে লক্ষ্মীপুর ও ভোলা জেলা। যদিও পূর্বে ফেনী, নোয়াখালী আর লক্ষ্মীপুর নিয়ে একটিই জেলা ছিল। কিন্তু প্রশাসনিক কাজের অগ্রগতির লক্ষ্যে এটিকে তিনটি জেলায় রূপান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে ফেনী ও লক্ষ্মীপুর  আলাদা জেলা হিসেবে বিবেচিত হলেও তাদের নোয়াখালীর সাথে রয়েছে আত্মার সর্ম্পক। তাদের আচরণ -ব্যবহার ও ভাষাগত বৈশিষ্ট্য একই রকম।

নোয়াখালী জেলার আয়তন ৪২০২ বর্গ কিঃমি বা ১৬২২ বর্গমাইল। এটি সমতল ভূমি ও উপকূলীয় অঞ্চল নিয়ে গঠিত।মেঘনা নদীর মোহনা জোয়ারের প্রভাবে এটি নতুন ভূমি সৃষ্টি করছে। নোয়াখালী অঞ্চলটি জোয়ার ভাটা দ্বারা প্রভাবিত হয়। বিশেষ করে উপকূলীয় অঞ্চরৈ প্রায়ই জোয়ার ভাটার প্রভাব বিস্তার করে থাকে। তবে ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে এর জোয়ার ভাটারও এর কম বেশী হয়।বর্ষাকালে জোয়ার সবচেয়ে বেশী থাকে।

নোয়াখালীর তিনদিকে একটি বিরাট আকারের সমভূমি তৈরি হচ্ছে।মেঘনা নদীর মোহনায় দীর্ঘকাল ধরে  নদীর পলি জমা হয়ে পললভূমির মাটি গঠিত হচ্ছে। হিমালয় থেকে নেমে আসা তীব্র স্রোত উর্বর পলি বহন করে নিয়ে আসে ।যখন এটি বঙ্গোপসাগর পৌঁছায় তখন উপকূল বরাবর দ্রবীভূত হওয়ায় ধীরে ধীরে নতুন ভূমি তৈরি হয় যেগুলোকে আমরা “চর” নাম দিয়ে থাকি। যেহেতু এটি মেঘনার মোহনায় অবস্থিত তাই প্রতিনিয়নত পলি মাটির কারণে এর উর্বরতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।ফলে এইগুলো চাষাবাদের জন্য বেশ উপযোগী হয়।

নোয়াখালীর জলবায়ু হলো গ্রীষ্মমন্ডলীয় জলবায়ু। বছরের বেশিরভাগ সময়ে এখানে উল্লেখযোগ্য হারে বৃষ্টিপাত হয়। নোয়াখালীতে গড় গড় তাপমাত্রা ২৫.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং গড় বার্ষিক বৃষ্টিপাত প্রায় ৩৩০২ মিলি মিটার বা ১৩০ ইঞ্চি।

এই অঞ্চলের মে মাসে সবচেয়ে বেশী উষ্ণতা থাকে।তখন তাপমাত্রা গড়ে ৪৫.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকে। আর জানুয়ারি মাস হলো সবচেয়ে বেশী শীতের সময়, তখন গড় তাপমাত্রা ১৯.৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস হয়। এখন পর্যন্ত জুলাই মাসেই বৃষ্টিপাতের সর্বোচ্চ গড় ৬৭১ মিমি ছিল।

নগর জুড়ে বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর