ব্রেকিং:
দেশে ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ২ হাজার ছাড়ালো, মৃত্যু ১৫ ‘স্বল্প সংখ্যক’ যাত্রী নিয়ে ৩১ মে থেকে চলবে বাস-ট্রেন-লঞ্চ স্বাস্থ্যবিধি মেনে ফ্লাইট চালুর প্রস্তুতি করোনা ও অন্য রোগীদের আলাদা চিকিৎসা দেয়ার নির্দেশ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন শিল্পপ্রতিষ্ঠানসমূহকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে আরও ২ হাজার চিকিৎসক নেওয়ার পরিকল্পনা সংক্রমণ ঝুঁকিমুক্ত বিশেষ চিকিৎসা বুথ তৈরি ছুটি আর বাড়ছে না, ৩১ মে থেকে অফিস শুরু দুর্গম খাসিয়া পুঞ্জিতে প্রধানমন্ত্রীর উপহার শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন শেখ হাসিনা করোনায় সংক্রমিত পৌরসভার পিয়ন ফকির সুবর্ণচরে সরকারি চাল জব্দ, ডিলার পলাতক, ক্রেতার জরিমানা নোয়াখালীতে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৩ জনের মৃত্যু নোয়াখালীতে ডোবায় মিলল ব্যবসায়ীর লাশ হাতিয়া উপকূলে নতুন প্রজাতি আবিষ্কার করলেন নোবিপ্রবি শিক্ষক ফেনীতে মিলে আগুন! লক্ষাধিক টাকা ক্ষতি শুধু যোদ্ধাই নয়, হাতে ওদের নতুন পৃথিবীও করোনার নমুনা সংগ্রহে ‘ভিটিএম কিট’ তৈরি হলো দেশে ২৪ ঘণ্টায় নতুন কোনো ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়নি করোনা জয় করলেন ১১১৯ পুলিশ সদস্য
  • বৃহস্পতিবার   ২৮ মে ২০২০ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১৫ ১৪২৭

  • || ০৫ শাওয়াল ১৪৪১

২৫৯

নোয়াখালীতে ফণীর আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ৪৮ পরিবারকে নতুন ঘর প্রদান

নোয়াখালী সমাচার

প্রকাশিত: ৬ জুন ২০১৯  

নোয়াখালী সদর, সুবর্ণচর ও কোম্পানীগঞ্জে ঘূর্ণিঝড় ফণীর আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত সদর উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নে ৪৮ পরিবারকে নতুন ঘর তৈরি করে দিয়েছে সরকার।  ঘূর্ণিঝড়ে এ উপজেলায় ৩৫৬টি পরিবারের ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বুধবার (৬ জুন) দুপুরে নোয়াখালী-৪ (সদর ও সুবর্ণচর) আসনের সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরী ক্ষতিগ্রস্তদের ঘরগুলো বুঝিয়ে দেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন– নোয়াখালীর জেলা প্রসাশক তন্ময় দাস, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক একেএম সামছুদ্দিন জেহান, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আরিফুল ইসলাম সরদার ও ধর্মপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সিদ্দিকুর রহমান সাবু প্রমুখ।
এ সময় একরামুল করিম চৌধুরী বলেন, ‘সম্প্রতি ঘূর্ণিঝড় ফণীর আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে ঘর করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি আমরা দিয়েছিলাম এবং আমরা তা রেখেছি। তারা মানসম্মত নতুন ঘর পেয়েছে। এছাড়া সরকারের পক্ষ থেকে অন্যান্য সব সুবিধা ক্ষতিগ্রস্তদের দেওয়া হবে।’
জেলা প্রশাসক তন্ময় দাস বলেন, আজ সদর উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নে ৪৮ পরিবারকে নতুন ঘর বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগামী ২০ জুনের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত বাকি পরিবারকে ঘরগুলো বুঝিয়ে দেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, গত ৩ মে রাতে ঘূর্ণিঝড় ‘ফণি’র আঘাতে নোয়াখালীর সদর, সুবর্ণচর ও কোম্পানীগঞ্জে ৩৫৬ টি পরিবারের ঘর সম্পূর্ণরুপে বিধ্বস্ত হয়। এর মধ্যে সদরে ১২১, সুবর্ণচরে ২২৮ এবং কোম্পানীগঞ্জে ১৭ টি ঘর বিধ্বস্ত হয়। এরপর ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলোর ঘর নির্মাণের দায়িত্ব নেয় সরকার।

নোয়াখালী বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর