ব্রেকিং:
`বেসরকারি স্বাস্থ্য খাত এগিয়ে নিতে নিয়ম সহজিকরণ দাবী ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে ৪ মহিলাকে কারাদন্ড নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের চূড়ান্ত অনুমোদন মেঘনায় জেলেদের হামলায় ১০ নৌ-পুলিশ আহত বিরল দৃষ্টান্ত, পুলিশের হাতে সন্তানকে তুলে দিলেন মা দেশে একদিনে আক্রান্ত এক হাজারের বেশি, মৃত্যু বেড়েছে ‘নো মাস্ক নো সার্ভিস’ নীতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে সরকার নারীদের একাকিত্বকে টার্গেট করেই চলে কামালের ধর্ষণ আর প্রতারণা ৭ বছরের চাচাতো বোনকে ধর্ষণ করল ১৪ বছরের কিশোর! বিশ্বে একদিনে আক্রান্ত ৪ লাখের বেশি, মৃত্যু ৫৫৯৯ সড়কে গাছ ফেলে পুলিশের গাড়িতে ডাকাতি! স্বাস্থ্যবিধি মেনে ১ নভেম্বর থেকে সবার মিলছে ওমরার সুযোগ স্ত্রীর সামনেই মুরগির সঙ্গে বিকৃত যৌনতায় মেতে ওঠেন রেহান দেশে এক গাভি বছরে জন্ম দেবে দু্টি বাছুর নারীদের অংশগ্রহণ আরো বাড়ানোর আহ্বান বাংলাদেশের আসলের মোড়কে নকল পণ্যের ছড়াছড়ি, বিপাকে ক্রেতারা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়কে মৃত্যু ৫০ শতাংশ কমানো হবে রায়পুরে সেচ প্রকল্পে জলাবদ্ধতা রোপা আমন নিয়ে শঙ্কা ফেনীতে গণ উপদ্রব ৪ নারীকে ১ মাস করে কারাদন্ড ধর্ষণের নেশা যুবকের, গৃহবধূকে ধর্ষণের পর ছাড়লো না চাচিকেও
  • রোববার   ২৫ অক্টোবর ২০২০ ||

  • কার্তিক ১১ ১৪২৭

  • || ০৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

২২

তিন ঘণ্টায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার, তাও পৃথিবীর দীর্ঘতম মেরিন ড্রাইভে

নোয়াখালী সমাচার

প্রকাশিত: ১৭ অক্টোবর ২০২০  

চট্টগ্রামের মিরসরাই থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত ১৭০ কিলোমিটার মেরিন ড্রাইভ সড়ক নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ শুরু হয়েছে। তবে কক্সবাজার থেকে টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ পর্যন্ত ৮০ কিলোমিটার মেরিন ড্রাইভ সড়ক আগেই নির্মাণ করা হয়েছে।

মিরসরাই থেকে কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ পর্যন্ত বর্ধিত ১৭০ কিলোমিটার সড়কের সম্ভাব্যতা যাচাই ( ফিজিবিলিটি স্টাডি)  ও নকশা তৈরির কাজ শুরু করেছেন অস্ট্রেলিয়ান পরামর্শক প্রতিষ্ঠান এসএমইটি ইন্টারন্যাশনাল। চূড়ান্ত প্রতিবেদন ও নকশা পেতে সময় লাগবে এক বছর। 

এ সড়ক নির্মাণ হলে এটিই হবে পৃথিবীর দীর্ঘতম মেরিন ড্রাইভ সড়ক। অন্য দিকে চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারের দূরত্ব কমে যাবে প্রায় ৫০ কিলোমিটার। এখন সড়ক পথে কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রাম যেতে সময় লাগে সাড়ে তিন ঘণ্টা থেকে চার ঘণ্টা। আর মেরিন ড্রাইভ সড়ক নির্মাণ হলে মাত্র দুই থেকে আড়াই ঘণ্টার মধ্যে কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রাম সড়ক পথে যাতায়াত সম্ভব হবে। বর্তমানে কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামের দূরত্ব সড়ক পথে ১৬০ কিলোমিটার। আর চট্টগ্রাম থেকে মিরসরাই পর্যন্ত দূরত্ব প্রায় ৬০ কিলোমিটার। ফলে চট্টগ্রাম কক্সবাজারের দূরত্ব ৫০ কিলোমিটার কমে যাচ্ছে।

সড়ক পরিবহন মালিক শ্রমিক সংগঠনের নেতা নঈমুল হক চৌধুরী টুটুল জানান, আরাকান সড়ক দিয়ে কক্সবাজার থেকে টেকনাফ যেতে যাত্রীবাহী যানবাহনের আড়াই থেকে তিন ঘণ্টা সময়  লেগে যায়। আর মেরিন ড্রাইভ সড়ক হয়ে গেলে এক ঘণ্টা থেকে এক ঘন্টা ২০ মিনিটের মধ্যে টেকনাফ কক্সবাজারে যাতায়াত করা যায়। কারণ এ মেরিন ড্রাইভ সড়ক টেকনাফ থেকে কক্সবাজারের দূরত্ব কমিয়ে দিয়েছে ২০ কিলোমিটার। 

অন্য দিকে কক্সবাজার হোটেল মোটেল জোনের সহসভাপতি শাহ আলম চৌধুরী প্রকাশ রাজা শাহ আলম জানান, মিরসরাই থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত মেরিন ড্রাইভ সড়ক নির্মিত হলে মিরসরাই চট্টগ্রামের পতেঙ্গা, আনোয়ারা, বাঁশখালী, কক্সবাজারের কুতুবদিয়া, পেকুয়া, চকরিয়া, মহেশখালীসহ কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অসংখ্য পর্যটনস্পট তৈরি হবে। যা দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে বাড়াবে আকর্ষণ এ মেরিন ড্রাইভ সড়ক। ফলে দেশের অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি হতে পারে এ খাত। 

সড়ক ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ সড়ক উদ্বোধন করার সময় এ মেরিন ড্রাইভ সড়ককে চট্টগ্রামের মিরসরাই পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার সরকারের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন। 

নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও চলতি বছর শেষ পর্যন্ত মিরসরাই থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত ১৭০ কিলোমিটার মেরিন ড্রাইভ সড়ক নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাই এর কাজ শুরু করতে পেরেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট সড়ক ও জনপদ অধিদফতর। এ প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই এর জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ১২ কোটি ৮২ লাখ টাকা। 

এদিকে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অবসরপ্রাপ্ত) ফোরকান আহমেদ জানান, এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে মিরসরাই থেকে টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ পর্যন্ত গড়ে উঠবে ছোট বড় অসংখ্য রিসোর্ট, হোটেল মোটেল রেস্টুরেন্ট অর্থনৈতিক জোন এক্সক্লোসিভ ট্যুরিস্ট স্পট, শত কিলোমিটার অব্যবহৃত সী-বীচ পর্যটকদের অভয়ারণ্যে পরিণত হবে। সৃষ্টি হবে ব্যাপক কর্মসংস্থান। বিশাল বিস্তৃর্ণ পর্যটন স্পট, নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখতে আসবে বিশ্বের পর্যটন পিপাসু সৌখিন পর্যটকেরা। এতে করে দেশের অর্থনীতির চাকা ঘুরবে বিদ্যুৎ গতিতে। দেশের অহংকার এ দীর্ঘতম মেরিন ড্রাইভ সড়ক আমাদের আত্মমর্যাদা ও অর্থনীতিকে সফলতার চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে যাবে।

সারাবাংলা বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর