ব্রেকিং:
মুজাক্কির হত্যার প্রতিবাদ তামিমার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার !!! করোনায় ২৪ ঘণ্টায় আরো ৮ মৃত্যু পোশাক খাতে ভিয়েতনামকে পেছনে ফেলল বাংলাদেশ চা উৎপাদনে বৃহত্তর চট্টগ্রামকে ছাড়িয়ে গেছে পঞ্চগড় আলোর ফেরিওয়ালা পলান সরকারের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী আজ আধুনিক পুলিশ মোতায়েন হবে তিন পার্বত্য জেলায় জট খুলেছে ড্রাইভিং লাইসেন্সের ঋণ নিয়ে নয়ছয় করলে কঠোর শাস্তি আঙ্গুলের ছাপ দিয়ে অপরাধী শনাক্তে র‌্যাব এনেছে ওয়াইভিএস বেসরকারি ভবে বন্ধ পাটকল চালুর নীতিতে প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি জেলাপর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয় করে দিচ্ছে সরকার :প্রধানমন্ত্রী ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের দেয়া সুযোগ-সুবিধায় ওআইসি’র সন্তোষ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটির আদেশ জারি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সতর্কতার সঙ্গে কাজ করতে বলেছে সংসদীয় কমিটি আজ থেকে দুই মাস ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ শুরু হলো অগ্নিঝরা মার্চ ২৭ পৌরসভায় আওয়ামী লীগের জয়, বিএনপি একটিতে ৩১ লাখ ছাড়াল দেশে করোনা টিকা গ্রহণকারীর সংখ্যা ই-নামজারি অটোমেশন ও ভূমি উন্নয়ন কর ব্যবস্থাপনা বিষয়ক কর্মশালা
  • মঙ্গলবার   ০২ মার্চ ২০২১ ||

  • ফাল্গুন ১৮ ১৪২৭

  • || ১৭ রজব ১৪৪২

ঢাকায় ৫০ টাকায় গরুর মাংস!

নোয়াখালী সমাচার

প্রকাশিত: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১  

প্রতিদিনই বাড়ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। আকাশ ছোঁয়া দামে হাঁসফাঁস মধ্য ও নিম্নবিত্তদের জীবন। তবে এমন দিনেও খোঁজ মিলেছে মাত্র ৫০ টাকায় গরুর মাংস বিক্রির। তাও আবার রাজধানীর মিরপুরের মিরপুর-১২ নম্বরের ই-ব্লকের ৩৩ নম্বর সড়কের পশ্চিম দিকে বিহারি পট্টিতে।

সেখানে গেলেই চোখে পড়বে ‘ভাতিজা শাহিদ ও শরিফের দোকান’ নামের একটি দোকানের। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত চলে বেচাকেনা। মূলত গরু ও মুরগির মাংস বিক্রি করেন তারা।

জানা গেছে, শাহিদ ও শরিফ সাত ভাই ও এক বোন। সঙ্গে রয়েছেন বাবা ও মা। বসবাস বিহারী পট্টিতেই। বড় দুই ভাই বয়সে কিশোর হলেও সংসারের হাল তারাই ধরেছেন। দোকানটিতে যে কোনো পরিমাণে মাংস বিক্রি করা হয়। চাইলে ৫০ টাকায়ও নেওয়া যাবে গরুর মাংস। কেউ চাইলে যে কোনো অংকের টাকায় কলিজা বা মুরগির মাংসও কিনতে পারেন। দুই ভাইয়ের নিজেদের পরিবারের সদস্য সংখ্যা বেশি হলেও গরিব ও খেটে খাওয়া মানুষের প্রতি রয়েছে মানবিকতা।

এ প্রসঙ্গে গণমাধ্যমকে শরীফ বলেন, যাদের মাংস খেতে খুব ইচ্ছে করে কিন্তু দাম বেশি হওয়ায় কিনতে পারেন না মূলত তারাই এখানে মাংস কেনেন। ১৫ বছর ধরে দোকান এভাবেই চলছে। আগে বাবা চালাতও, এখন আমরা চালাই। 

শরিফ আরো বলেন, যে কেউ যে কোনো পরিমাণে মাংস কিনতে পারেন। এতে তাদের লাভ হয় না। কারণ এসব মাংসে তারা হার দেন না। তবুও গরিব মানুষের জন্য তারা এ ব্যবস্থাটি রেখেছেন।

প্রতিদিন এক বৃদ্ধ লোক নিয়মিত গরুর মাংসের ক্রেতা। তবে তিনি ৫০ টাকার মাংস কেনেন। সে মাংসের টুকরা ছোট ছোট করে কেটে দেন শরিফ। এভাবেই কিছু ক্রেতার কাছে মাংস বিক্রি করেই নাকি তিনি তৃপ্তি পান।