ব্রেকিং:
আইপিএল জুয়া ঠেকাতে ক্যাবল নেটওয়ার্ক বন্ধ ঘোষণা ফেনীতে সবজি বাজার সিন্ডিকেটের দখলে রাকিবকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেন এসআই বিকাশ দাগনভূঞা থানা ওসি প্রত্যাহার দেশের উন্নয়নে নারীর ভূমিকা সবচেয়ে বেশী ফেনীতে যুবলীগ সভাপতির উপর হামলার ঘটনায় গ্রেফতার-২ জেলা ছাত্রলীগ সভাপতির মায়ের মৃত্যু হাসপাতালের সেবা প্রত্যাশীকে হয়রানি করলে ছাড় নয় পোশাক শ্রমিককে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে গণধর্ষণ, গ্রেফতার ৩ সিলেটের পুলিশ কমিশনারসহ ১৯ কর্মকর্তাকে বদলি ঢামেক-কে ৫ হাজার বেডে উন্নীত করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মামা-ভাগ্নির অদ্ভুত প্রেম, সেই সম্পর্ক এখন থানায় করোনায় দেশে আরো ২৪ মৃত্যু, আক্রান্ত বেড়েছে নদীবন্দরে হুঁশিয়ারি সংকেত, বৃষ্টি বাড়বে যে কারণে ৬ জনকে সঙ্গে নিয়ে মাকে টুকরো করেছিল ছেলে চালকদের ডোপ টেস্ট করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর তিন বন্ধুর পাহারায় স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ, চারজনই গ্রেফতার বিশ্বে একদিনে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ও মৃত্যু যুক্তরাষ্ট্রে কপিরাইট ইস্যুতে চঞ্চল-শাওনের ‘সর্বত মঙ্গল রাধে’ সরিয়ে নিলো ইউটিউব লঘুচাপটিই হতে পারে ঘূর্ণিঝড়, সতর্ক করলো আবহাওয়া অফিস
  • শুক্রবার   ২৩ অক্টোবর ২০২০ ||

  • কার্তিক ৮ ১৪২৭

  • || ০৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

৩৬৪৬

ডিসেম্বরে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব: মার্শা বার্নিকাট

নোয়াখালী সমাচার

প্রকাশিত: ১১ ডিসেম্বর ২০১৮  

ঢাকায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় ওয়াশিংটনের দুই প্রশাসনের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেওয়ার পর দুই দেশের সম্পর্কে কী পরিবর্তন এসেছে কিংবা অন্যভাবে বললে হোয়াইট হাউসে ক্ষমতার পালাবদল দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে কতটা প্রভাব ফেলেছে?

মার্শা বার্নিকাট: শুরুতেই  আমন্ত্রণের জন্য আপনাদের ধন্যবাদ জানাই। এখানে আসাটা আমার কাছে সব সময়ই আনন্দের। বিশ্বাসযোগ্যতার সঙ্গে আপনারা যে কাজটি করেন, আমি এটির বড় ভক্ত। আসলে ওয়াশিংটনে ক্ষমতার পালাবদলে তুলনামূলকভাবে তেমন কোনো পরিবর্তন আসে না। আমাদের যে মূল্যবোধ, সেটা তো আমাদেরই। কাজেই মানবাধিকারের আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের অনুসরণ, বিভিন্ন সরকারের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও বাড়ানো—এ বিষয়গুলোর ক্ষেত্রে প্রশাসনের পরিবর্তন কোনো প্রভাব ফেলে না। আমি অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাতে চাই, নতুন মার্কিন প্রশাসন ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজিতে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছে। আমাদের দৃষ্টিতে নানা দিক থেকে এই কৌশলের মধ্যবর্তী অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। এ দেশ দক্ষিণ এশিয়া ও এশিয়ার অন্য অংশের সেতুবন্ধ রচনা করেছে। আর মুক্তবাণিজ্য, একটি স্বচ্ছ এবং সবার জন্য সমান ক্ষেত্র তৈরির সুযোগের যে মূলনীতি এই কৌশলে রয়েছে, তা বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের পক্ষেই রয়েছে।

ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজি নিয়ে বাংলাদেশের সর্বশেষ অবস্থান কী?

মার্শা বার্নিকাট: ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজি একধরনের পদক্ষেপমুখী উদ্যোগ। এটি হচ্ছে একটি শক্তিশালী ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আমলাতান্ত্রিক, বাণিজ্যিক ও অন্যান্য স্বার্থ সুরক্ষার পদক্ষেপ। ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজির প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও সম্প্রতি তথ্যপ্রযুক্তি ও অবকাঠামো নির্মাণে মার্কিন বিনিয়োগের কথা বলেছেন। এই বিনিয়োগের চূড়ান্ত লক্ষ্যই হচ্ছে ব্যবসা ও বাণিজ্যের বিকাশ। তবে আমাদের বেসরকারি খাত সরকারের অপেক্ষায় বসে নেই। বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য সম্প্রতি বাংলাদেশের সামিট গ্রুপের সঙ্গে আমাদের জেনারেল ইলেকট্রিকের 
একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। এই উদ্যোগে তৃতীয় পক্ষ হিসেবে যুক্ত হবে জাপানের মিতসুবিশি। এটি হচ্ছে ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজির একটি উৎকৃষ্ট দৃষ্টান্ত, যেখানে একটি নয়, যেখানে তিন দেশের তিনটি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে যুক্ত হয়েছে।

স্বাক্ষাৎকার বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর