ব্রেকিং:
নোয়াখালীতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্যবিবাহ বন্ধ নোয়াখালী সুবর্ণচরে বৃক্ষরোপণ ও ডেঙ্গু সচেতনতায় সভা তারেকের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি কাদেরের ইতালির প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ সেনাবাহিনী প্রধানের সাথে ইন্দোনেশিয়ার সেনাবাহিনী প্রধানের সাক্ষাৎ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার মান নিশ্চিত করতে হবে: রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীকে ভারত সফরে মোদির আমন্ত্রণ সেদিনের শোক ভোলেননি হাছান মাহমুদ ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় দণ্ডিতদের অবস্থান কেমন আছেন ২১ আগস্টে আহতরা? ভয়াল ২১ আগস্ট আজ নিঝুম দ্বীপের দেশ নোয়াখালীর লোগোর বিশ্লেষণ নোয়াখালীর সর্ববৃহৎ গোপালপুর গণহত্যার ৪৮তম বার্ষিকী নতুন মাইলফলকে পূর্ণিমা বিএনপির রাজনীতির দুর্গন্ধ বিদেশেও ছড়াবে মোমেন-জয়শঙ্কর বৈঠক আজ প্রেমিক চেয়ারম্যানকে বিয়ের দাবিতে গৃহবধূর অনশন! হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগী কমছে মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষা ৪ অক্টোবর জন্মাষ্টমীর শোভাযাত্রায় ব্যাগ-পোটলা নিষিদ্ধ

বৃহস্পতিবার   ২২ আগস্ট ২০১৯   ভাদ্র ৬ ১৪২৬   ২০ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

সর্বশেষ:
ঈদে স্বাস্থ্য বিভাগের সবার ছুটি বাতিলের সিদ্ধান্ত আলোচনার মাধ্যমেই রোহিঙ্গা সমাধান চায় বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী বিএনপির ব্যর্থতার দগদগে ঘা রয়েছে: ওবায়দুল কাদের জাল নোট চেনার সহজ উপায় গুজব: নায়িকা শাবনূর ‘মারা’ গেছেন!
৩২৫৮

ডিসেম্বরে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব: মার্শা বার্নিকাট

প্রকাশিত: ১১ ডিসেম্বর ২০১৮  

ঢাকায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় ওয়াশিংটনের দুই প্রশাসনের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেওয়ার পর দুই দেশের সম্পর্কে কী পরিবর্তন এসেছে কিংবা অন্যভাবে বললে হোয়াইট হাউসে ক্ষমতার পালাবদল দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে কতটা প্রভাব ফেলেছে?

মার্শা বার্নিকাট: শুরুতেই  আমন্ত্রণের জন্য আপনাদের ধন্যবাদ জানাই। এখানে আসাটা আমার কাছে সব সময়ই আনন্দের। বিশ্বাসযোগ্যতার সঙ্গে আপনারা যে কাজটি করেন, আমি এটির বড় ভক্ত। আসলে ওয়াশিংটনে ক্ষমতার পালাবদলে তুলনামূলকভাবে তেমন কোনো পরিবর্তন আসে না। আমাদের যে মূল্যবোধ, সেটা তো আমাদেরই। কাজেই মানবাধিকারের আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের অনুসরণ, বিভিন্ন সরকারের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও বাড়ানো—এ বিষয়গুলোর ক্ষেত্রে প্রশাসনের পরিবর্তন কোনো প্রভাব ফেলে না। আমি অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাতে চাই, নতুন মার্কিন প্রশাসন ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজিতে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছে। আমাদের দৃষ্টিতে নানা দিক থেকে এই কৌশলের মধ্যবর্তী অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। এ দেশ দক্ষিণ এশিয়া ও এশিয়ার অন্য অংশের সেতুবন্ধ রচনা করেছে। আর মুক্তবাণিজ্য, একটি স্বচ্ছ এবং সবার জন্য সমান ক্ষেত্র তৈরির সুযোগের যে মূলনীতি এই কৌশলে রয়েছে, তা বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের পক্ষেই রয়েছে।

ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজি নিয়ে বাংলাদেশের সর্বশেষ অবস্থান কী?

মার্শা বার্নিকাট: ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজি একধরনের পদক্ষেপমুখী উদ্যোগ। এটি হচ্ছে একটি শক্তিশালী ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আমলাতান্ত্রিক, বাণিজ্যিক ও অন্যান্য স্বার্থ সুরক্ষার পদক্ষেপ। ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজির প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও সম্প্রতি তথ্যপ্রযুক্তি ও অবকাঠামো নির্মাণে মার্কিন বিনিয়োগের কথা বলেছেন। এই বিনিয়োগের চূড়ান্ত লক্ষ্যই হচ্ছে ব্যবসা ও বাণিজ্যের বিকাশ। তবে আমাদের বেসরকারি খাত সরকারের অপেক্ষায় বসে নেই। বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য সম্প্রতি বাংলাদেশের সামিট গ্রুপের সঙ্গে আমাদের জেনারেল ইলেকট্রিকের 
একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। এই উদ্যোগে তৃতীয় পক্ষ হিসেবে যুক্ত হবে জাপানের মিতসুবিশি। এটি হচ্ছে ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজির একটি উৎকৃষ্ট দৃষ্টান্ত, যেখানে একটি নয়, যেখানে তিন দেশের তিনটি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে যুক্ত হয়েছে।

নোয়াখালী সমাচার
নোয়াখালী সমাচার