ব্রেকিং:
হাতিয়ার রাজনীতিতে আসছে পালা বদল হাতিয়ায় বিপুল পরিমাণ কারেন্ট জাল উদ্ধার নেহাকে জোর করে চুমু, ভাইরাল সেই ভিডিও ৩০টি দেশে যাচ্ছে লক্ষ্মীপুরের জুতা নোয়াখালীতে বাজেট অলিম্পিয়াড প্রতিযোগিতা-২০১৯ তথ্য প্রযুক্তিতে নারীর অংশগ্রহণ বাড়ছে গৃহবধূকে যৌতুকের জন্য হত্যা মাছ ধোয়ার সহজ পদ্ধতি জানা আছে তো? নিজ বাড়িতে মিলল বৃদ্ধের মরদেহ একা পেয়ে ভাতিজিকে চাচার ধর্ষণ সড়ক দুর্ঘটনায় নোয়াখালী প্রবাসী নিহত ব্লাড ডোনেট ক্লাব এর বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠান ২৪ অক্টোবর আমেরিকা প্রবাসীর রহস্যজনক মৃত্যু রক রাজার ‘ডায়েরি’ ঘুমন্ত স্বামীর গলায় ছুরি চালালেন স্ত্রী সিরাজুল ইসলাম মেডিকেলের নতুন সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট হাতিয়ায় বহুল প্রতীক্ষিত আওয়ামীলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে নোবিপ্রবিতে খাদ্য দিবস উৎযাপন সেনবাগে ফ্রী ব্লাড গ্রুপ নির্ণয় ক্যাম্পিং জেঠার লালসার শিকার ভাতিজী!

শনিবার   ১৯ অক্টোবর ২০১৯   কার্তিক ৩ ১৪২৬   ১৯ সফর ১৪৪১

সর্বশেষ:
একবছরে পাঁচগুণ মুনাফা বেড়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আমাজন বাঁচাতে লিওনার্দোর ৫০ মিলিয়ন ডলারের অনুদান রাজধানীতে চার জঙ্গি আটক ১৬২৬৩ ডায়াল করলেই মেসেজে প্রেসক্রিপশন পাঠাচ্ছেন ডাক্তার জোরশোরে চলছে রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পের কাজ
৩১

জামানত রেখে ঋণ দিতে হবে: অর্থমন্ত্রী

প্রকাশিত: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

ঋণ গ্রহীতার কাছ থেকে জামানত বা মর্টগেজ সঠিকভাবে রেখেই ঋণ দিতে হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। 
তিনি বলেন, ঋণ ইস্যুতে ব্যাংকের চেয়ারম্যান বা পরিচালককে ব্যক্তিগত গ্যারান্টি দিতে হবে। আর ঋণ গ্রহীতার কাছ থেকে জামানত বা মর্টগেজ সঠিকভাবে রেখেই ঋণ দিতে হবে। যাতে ঋণের বিপরীতে নিশ্চয়তা থাকে। এ সব বিধান অন্তর্ভুক্ত করতে আইনের সংশোধন করা হবে।মঙ্গলবার রাষ্ট্রায়ত্ত চারটি ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের (এমডি) সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।

রাজধানীর আগারগাঁও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ওই বৈঠক হয়। সেখানে সোনালী ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক ও জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডিরা উপস্থিত ছিলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আইনি প্রক্রিয়ায় এসব উদ্যোগ এতটাই শক্তিশালী করা হবে- যাতে খেলাপি হলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া যায়। আর এ দু'টি বিষয় নিশ্চিত করতে পারলে কোনোভাবেই খেলাপি ঋণ বাড়বে না।

তিনি বলেন, খেলাপি ঋণগুলো পর্যালোচনা করে দেখা গেছে কিছু আইনি প্রক্রিয়ার দুর্বলতা ছিল। এসব দুর্বল দিকগুলো এখন দূর করা হবে। পাশাপাশি খেলাপি ঋণের সঙ্গে জড়িতদের শাস্তির আওতায় আনা হবে।

তিনি আরো বলেন, ক্রেতা দায়ী থাকলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এর সঙ্গে কোনো ব্যাংক কর্মকর্তা জড়িত থাকলেও ব্যবস্থা নেয়া হবে। বিদ্যমান আইনে তাদের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া যায়। ফলে এর থেকে রক্ষা পাবে না। এ জন্য বলছি খেলাপি ঋণ বাড়বে না।

অর্থমন্ত্রী বলেন, যারা ভালো ঋণ গ্রহীতা তাদের আমরা আবার ঋণ দিব। আর যারা ভালো নয় তাদের সম্পর্কে বলা আছে তাদের ঋণ দেয়া হবে না। খারাপ ঋণ গ্রহীতাদের নিয়ে ভাবনার দরকার নেই।

জানা গেছে, ওই বৈঠকে রাষ্ট্রায়ত্ত চারটি ব্যাংক থেকে তাদের ভবিষ্যৎ কর্ম-পরিকল্পনা দাখিল করেছে। ব্যাংকগুলো আরো কার্যকর করতে বিভিন্ন লক্ষ্য নির্ধারণ করেই কর্ম-পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে। এতে ব্যাংকের মুনাফা আরো বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোতে চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগের পর তাদের কার্যক্রম নিয়ে আজকে ছিল প্রথম বৈঠক। আগামী তিন মাস পর দ্বিতীয় বৈঠক করা হবে। ওই সময় তাদের অগ্রগতি প্রকাশ্যে তুলে ধরা হবে। ওই সময় খেলাপি ঋণ বাড়ল কিনা। সেটিও প্রকাশ করা হবে। আশা করি, খেলাপি ঋণ বাড়বে না। তবে বাড়লেও এর কারণসহ প্রকাশ করা হবে। এ দেশের জনগণের কাছে দায়বদ্ধতা আছে। সে দায়বদ্ধতা থেকে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করতে চাই।

চারটি ব্যাংকের কর্ম-পরিকল্পনা দিয়ে আগামীতে তাদের সংকট নিরসন করা সম্ভব হবে কিনা- সাংবাদিকদের এ প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, আগামী তিন মাস পর এর মূল্যায়ন হবে। ওই সময় তাদের অগ্রগতি ও অবনতির সূচকগুলো পর্যালোচনা করলে বেরিয়ে আসবে প্রকৃত চিত্র।

এর আগেও বলেছেন খেলাপি ঋণ আর বাড়বে না, আজকে নতুন কী এমন প্রস্তাব দিয়েছে আপনি আশ্বস্ত হয়ে বলছেন খেলাপি আর বাড়বে না- এমন প্রশ্নের উত্তরে অর্থমন্ত্রী বলেন, খেলাপি ঋণ বাড়বে না। কারণ এর বৃদ্ধির আর কোনো ব্যবস্থা নেই।

অর্থমন্ত্রী বলেন, খেলাপি ঋণ নিয়ে আমরা সব সময় দুঃচিন্তায় আছি। সহজে এখান থেকে মুক্তি পেতে আজকের বৈঠকে সবাই একমত হয়েছেন। এর জন্য সংশ্লিষ্ট আইনি প্রক্রিয়ায় কিছু পরিবর্তন আনা হবে। পাশাপাশি এখন থেকে প্রতি তিন মাস অন্তর এসব ব্যাংকের অগ্রগতি রিপোর্ট দাখিল করবে। তাদের সফলতা ও ব্যর্থতা মূল্যায়ন করা হবে।

ব্যাংক কমিশন গঠন প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, আগে আইনগুলো সংশোধন করতে হবে। এরপর নিজেরা শক্তিশালী হব। নিজেদের ঘর ঘুছিয়ে আইন সশোধন, জনবল ও নিয়ম-নীতি ঠিক করে এরপর ব্যর্থ হলে কমিশন গঠন করা হবে। কমিশন আমাদের ব্যর্থতা খুঁজবে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনো কাজ শুরু করা হয়নি।

নোয়াখালী সমাচার
নোয়াখালী সমাচার
এই বিভাগের আরো খবর